রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকাজুড়ে গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার রাতে জানাজা শেষে তাকে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে দাফন করা হয়।
শিশুটির মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। জানাজায় স্থানীয় বাসিন্দা, আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে দাফন শেষে শোকাবহ পরিবেশে সবাই ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে মুন্সিগঞ্জ শহরে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার পরপরই সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, তারা দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার চান। মামলাটি এখন তদন্তাধীন রয়েছে।
0 মন্তব্য