পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদলের ফলে যদি সীমান্তে ‘পুশইন’ বা অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে, তবে বাংলাদেশ তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে ঢাকায় সফররত একটি মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সীমান্ত নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সরকার সবসময় সতর্ক রয়েছে। প্রতিবেশী অঞ্চলে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব যেন বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিস্তা চুক্তি প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি মূলত ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের সরকারের অবস্থান এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তারা এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেটিই চূড়ান্তভাবে প্রভাব ফেলবে।
এদিকে, ড. খলিলুর রহমান আরও জানান, আগামী জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বন্ধুপ্রতিম দেশ চীন অথবা ভারত সফরে যেতে পারেন। সম্ভাব্য এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, সফরকালে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন এই কূটনৈতিক যোগাযোগগুলো বাংলাদেশ ও সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের পথ সুগম করবে।
0 মন্তব্য