প্রবাসী কার্ড চালু হলে আলাদাভাবে আর কোনো বিএমইটি (জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) কার্ডের প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, এত কার্ড দিয়ে কী করবে, একটা কার্ড দিয়ে সব ফ্যাসিলিটি যাতে এনজয় করা যায় সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।
মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মোখতার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত সব প্রবাসী বাংলাদেশিই এই কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। মধ্যপ্রাচ্যের কর্মজীবী বাংলাদেশিদের পাশাপাশি ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও লাতিন আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসীরাও এর আওতায় আসবেন।
মন্ত্রী জানান, নতুন এই কার্ডটি মূলত একটি ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। এ জন্য একটি নির্দিষ্ট সেলের মাধ্যমে আবেদন গ্রহণ করা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রবাসীদের কার্ড প্রদান করা হবে।
কার্ডধারীরা কী ধরনের সুবিধা পাবেন, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে প্রবাসীদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, দ্রুত ও সহজে রেমিট্যান্স পাঠানোর সুবিধা এবং ব্যাংকিং পেমেন্ট গেটওয়ে সংক্রান্ত বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ডিজিটাল পরিচয়পত্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে এবং এতে ট্র্যাকিং সিস্টেমও যুক্ত থাকবে।
আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সরকারি সেবা সহজলভ্য করতে কাজ চলছে। বিশেষ করে ভূমি-সংক্রান্ত সেবা প্রদানের বিষয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এছাড়া কোনো প্রবাসী এই কার্ড প্রদর্শন করলে সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার এবং হাসপাতালগুলোতে বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তিনি বলেন, “প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের জন্য সেবাগুলো আরও সহজ ও কার্যকর করতে আমরা বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে চাই।”
0 মন্তব্য