ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বারবারই ত্রাতা হয়ে উঠেছেন আর্লিং হালান্ড। নতুন মৌসুমের শুরুতেও সেই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন নরওয়ের এই তারকা ফরোয়ার্ড। তাঁর একমাত্র গোলেই নবাগত কভেন্ট্রি সিটিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে টানা তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে সিটি। প্রায় ৭৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে আক্রমণ গড়ে তোলে স্বাগতিকরা। তবে কভেন্ট্রির সংগঠিত রক্ষণ ও পাল্টা আক্রমণে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত কঠিন হয়ে ওঠে সিটির জন্য।
ম্যাচের ২৬তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। মাঝমাঠ থেকে অভিষিক্ত এনজো ফার্নান্দেজের বাড়ানো বল পেয়ে ডান দিক থেকে দুর্দান্ত ক্রস করেন অঁতোয়ান সেমেনিও। সেই ক্রসে উড়ে গিয়ে শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান হালান্ড।
এই গোলটি হালান্ডের ক্লাব ক্যারিয়ারের ৩০০তম গোল। চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে এটি তাঁর তৃতীয় গোল।
বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে কভেন্ট্রি। কয়েক দফা আক্রমণে সিটির রক্ষণে চাপও তৈরি করে তারা। জ্যাক রুডোনির হেড ও তাইও আওনিয়ির সুযোগ থেকে সমতায় ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হলেও সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ স্বাগতিকদের এগিয়ে রাখে।
এই ম্যাচ দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে অভিষেক হয়েছে এনজো ফার্নান্দেজ ও ইলিমান এনদিয়ের। ওয়ার্ম-আপে নিকো ও’রাইলি চোট পাওয়ায় শেষ মুহূর্তে একাদশে সুযোগ পান ফার্নান্দেজ। আর সুযোগ পেয়েই ম্যাচের একমাত্র গোলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার।
জয় পেলেও পারফরম্যান্স নিয়ে পুরোপুরি স্বস্তিতে থাকার সুযোগ নেই সিটির। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে কভেন্ট্রির আক্রমণ তাদের বেশ কয়েকবার চাপে ফেলেছিল। ম্যাচ শেষে কভেন্ট্রি কোচ ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের মতে, তাঁর দল অন্তত এক পয়েন্ট পাওয়ার যোগ্য ছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত হালান্ডের এক গোলই পার্থক্য গড়ে দেয়। এই জয়ে মৌসুমের প্রথম তিন ম্যাচেই তিন জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি। ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মারেস্কার দল। অন্যদিকে প্রিমিয়ার লিগে ফিরে আসা কভেন্ট্রি প্রথম তিন ম্যাচ শেষে এখনো জয় কিংবা গোলের দেখা পায়নি।
0 মন্তব্য