খাগড়াছড়ির পানছড়িতে সরকারি খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি (ওএমএস) এর আওতায় চাল ও আটা বিতরণে নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর ওএমএস ডিলার নুরুজ্জামান ও তাঁর প্রতিষ্ঠান মেসার্স জামান অ্যান্ড ব্রাদার্সের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রতি ৫ কেজি চালের বিপরীতে প্রায় ১৫০ গ্রাম এবং ৫ কেজি আটার ক্ষেত্রে প্রায় ২০০ গ্রাম কম দেওয়া হচ্ছে। এতে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে ওএমএসের পণ্য কিনতে আসা সাধারণ ভোক্তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে অভিযোগ তাদের।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওএমএস ডিলার নুরুজ্জামান কম দেওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন। তবে তার দাবি, খাদ্যগুদাম থেকেই প্রতি বস্তায় ২ থেকে ৩ কেজি করে কম দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে পানছড়ি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও এলএসডি গোলাম মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অনেকেই অনেক কিছু বলবে। কেউ কিছু বললে আমি ধরে রাখতে পারব না। আমার কাছ থেকে পণ্য নেওয়ার সময় আমি পুরোপুরি বুঝিয়ে দিই। বাইরে গিয়ে কেউ কম বললে এর দায়ভার আমার নয়।’
এদিকে স্থানীয় ভোক্তারা বলছেন, সরকারি ওএমএস কর্মসূচির চাল ও আটা নির্ধারিত পরিমাণে বিতরণ করা হচ্ছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিনে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, সরকারি ভর্তুকিতে পরিচালিত এ কর্মসূচির সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষ যথাযথভাবে পান, তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত ওজন যাচাই, স্বচ্ছতা এবং কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে আনার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
0 মন্তব্য