বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় দুই পরাশক্তির লড়াইয়ের মধ্যে এই অর্জনকে বেইজিংয়ের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) জার্মানির হামবুর্গে প্রকাশিত বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারগুলোর দ্বিবার্ষিক টপ-৫০০ তালিকায় চীনের ‘লাইনশাইন’ প্রথম স্থান অর্জন করে। শেনঝেনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারে স্থাপিত এই কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ২.১৯৮ এক্সাফ্লপস বা ২ কুইন্টিলিয়নের বেশি গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম, যা যুক্তরাষ্ট্রের ‘এল ক্যাপিটান’ সুপারকম্পিউটারের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
এর মধ্য দিয়ে ২০১৭ সালে ‘সানওয়ে তাইহুলাইট’-এর পর প্রথমবারের মতো কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার আবারও বিশ্বের শীর্ষস্থান দখল করল।
ক্যালিফোর্নিয়ার লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তালিকার শীর্ষে ছিল। এবার এটি দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফ্রন্টিয়ার’, চতুর্থ স্থানে ‘অরোরা’ এবং পঞ্চম স্থানে জার্মানির ‘জুপিটার’।
টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং টপ-৫০০ তালিকার অন্যতম সংগঠক জ্যাক ডংগারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চিপ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও লাইনশাইনের সাফল্য প্রমাণ করে যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে চীন নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পেরেছে।
জ্যাক ডংগারা বলেন, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ চীনের কিছু উন্নত প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে দেশটিকে নিজস্ব বিকল্প প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আরও উৎসাহিত করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লাইনশাইনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণভাবে সাধারণ সিপিইউ ব্যবহার করে তৈরি। বর্তমানে অধিকাংশ সুপারকম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সিস্টেম জিপিইউ-নির্ভর হলেও, শুধুমাত্র সিপিইউ ব্যবহার করে ২ এক্সাফ্লপসের বেশি কর্মক্ষমতা অর্জনকারী এটিই বিশ্বের প্রথম সুপারকম্পিউটার।
১৯৯৩ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসা টপ-৫০০ তালিকাটি দীর্ঘদিন ধরে সুপারকম্পিউটিং সক্ষমতার অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, প্রযুক্তির পরিবর্তনের কারণে এই তালিকার গুরুত্ব আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এআই ইনডেক্স প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান কার্যত কমিয়ে এনেছে চীন। যদিও অত্যাধুনিক এআই মডেল তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে রয়েছে, তবে পেটেন্ট, শিল্প রোবট স্থাপন এবং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতায় চীন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৩ জুন) জার্মানির হামবুর্গে প্রকাশিত বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারগুলোর দ্বিবার্ষিক টপ-৫০০ তালিকায় চীনের ‘লাইনশাইন’ প্রথম স্থান অর্জন করে। শেনঝেনের ন্যাশনাল সুপারকম্পিউটিং সেন্টারে স্থাপিত এই কম্পিউটার প্রতি সেকেন্ডে ২.১৯৮ এক্সাফ্লপস বা ২ কুইন্টিলিয়নের বেশি গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম, যা যুক্তরাষ্ট্রের ‘এল ক্যাপিটান’ সুপারকম্পিউটারের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি।
এর মধ্য দিয়ে ২০১৭ সালে ‘সানওয়ে তাইহুলাইট’-এর পর প্রথমবারের মতো কোনো চীনা সুপারকম্পিউটার আবারও বিশ্বের শীর্ষস্থান দখল করল।
ক্যালিফোর্নিয়ার লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে স্থাপিত ‘এল ক্যাপিটান’ ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে তালিকার শীর্ষে ছিল। এবার এটি দ্বিতীয় স্থানে নেমে গেছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফ্রন্টিয়ার’, চতুর্থ স্থানে ‘অরোরা’ এবং পঞ্চম স্থানে জার্মানির ‘জুপিটার’।
টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের এমেরিটাস অধ্যাপক এবং টপ-৫০০ তালিকার অন্যতম সংগঠক জ্যাক ডংগারা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের চিপ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও লাইনশাইনের সাফল্য প্রমাণ করে যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে চীন নিজেদের সক্ষমতা গড়ে তুলতে পেরেছে।
জ্যাক ডংগারা বলেন, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ চীনের কিছু উন্নত প্রযুক্তির প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে ঠিকই, তবে একই সঙ্গে দেশটিকে নিজস্ব বিকল্প প্রযুক্তি উদ্ভাবনে আরও উৎসাহিত করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লাইনশাইনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণভাবে সাধারণ সিপিইউ ব্যবহার করে তৈরি। বর্তমানে অধিকাংশ সুপারকম্পিউটার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সিস্টেম জিপিইউ-নির্ভর হলেও, শুধুমাত্র সিপিইউ ব্যবহার করে ২ এক্সাফ্লপসের বেশি কর্মক্ষমতা অর্জনকারী এটিই বিশ্বের প্রথম সুপারকম্পিউটার।
১৯৯৩ সাল থেকে প্রকাশিত হয়ে আসা টপ-৫০০ তালিকাটি দীর্ঘদিন ধরে সুপারকম্পিউটিং সক্ষমতার অন্যতম মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, প্রযুক্তির পরিবর্তনের কারণে এই তালিকার গুরুত্ব আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে।
স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ সালের এআই ইনডেক্স প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবধান কার্যত কমিয়ে এনেছে চীন। যদিও অত্যাধুনিক এআই মডেল তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে রয়েছে, তবে পেটেন্ট, শিল্প রোবট স্থাপন এবং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতায় চীন দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্রে: আল জাজিরার
0 মন্তব্য