ঘরের দর্শকদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য যা দরকার তা প্রথমার্ধেই পেয়ে যায় মেক্সিকো। সেটিও একটি নয়, দুটি।
ইকুয়েডরকে ২-০ গোলে হারিয়ে ৮ বছর পর শেষ ষোলোতেও জায়গা করে নিয়েছে তারা। সর্বশেষ ২০১৮ বিশ্বকাপে শেষ ষোলোয় খেলেছিল তারা।
তাই দ্বিতীয়ার্ধে আর কোনো গোল না হলেও ঠিকই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিক মেক্সিকো।
মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ।
তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।
পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।
কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
বিপরীতে ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে মন্দ ভাগ্য তাদের।
জন ইয়েবোয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় পান তিন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রানহেল। বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়ার তার শটটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেভ করেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। পরে তাই হতাশা নিয়েই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইকুয়েডর।
বিরতির পর ইকুয়েডর ম্যাচে ফিরতে তো পারেননি উল্টো ৬৭ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করার প্রায় দ্বারপ্রান্তে ছিল। তবে সেজার মন্তেসের শট অবিশ্বাসভাবে এক হাতে সেভ দেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ। ৯০ মিনিটে মেক্সিকোর দুই খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের বক্সের কাছাকাছি নিজেদের মধ্যে পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে তালগোল না পাকালে ঠিকই তৃতীয় গোল পেত তারা। পরে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের জয় পায় মেক্সিকো।
অন্যদিকে আবার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ‘ভিনি আইনে’ যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন পিয়েরো হিনকাপিয়ে। হাত দিয়ে মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে কিছু বলায় ভিএআর দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই নিয়মে লাল কার্ড দেখেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন।
মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের শুরুতে ঘরের দর্শক-সমর্থকদের আনন্দে ভাসানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রাউল হিমেনেজ।
তবে ষষ্ঠ মিনিটে ফ্রি হেডার হয়েও গোলরক্ষককে একদম সামনাসামনি পেয়েও সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেননি মেক্সিকোর অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার।
পরে অবশ্য প্রায়শ্চিত্ত করেছেন হিমেনেজ। ৩১ মিনিটে গোল করে ঘরের সমর্থকদের উল্লাসে মাতান তিনি। ১০ গজ থেকে করা ৩৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় মেক্সিকো।
কেননা তার আগেই মেক্সিকো লিড এনে দেন হুলিয়ান কিনিয়োনেস। ২২ মিনিটে প্রথম গোলটি করেন ২৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এর আগে বেশ কটি সুযোগ পেয়েও জালের দেখা পায়নি স্বাগতিকরা।
বিপরীতে ১৮ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল ইকুয়েডর। তবে মন্দ ভাগ্য তাদের।
জন ইয়েবোয়ার শট বারে লেগে ফিরে আসে। ৪০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পায় পান তিন। কিন্তু এবার বাধা হয়ে দাঁড়ান মেক্সিকোর গোলরক্ষক রাউল রানহেল। বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়ার তার শটটি দারুণ ক্ষিপ্রতায় সেভ করেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক। পরে তাই হতাশা নিয়েই ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ইকুয়েডর।
বিরতির পর ইকুয়েডর ম্যাচে ফিরতে তো পারেননি উল্টো ৬৭ মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করার প্রায় দ্বারপ্রান্তে ছিল। তবে সেজার মন্তেসের শট অবিশ্বাসভাবে এক হাতে সেভ দেন ইকুয়েডরের গোলরক্ষক এরনান গালিন্দেজ। ৯০ মিনিটে মেক্সিকোর দুই খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের বক্সের কাছাকাছি নিজেদের মধ্যে পাস দেওয়ার ক্ষেত্রে তালগোল না পাকালে ঠিকই তৃতীয় গোল পেত তারা। পরে আর কোনো গোল না হলে ২-০ ব্যবধানের জয় পায় মেক্সিকো।
অন্যদিকে আবার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে ‘ভিনি আইনে’ যোগ করা সময়ে লাল কার্ড দেখেন পিয়েরো হিনকাপিয়ে। হাত দিয়ে মুখ ঢেকে প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়কে কিছু বলায় ভিএআর দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই নিয়মে লাল কার্ড দেখেন প্যারাগুয়ের মিডফিল্ডার মিগুয়েল আলমিরন।
0 মন্তব্য