Browsing: ইরান

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশই একে অপরকে নাজুক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছে। এতে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বন্ধে যে আলোচনা চলছিল, তা আরও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর আয়োজক দেশের আচরণ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোয়ি। তার অভিযোগ, পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তাদের সঙ্গে অন্যায্য আচরণ করা হয়েছে।

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার, পাশাপাশি উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে।

ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি না থাকলে ইরানের পরিণতিও ‘গাজার মতোই’ হতো বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কোনো ধরনের আপস করবে না তেহরান।

আমেরিকার সাথে ইরানের চলমান আলোচনায় দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি কখনোই আলোচনার টেবিলে বা এজেন্ডায় ছিল না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। অথচ এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল এই ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ধ্বংস করাকেই ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছিল। ইসলামাবাদে সফররত ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য নিশ্চিত করেন। 'ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক' (এমওইউ)-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি কোনো ধারণা নয় বরং বাস্তব সত্য যে ইরান কখনোই তাদের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে চায়নি এবং তা আলোচনার সূচিতেও ছিল না। এ সময় বৈশ্বিক রাজনীতির দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে শাহবাজ শরিফ বলেন, অন্য দেশগুলোর ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকতে পারলে ইরানের কেন থাকবে না, এমন দ্বিচারিতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

 ট্রাম্পের এই ঐতিহাসিক ভুলের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এ ঘটনা আমেরিকার ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট পদক্ষেপ হিসেবে ইতিহাসে লেখা থাকবে।