Browsing: চট্রগ্রাম

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের পাঁচ জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯ জন।

এসব জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৩৭ হাজারের বেশি মানুষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মৃতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ১১ জন, কক্সবাজারে ২৩ জন, রাঙামাটিতে ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ১২ জন, কক্সবাজারে ২৪ জন, খাগড়াছড়িতে ১ জন এবং বান্দরবানে ২ জন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বিভিন্ন এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন আড়াই লাখ মানুষ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ। গত ৫ জুলাই থেকে গতকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে ও পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গত এলাকায় খাদ্যসহায়তা অপ্রতুল। টিউবওয়েল ডুবে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির সংকটও তীব্র। পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কায় জেলা প্রশাসন জারি করেছে সর্বোচ্চ সতর্কতা।

জেলার চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। 

চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলাকে ভাগ করে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলাকে ভাগ করে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ এবং কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ নামে নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।

বন বিভাগের নির্দেশনার পর আমরা মিরসরাইয়ে আমাদের ইজারাভুক্ত সব কটি ঝরনায় সব ধরনের পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি। আমাদের কর্মীরা সার্বক্ষণিক বিষয়টি তদার করছে।