সোমবার (১১ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।
আইনজীবীরা জানান, গত বছরের ১ জুন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চে সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ-এর আপিল বিভাগ এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জামায়াতে ইসলামীর “স্থগিত নিবন্ধন” ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
পরে নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশ দলটিকে প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরিয়ে দেয়।
এর আগে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের হাইকোর্ট বিভাগ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল ও অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়। পরে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করে দলটির নিবন্ধন বাতিল করে।
পরবর্তীতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও শুনানিতে মূল আইনজীবী উপস্থিত না থাকায় তৎকালীন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ মামলাটি “ডিসমিসড ফর ডিফল্ট” হিসেবে খারিজ করে দেয়। ফলে হাইকোর্টের রায় তখন বহাল থাকে।
২০২৪ সালের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। পরে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে।
এরপর দলটির নিবন্ধন বাতিল সংক্রান্ত আপিল পুনরুজ্জীবনের আবেদন করা হলে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর আদালত তা গ্রহণ করে এবং মেরিট অনুযায়ী পুনরায় শুনানি শুরু হয়।
0 মন্তব্য