বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) দেশজুড়ে ৪৯৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার ১০টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে। এর আগে বছরের শুরুতে একটি বিশাল লক্ষ্যমাত্রার দরপত্রে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ত্বরান্বিত করতে এই নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দরপত্রের মূল তথ্যাদি: আহ্বানের তারিখ: ২৭ এপ্রিল। জমা দেওয়ার শেষ সময়: ২৮ জুন। ডকুমেন্ট বিক্রির শেষ তারিখ: ২৫ জুন। প্রকল্পের আকার: ২৫ মেগাওয়াট থেকে ১০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত।
অবস্থান: দেশের ১০টি ভিন্ন অঞ্চল (যেমন: টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, চট্টগ্রাম এবং কিশোরগঞ্জ)। প্রেক্ষাপট ও চ্যালেঞ্জ:
এর আগে ৫,২৩৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার ৫৫টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌর প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল, কিন্তু সেখানে মাত্র ৯০০ মেগাওয়াটের মতো প্রস্তাব পাওয়া যায়। শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, 'সার্বভৌম গ্যারান্টি' (Sovereign Guarantee) না থাকায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে গেছেন।
সরকারের অবস্থান ও বিপিডিবি চেয়ারম্যানের বক্তব্য: বিপিডিবি-র চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানান, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবার 'সার্বভৌম গ্যারান্টি' দেওয়া হচ্ছে না। আগে বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে বিদ্যুৎ উৎপাদন না করলেও হাজার হাজার কোটি টাকা 'ক্যাপাসিটি চার্জ' দিতে হয়েছে। এবার সেই ঝুঁকি এড়াতে সার্বভৌম গ্যারান্টি না দিয়ে ২০ বছরের জন্য বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তি (PPA) এবং শতভাগ বিদ্যুৎ কেনার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে।
প্রকল্পের লক্ষ্য: এই প্রকল্পগুলোর উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক গ্রিডের স্থিতিশীলতা বাড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানি-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতা কমানো। প্রকল্পগুলো বর্তমান বা নির্মাণাধীন গ্রিড উপকেন্দ্রগুলোর কাছাকাছি স্থাপন করা হবে যাতে জাতীয় গ্রিডে সহজে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।
বিনিয়োগের শর্ত: বিনিয়োগকারীদের প্রতি মেগাওয়াটের জন্য ৫,০০০ ডলার নিরাপত্তা জামানত দিতে হবে এবং দরপত্র দলিলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫,০০০ টাকা। বিপিডিবি তাদের নিজস্ব রাজস্ব বাজেট থেকে এই প্রকল্পগুলোতে অর্থায়ন করার পরিকল্পনা করছে।
সংক্ষেপে, সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকলেও 'সার্বভৌম গ্যারান্টি' ছাড়া আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা এই নতুন দরপত্রে কতটা সাড়া দেবেন, সেটাই এখন বড় দেখার বিষয়।
দরপত্রের প্রধান তথ্য আহ্বানের তারিখ: ২৭ এপ্রিল, প্রস্তাব জমা দেওয়ার শেষ সময়: ২৮ জুন, দরপত্র দলিল বিক্রির শেষ তারিখ: ২৫ জুন, প্রকল্পের সক্ষমতা: প্রতিটি কেন্দ্র ২৫ থেকে ১০০ মেগাওয়াট
সম্ভাব্য স্থান: টাঙ্গাইল, কক্সবাজার, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, কুড়িগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা পূর্ব অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ এর আগে ৫ হাজার ২৩৮ মেগাওয়াট সক্ষমতার ৫৫টি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলেও সেখানে মাত্র প্রায় ৯০০ মেগাওয়াটের প্রস্তাব পাওয়া যায়। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা না থাকায় আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখাননি।

সরকারের অবস্থান বিপিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, অতীতে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো উৎপাদন না করলেও বিপুল অঙ্কের ‘ক্ষমতা ভাড়া’ পরিশোধ করতে হয়েছে সরকারকে।
তবে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ বছরের বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তি এবং উৎপাদিত শতভাগ বিদ্যুৎ কেনার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। প্রকল্পের লক্ষ্য ও পরিকল্পনা নতুন এই সৌর প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য হচ্ছে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা বাড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো। এজন্য প্রকল্পগুলো বিদ্যমান বা নির্মাণাধীন উপকেন্দ্রের কাছাকাছি স্থাপন করা হবে, যাতে সহজে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যায়।
বিনিয়োগের শর্ত প্রতিটি মেগাওয়াটের জন্য বিনিয়োগকারীদের ৫ হাজার মার্কিন ডলার নিরাপত্তা জামানত জমা দিতে হবে। দরপত্র দলিলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। বিপিডিবি তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করেছে। সামগ্রিক চিত্র নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে সরকারের আগ্রহ স্পষ্ট হলেও রাষ্ট্রীয় নিশ্চয়তা ছাড়া এই নতুন দরপত্রে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা কতটা সাড়া দেবেন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
0 মন্তব্য