বন্যায় বিধ্বস্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে নেপালের প্রাথমিক হিসাবে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির অর্থমন্ত্রী স্বর্ণিম ওয়াগলে।
শনিবার( ২৯ আগস্ট) রয়টার্সকে ওয়াগলে বলেন, এটি কেবল প্রাথমিক হিসাব। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনো নিরূপণ করা হচ্ছে।
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হয়েছিল, এবার তার চেয়ে কম অর্থ লাগতে পারে।
এদিকে চীনের তিব্বতেও ৫০০ জনের বেশি নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। শুক্রবার উদ্ধারকারীরা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গিরং সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাতে সক্ষম হন। ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়কের কারণে পাহাড় ও উপত্যকা পেরিয়ে দড়ি ব্যবহার করে দুর্গম বন ও খাড়া পাহাড় অতিক্রম করতে হয়েছে তাদের।
সীমান্ত এলাকার নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজে বন্যার সময় ভবনগুলোকে প্রবল পানির স্রোত ও ধ্বংসাবশেষে তলিয়ে যেতে দেখা গেছে। উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গত এলাকায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে নেপাল ও তিব্বতে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নেপালে ভয়াবহ বন্যার পর বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার সাময়িকভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালাতে বিদেশি কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে দেশটি।
বুধবার হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় নেপাল-তিব্বত সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংস হয়ে যায়। পাহাড়ি নদীপথ দিয়ে নেমে আসা পাথর, বরফ, কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোতে ঘরবাড়ি, সেতু, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা ভেসে যায়। নেপালে এ পর্যন্ত ৬২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চীনের তিব্বতে মারা গেছেন আরও সাতজন।
0 মন্তব্য