যুক্তরাষ্ট্র প্রশান্ত মহাসাগরের স্বল্প জনবসতিপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র পালাউয়ে অভিবাসীদের বহিষ্কার কার্যক্রম শুরু করেছে। পালাউ বুধবার এএফপিকে এ তথ্য জানিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন অবৈধ অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহিষ্কারের প্রচেষ্টা জোরদার করেছে।
এ লক্ষ্যে উগান্ডা, এল সালভাদর ও রুয়ান্ডার মতো দেশগুলোতে তাদের পুনর্বাসনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশগুলোর একটি পালাউ গত ডিসেম্বরে সম্পাদিত একটি বিতর্কিত চুক্তির আওতায় সর্বোচ্চ ৭৫ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে গ্রহণে সম্মত হয়।
পালাউয়ের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ‘গত মে মাসের শেষ দিকে আমরা প্রথম ব্যক্তিকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছি। তাকে অস্থায়ী আবাসস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মোবাইল ফোন সংযোগ ও সেখানে মানিয়ে নিতে সহায়তা করা হয়।’
তবে নতুন দেশে বসবাস ও কাজ করার কথা থাকলেও, ওই ব্যক্তি পালাউয়ে থাকার কোনো পরিকল্পনা করেননি বলে মনে হচ্ছে।
প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, ‘প্রায় দুই সপ্তাহ পর তিনি সেখানে না থাকার সিদ্ধান্ত নেন।’
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, পালাউয়ে অবস্থানকালে তারা ওই ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
জাতিসংঘের এই সংস্থার এক মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘ওই ব্যক্তি আইওএম-এর সহায়তা গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেননি।’
গত ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় পালাউ যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বোচ্চ ৭৫ জন বহিষ্কৃত ব্যক্তিকে পুনর্বাসনে সম্মত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, বহিষ্কৃত প্রত্যেক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড থাকা চলবে না এবং কাদের গ্রহণ করা হবে সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পালাউয়ের থাকবে।
এর বিনিময়ে জনসেবা ও অবকাঠামোগত প্রয়োজন মেটাতে যুক্তরাষ্ট্র পালাউকে ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার দেবে।
তবে চুক্তিটি পালাউয়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। দেশটির সিনেটের একদল আইনপ্রণেতা আদালতের মাধ্যমে বহিষ্কার কার্যক্রম ঠেকানোর চেষ্টা করলেও তা ব্যর্থ হয়।
প্রায় ২০ হাজার জনসংখ্যার পালাউ শত শত আগ্নেয় দ্বীপ ও প্রবাল অ্যাটল নিয়ে গঠিত এবং জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের অন্যতম ক্ষুদ্র রাষ্ট্র।
ফিলিপাইনের প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র।
২০২০ সালে ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট সুরাঙ্গেল হুইপস পালাউয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি সম্প্রসারণে ভূমিকা রেখেছেন।
তিনি পালাউয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি দূরপাল্লার রাডার ঘাঁটি নির্মাণের প্রস্তাবেরও সমর্থন জানিয়েছেন।
১৯৯৪ সালে স্বাধীনতা লাভের পরও ‘কমপ্যাক্ট অব ফ্রি অ্যাসোসিয়েশন’ চুক্তির আওতায় পালাউ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়ে আসছে।
এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র পালাউকে শত শত মিলিয়ন ডলার বাজেট সহায়তা প্রদান করে এবং দেশটির জাতীয় প্রতিরক্ষার দায়িত্ব পালন করে।
আলোচিত সংবাদ
- বুলিংয়ের শিকার ১০০ কিশোরীর ৩১ জনই বিষণ্নতায় ভুগছে |
- ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ |
- রাজশাহীতে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি গ্রেপ্তার |
- তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে অটোরিকশাচালক সুমন, বিস্তারিত জানাল পুলিশ |
- আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা |
- সারাদেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীর উদ্যোগ সরকারের |
- ধস্তাধস্তির পর ধানক্ষেতেই তাজমিনকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন সুমন |
- সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সমঅধিকারের পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন |
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ |
- বিক্ষোভে যাওয়ার আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আটক |
আলোচিত সংবাদ
- বুলিংয়ের শিকার ১০০ কিশোরীর ৩১ জনই বিষণ্নতায় ভুগছে |
- ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৩ |
- রাজশাহীতে ১০ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ৫০ বছর বয়সী ব্যক্তি গ্রেপ্তার |
- তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করে অটোরিকশাচালক সুমন, বিস্তারিত জানাল পুলিশ |
- আগামীকাল জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা |
- সারাদেশে ২০ হাজার কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীর উদ্যোগ সরকারের |
- ধস্তাধস্তির পর ধানক্ষেতেই তাজমিনকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন সুমন |
- সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরুর বিভাজন নয়, সমঅধিকারের পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহদী আমিন |
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ |
- বিক্ষোভে যাওয়ার আগেই ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি আটক |
0 মন্তব্য