মালয়েশিয়ায় অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক বিদেশি নাগরিকদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। এরই ধারাবাহিকতায় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে জোহর রাজ্যের পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপো থেকে ৯ দেশের ১৮২ জনকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন ৪৫ বাংলাদেশি।
মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার ৮৫ জন, বাংলাদেশের ৪৫ জন, মিয়ানমারের ২৫ জন, পাকিস্তানের ১৫ জন, ভারত ও থাইল্যান্ডের তিনজন করে, কম্বোডিয়ার তিনজন, শ্রীলঙ্কার দুজন এবং চীনের একজন নাগরিক রয়েছেন।
অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ ও টার্মিনাল-২ দিয়ে নিজ নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের অধিকাংশের কাছে বৈধ পাসপোর্ট ছিল। তবে যাদের পাসপোর্ট ছিল না, তাদের কয়েকজনকে নিজ নিজ দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে জরুরি ভ্রমণ নথি বা ‘ইমার্জেন্সি ট্রাভেল ডকুমেন্ট’ দেওয়া হয়। এসব নথির ভিত্তিতেই তাদের প্রত্যাবাসন সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিভাগটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, ফেরত পাঠানো প্রত্যেক ব্যক্তির নাম অভিবাসন বিভাগের কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নির্ধারিত নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অনুযায়ী, এ সময়ে তারা কোনো উদ্দেশ্যেই পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না।
এদিকে আটক ব্যক্তিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়া সহজ করতে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে বিশেষ সেবাকেন্দ্র চালু রাখা হয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট কেনাসহ প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে। এসব সেবার জন্য কোনো ধরনের সেবামূল্য বা অতিরিক্ত চার্জ নেওয়া হয় না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পেকান নেনাস ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোর রেকর্ড ও প্রত্যাবাসন ইউনিটের ০৭-৬৯৯৩৫৪০ নম্বরে যোগাযোগ অথবা অনলাইন অনুসন্ধান ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ
0 মন্তব্য