ছোট্ট একটা শিশু। কতই বা আর বয়স। একজন শিক্ষক তাকে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছেন, লাথি দিচ্ছেন, কখনো আবার শূূন্যে তুলে আছাড় দিচ্ছেন। আর তা দেখছে আরো ছয়-সাতটি শিশু। শিশুদের ওপর নির্যাতনের এমন একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। প্রায় ছয় মিনিটের এই ভিডিওতে কওমি মাদরাসার একজন শিক্ষককে কোমলমতি শিশুদের ওপর যে নির্মম বর্বরতা চালাতে দেখা গেছে, তা একটি সুস্থ সমাজে অকল্পনীয়। যে ব্যক্তি এমন পৈশাচিকভাবে অবুঝ শিশুদের ওপর ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন, তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনা যায়। এই লোকটি শিক্ষক নামের কলঙ্ক। তাঁকে কেবল হিংস্র হিতাহিত জ্ঞানশূন্য নরপিশাচের সঙ্গেই তুলনা করা চলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে বলছেন, ভাইরাল হওয়া শিশু নির্যাতনের ভিডিওটি পুরনো। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, পরিস্থিতি কি বদলেছে? বাংলাদেশে কওমি মাদরাসায় শিক্ষার্থীদের ওপর এমন নৃশংসতার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে এই নির্যাতনের চিত্র নতুন করে সামনে এসেছে। কিছু কওমি মাদরাসায় শাসনের নামে শিশু নিপীড়নের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। কোনো কোনো মাদরাসায় অবুঝ শিশুদের বিকৃত যৌন লালসার শিকার হওয়ার খবরও পাওয়া যাচ্ছে।
দেশের সবচেয়ে বড় কওমি শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) তথ্য অনুযায়ী, তাদের অধীনে বর্তমানে নিবন্ধিত মাদরাসার সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার ৭৩০। এসব প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীর সংখ্যা আনুমানিক ৭০ লাখ। এ ছাড়া অন্যান্য কওমি বোর্ডের অধীনেও আছে প্রায় ১০ হাজারের বেশি মাদরাসা। ফলে দেশে কওমি ধারার মোট প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা।
শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠান উভয় ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ এখন দেওবন্দি ধারার শিক্ষার সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। শুধু প্রতিষ্ঠান নয়, প্রতিবছর বাড়ছে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। বেফাকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় অংশ নেয় তিন লাখ ৫৪ হাজার ৩৬ শিক্ষার্থী। ২০২২ সালে এ সংখ্যা ছিল দুই লাখ ২৫ হাজার ৬৩১ জন। অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে পরীক্ষার্থী বেড়েছে এক লাখ ২৮ হাজার ৪০৫ জন বা প্রায় ৫৭ শতাংশ। দেশে প্রাথমিক শিক্ষার প্রায় ৩০ শতাংশ শিক্ষার্থী এখন কওমি শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। সাধারণত দারিদ্র্য এবং ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি আগ্রহের কারণে কওমি মাদরাসায় শিক্ষার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। মা-বাবাহারা এতিম শিশুদের প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র হচ্ছে কওমি মাদরাসা। তা ছাড়া গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের কওমি মাদরাসায় রাখার প্রবণতা বাড়ছে। একটি গবেষণায় দেখা যায়, কওমি মাদরাসায় ভর্তি শিশুদের ৮০ শতাংশই এতিম অথবা অতিদরিদ্র পরিবারের সন্তান। শিক্ষা, খাদ্যের আশায় এই শিশুদের মাদরাসায় পাঠান অভিভাবকরা। কিন্তু এই অসহায় শিশুদের কেউ কেউ মাদরাসায় এসে বিভীষিকাময় পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়।
গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাটে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু পরে সমঝোতার মাধ্যমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গত বছরের ৯ মার্চ গাজীপুরের শ্রীপুরে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা ও যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তারের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। কিন্তু পরে এই বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া হয়। গত বছরের ২৮ এপ্রিল ফটিকছড়ির একটি আবাসিক মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে তিন শিক্ষক গ্রেপ্তার হন, কিন্তু কদিন পর তাঁদের জামিন হয়। গত বছরের ২৮ জুলাই চট্টগ্রামে ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তারের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তবে সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত এবং মামলা মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়। গত ২৯ আগস্ট কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ১১ বছর বয়সী দুই ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়, কিন্তু দুই সপ্তাহ পর ওই ব্যক্তি সমঝোতার মাধ্যমে জেল থেকে বেরিয়ে আসেন।
চলতি ২০২৬ সালের প্রথম কয়েক মাসেও একই উদ্বেগজনক ধারা দেখা যায়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি নোয়াখালীতে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ছাড়া পান। গত ১৬ মার্চ কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১০ বছর বয়সী এক আবাসিক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এবং প্রাথমিক পরীক্ষায় যৌন নির্যাতনের আলামত পাওয়া যায়। এই ঘটনার পর পরিবারের ওপর আপসের চাপের অভিযোগ সামনে আসে। গত ৩ এপ্রিল নোয়াখালী শহরের একটি মাদরাসায় এক আবাসিক ছাত্রকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার হলেও পরে জামিনে মুক্ত হন।
মাদরাসাগুলোতে শারীরিক নিপীড়নের বেশ কিছু প্রেক্ষাপটও আছে। প্রথমত, আবাসিক বা আংশিক আবাসিক মাদরাসায় শারীরিক নিপীড়নের ঝুঁকি বেশি। শিশুরা পরিবার থেকে দূরে থাকে, সেখানে তদারকি সীমিত থাকে এবং অভিযোগ গোপন রাখাও তুলনামূলক সহজ হয়।
দ্বিতীয়ত, শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক, পরিচালক বা ধর্মীয় শিক্ষকের সামাজিক মর্যাদা অনেক সময় শিশুর বক্তব্যকে দুর্বল করে দেয়। শিশু যা বলছে, পরিবার বা সমাজ তা সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বাস করতে চায় না।তৃতীয়ত, ছেলে শিশুদের ভুক্তভোগী হিসেবে আমরা বারবার দেখতে পাচ্ছি, অথচ জন-আলোচনায় অংশটি অনেক সময় আড়ালে থাকে। চতুর্থত, কিছু ঘটনায় একাধিক ভুক্তভোগীর কথা উঠে এসেছে। অর্থাৎ এটি কেবল এককালীন বিচ্ছিন্ন ঘটনার প্রশ্ন নয়, কোথাও কোথাও ধারাবাহিক নির্যাতনের ইঙ্গিতও দেয়।
পঞ্চমত, অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক, স্থানীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক চাপ একটি বড় বাস্তবতা হয়ে দাঁড়ায়। মাদরাসায় শিশুর ওপর যৌন সহিংসতার ঘটনা সাধারণত তখনই সামনে আসে, যখন আঘাত গুরুতর হয় অথবা ঘটনা আর ধামাচাপা দেওয়া যায় না। আবার অনেক পরিবার মনে করে, অভিযোগ উঠলে সন্তানের ভবিষ্যৎ, সম্মান বা বিয়ের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে গণমাধ্যমে যে সংখ্যাটি দেখা যায়, প্রকৃত সংখ্যা তার চেয়ে বেশি।
মনে রাখতে হবে, শিশুর সুরক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের প্রধানতম কর্তব্যগুলোর একটি। উচ্চ আদালত ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি এক আদেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তিকে অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করেন। আদেশে বলা হয়, শাস্তি প্রদান শিশুর প্রতি ‘নিষ্ঠুর, অমানবিক, অপমানকর আচরণ ও মানবাধিকার পরিপন্থী।’
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ সমন্বয়ককারী আবু আহমেদ ফয়জুল কবির বলেন, হাইকোর্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন এবং এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেছেন। ফলে কওমি মাদরাসাসহ দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে নয়; বরং আদালতের নির্দেশনা প্রতিপালন করা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন সব আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক শিশুসুরক্ষা নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, শিক্ষক ও কর্মচারীদের শিশু অধিকার ও সুরক্ষা বিষয়ে নিয়মিত প্রশিক্ষণ, স্বাধীন অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত ব্যবস্থা এবং কার্যকর সরকারি তদারকি।
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. উমর ফারুক বলেন, মাদরাসার বিভিন্ন নির্যাতনের বিষয়ে গবেষণাও হয়েছে অনেক। মাদরাসার যেসব শিক্ষকের মাধ্যমে শিশুরা বলৎকারের শিকার হচ্ছে, এটা একটা বিকৃত মনমানসিকতা ও যৌনাচার। এসব থেকে উত্তরণে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা জরুরি। সবচেয়ে বেশি জরুরি শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাটি বলার স্বাধীনতা থাকা। মাদসারার ওপর সরকারের মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা, শিশুদের কথা শোনার মতো পরিবেশ রাখা জরুরি। তাহলে বিকৃত মনমানসিকতার শিক্ষকরাও ভয়ে থাকবেন।
বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা বোর্ডের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক বলেন, ‘আমাদের এখান থেকে নির্দেশনা রয়েছে, এ জাতীয় শাসন সম্পূর্ণ নিষেধ। কোথাও ব্যবস্থা নিতে হলে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেবে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে দুর্বলতা থাকলে আমরা বোর্ড থেকে ব্যবস্থা নেব। তবে সব ঘটনা এক রকম হয় না। এটা বিচার বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে প্রতিষ্ঠান যদি এ সিদ্ধান্ত নিতে অবহেলা করে, তখন বোর্ড প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পর্যালোচনা করে।’
এদিকে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদে অন্যতম স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক আইনে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে আইনগতভাবেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই সনদের ১৯তম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র, মা-বাবা বা শিশুর দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্য কোনো ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে থাকা অবস্থায় কোনো শিশুকে কোনো প্রকার আঘাত বা নির্মম আচরণের মুখোমুখি করা যাবে না। বাংলাদেশ সুস্পষ্টভাবেই এই প্রতিশ্রুতি রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।
কওমি মাদরাসা শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেই। ইসলামিক ফাউন্ডেশন এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করতে পারে। যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিশুর প্রতি অমানবিক আচরণের অভিযোগ রয়েছে, তাঁদের জন্য ন্যাশনাল ডেটাবেইস করা প্রয়োজন, যাতে স্কুল, কলেজ, মাদরাসা কোথাও তাঁদের নিয়োগ করা না হয়।
বর্তমান বিশ্বের খ্যাতিমান ধর্মতাত্ত্বিক জাস্টিস মুফতি ত্বকি উসমানী উপমহাদেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রখ্যাত আলেম, কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থার অন্যতম প্রবাদপুরুষ হজরত থানভি (রহ.) প্রণীত একটি নিয়মের কথা উল্লেখ করেছেন। তিনি নিয়ম করেছিলেন, মক্তবে কোনো শিক্ষক শিশুদের আঘাত করতে পারবেন না। কেউ আঘাত করলে তিনি তাঁকে মসজিদের বারান্দায় দাঁড় করিয়ে ওই শিশুর দ্বারা সেই শিক্ষককেই বেত মারাবেন। এর ফলে কেউ কোনো কোমলমতি শিশুকে আঘাতের সাহস করেননি।
রাসুল (সা.) ছিলেন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক। অথচ কখনোই তিনি কোনো শিশুর গায়ে হাত দেননি। আনাস (রা.) শৈশবে ১০ বছর তাঁর সাহচর্যে ছিলেন, কখনো তিনি তাঁকে ধমক পর্যন্ত দেননি। বাচ্চাদের প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) কতখানি কোমল ছিলেন, এর উদাহরণ হচ্ছে ইমাম বুখারি বর্ণিত এই হাদিস।
উম্মে খালেদ (রা.) নিজেই তাঁর শৈশবের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমার বাবা আমাকে নিয়ে রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। সেদিন আমি একটা হলুদ রঙের জামা পরেছিলাম। আমাকে দেখে তিনি হাসিমাখা মুখে বললেন, ‘সানাহ সানাহ’ (ইথোপিয়ান ভাষায় সানাহ মানে সুন্দর)। সেই শিশুমেয়েটিকে রাসুল (সা.) এতখানি কাছে টেনে নিলেন যে সে পেছন দিক থেকে রাসুলের (সা.) কাঁধে ঝাঁপ দিয়ে গলা জড়িয়ে ধরছিল। তার বাবা এটা দেখে তাকে বাধা দিতে গেলে রাসুল (সা.) তাঁর বাবাকে হাতের ইশারায় থামিয়ে দেন। রাসুল (সা.) তখন মদিনা রাষ্ট্রের অধিপতি।
তাই শিশুর প্রতি এই চলমান সহিংসতা অধর্ম ও বেআইনি। শিশুর অধিকার সুরক্ষায় রাষ্ট্রের এই নির্লিপ্ততা দুর্ভাগ্যজনক। অনতিবিলম্বে রাষ্ট্রকে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যে সমাজ ও রাষ্ট্র তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুরক্ষা প্রদানে ব্যর্থ হয়, সেই রাষ্ট্র কখনো কোনো সূচকেই সফল হতে পারে না।
0 মন্তব্য