৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের আইনি জটিলতার অবসান ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি মামলার চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। এই রায়ের ফলে আটকে থাকা বিশাল এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পথ উন্মুক্ত হলো।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রায় পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, আপিল বিভাগের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে দুপুর ২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত থেকে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আইনি জটিলতা ও আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ ছিল। আজকের রায়ের পর সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটল।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি মামলার চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। এই রায়ের ফলে আটকে থাকা বিশাল এই নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার পথ উন্মুক্ত হলো।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রায় পরবর্তী এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, আপিল বিভাগের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে দুপুর ২টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উপস্থিত থেকে গণমাধ্যমকে ব্রিফ করবেন।
উল্লেখ্য, এর আগে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চলমান প্রধান শিক্ষকের তীব্র সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আইনি জটিলতা ও আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই প্রক্রিয়াটি বন্ধ ছিল। আজকের রায়ের পর সেই অচলাবস্থার অবসান ঘটল।
0 মন্তব্য