Browsing: চাষ

এই সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও ব্যাপকভাবে জানতে ও তা গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং খাতটির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

বর্তমানে আলামিনের ছাদ বাগানে প্লাস্টিকের ড্রামে ভারতের মহারাষ্ট্রের সুপার ভাগোয়া, মৃদুলা, গুজরাটি আনার, থাইল্যান্ডের থাই আনার, অস্ট্রেলিয়ার বিগ থাই, রিমন, মেক্সিকান, মৃদুলা, পাকিস্তানি আনারসহ মোট ২৬ জাতের মোট ৬০টি বড় আনার গাছ রয়েছে। বছরে দুইবার বর্ষা ও শীত মৌসুমে পরিপক্ক আনারের ফলন পাচ্ছে আলামিন। 

 এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রথম দিকে প্রায় টানা ১ মাস বেগুনের দাম ভালো ছিল। এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। প্রতি বিঘায় বেগুন চাষে খরচ হয় কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। আমি এখন পর্যন্ত ৪৮হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করেছি। আশা করছি আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার বেগুন বিক্রি করতে পারবো ইনশাল্লাহ।

মোট উৎপাদনের ৬৭ শতাংশ এসেছে সামুদ্রিক জলসীমা থেকে। এর মধ্যে ৫১ শতাংশ উন্মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণ এবং ৪৯ শতাংশ মৎস্যচাষ থেকে এসেছে। বাকি ৩৩ শতাংশ উৎপাদন হয়েছে অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে, যার ৮৪ শতাংশই পাওয়া যায় মৎস্যচাষ থেকে।

চলতি মৌসুমে তিনি ৪৫ শতক জমিতে দেশি জাতের পটল চাষ করেছেন। জমি প্রস্তুত, বীজ, সার, সেচ ও পরিচর্যাসহ পুরো চাষাবাদে তার প্রায় ৫২ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। নিয়মিত পরিচর্যা ও শ্রম দেওয়ার কারণে ভালো ফলন হয়েছে।

জলবায়ু বাজেট প্রতিবেদন ২০২৬-২৭ অনুযায়ী, ‘জলবায়ু স্মার্ট কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’-এর অধীনে বাস্তবায়িত এই উদ্যোগের মাধ্যমে পতিত লবণাক্ত জমি উৎপাদনশীল ফসলি জমিতে রূপান্তরি হয়েছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজনের একটি বাস্তবমুখী দৃষ্টান্ত।