রাষ্ট্রায়ত্ত মিল্ক ভিটার পর এবার প্যাকেটজাত তরল দুধের দাম বাড়িয়েছে দেশের বড় বেসরকারি দুগ্ধ কোম্পানিগুলো। বিভিন্ন কোম্পানি প্রতি লিটার দুধের দাম ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা করেছে। আধা লিটারের প্যাকেটের দামও বেড়ে হয়েছে প্রায় ৬০ টাকা।
বাণিজ্যসংশ্লিষ্টদের তথ্যানুযায়ী, আগে এসব কোম্পানির ১ লিটার দুধের দাম ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকা। ফলে নতুন দামে ভোক্তাকে প্রতি লিটারে সর্বোচ্চ ১০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। এর আগে ১ আগস্ট মিল্ক ভিটা ১ লিটার পাস্তুরিত দুধের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করে। ৫০০ মিলিলিটারের প্যাকেট ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং ২৫০ মিলিলিটারের প্যাকেট ২৮ থেকে ৩৩ টাকা করা হয়।
মিল্ক ভিটার কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের কাছ থেকে দুধ সংগ্রহের দাম প্রতি লিটার ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৩ টাকা করা হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দাম সমন্বয় করা হয়েছে। তবে ভোক্তা অধিকারকর্মীরা বলছেন, নিত্যপণ্যের উচ্চ দামের মধ্যে দুধের এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করবে।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সচিব হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া বলেন, মিল্ক ভিটার দাম বাড়ানোর পর বেসরকারি কোম্পানিগুলোও প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে। শিশুদের গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস দুধের দাম বাড়ানোর বিষয়টি সরকারের নজরদারিতে রাখা উচিত।
মিল্ক ভিটা প্রতিদিন ১ লাখ থেকে ১ লাখ ২৫ হাজার লিটার এবং বেসরকারি কোম্পানিগুলো প্রায় ৭ লাখ লিটার দুধ সরবরাহ করে। শহরাঞ্চলের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ প্যাকেটজাত পাস্তুরিত দুধের ওপর নির্ভরশীল। এ বিষয়ে আড়ং, আকিজ ও প্রাণের কোনো মন্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
0 মন্তব্য