শের অন্তত ১৫ জেলার নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে কিংবা কাছাকাছি প্রবাতি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। ফলে এসব এলাকার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাসে বলা হয়, কুশিয়ারা নদী ফেঞ্চুগঞ্জ (সিলেট) ও মারকুলি (সুনামগঞ্জ) স্টেশনে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে; যা আগামী ১ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন হ্রাস পেতে পারে।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার সুরমা-কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তীতে উন্নতি লাভ করতে পারে। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজশাহী বিভাগের আত্রাই ও ছোট যমুনা নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে, যা আগামী ১ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন হ্রাস পেতে পারে।
আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় আত্রাই নদী কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নওগাঁ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, যা পরবর্তীতে উন্নতি লাভ করতে পারে। এছাড়াও আগামী ২৪ ঘণ্টায় ছোট যমুনা নদী নওগাঁ এবং আত্রাই নদী নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলার কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মুহুরী, ফেনী ও হালদা নদীসমূহের পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে; অপরদিকে সেলোনিয়া, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। উক্ত নদীসমূহের পানি সমতল আগামী ১ দিন দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
২৪ ঘণ্টায় বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার সাঙ্গু, মাতামুহুরী ইত্যাদি নদী কিছু স্থানে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগের ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহের পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে; অপরদিকে তিস্তা নদীর পানি সমতল স্থিতিশীল আছে; যা আগামী ১ দিন বৃদ্ধি পেয়ে পরবর্তী ২ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
0 মন্তব্য