ব্রাজিলের বিপক্ষে হালান্ডেই ভরসা নরওয়ের।বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আর্লিং হালান্ডকে সামনে রেখেই শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের মুখোমুখি হচ্ছে নরওয়ে। রোববারের ম্যাচে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা।
আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের জয়সূচক গোল করে নরওয়েকে ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ নকআউট জয়ের স্বাদ এনে দেন হালান্ড। টুর্নামেন্টে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে স্মরণীয় অভিযান চালিয়ে যাওয়া নরওয়ে এবার ১৯৯৮ সালের মতো ব্রাজিলকে হারানোর আশায় বুক বাঁধছে।
যদিও হালান্ড নিজেই ব্রাজিলকে হারানোর সম্ভাবনাকে "খুবই কম" বলে মন্তব্য করেছেন, তবু পরিসংখ্যান নরওয়ের পক্ষেই। চার দেখায় ব্রাজিলের কাছে কখনো হারেনি তারা; দুটি জয় ও দুটি ম্যাচ ড্র করেছে।
নরওয়ের কোচ স্তালে সোলবাক্কেন বলেন, "ব্রাজিল অবশ্যই ফেবারিট। কিন্তু আমরা শুধু খেলতে নামছি না, জিততে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতেই মাঠে নামব। কাজটি কঠিন, তবে অসম্ভব নয়।"
তিনি হালান্ডকে "বিশ্বের সেরা গোলস্কোরার" বলে উল্লেখ করেন। ম্যানচেস্টার সিটির এই স্ট্রাইকার টানা ১৩টি প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল করে এ সময়ে মোট ২৫ বার জালের দেখা পেয়েছেন।
অধিনায়ক মার্টিন ওদেগার্দ বলেন, "হালান্ডকে দলে পাওয়া আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। তাকে যত বেশি সুযোগ তৈরি করে দিতে পারব, ততই আমাদের সম্ভাবনা বাড়বে।"
অন্যদিকে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ভরসা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এবারের বিশ্বকাপে চার গোল করা এই ফরোয়ার্ড ২০০২ সালের পর প্রথম ব্রাজিলিয়ান হিসেবে গ্রুপ পর্বের তিন ম্যাচেই গোল করেছেন।
ভিনিসিয়ুসকে থামানো যে সহজ হবে না, সেটিও স্বীকার করেছেন সোলবাক্কেন। তিনি বলেন, "তাকে থামানোর চেষ্টা সবাই করে। আমরাও করব।"
ব্রাজিলের গোলের আরেক অস্ত্র গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। শেষ বত্রিশে জাপানের বিপক্ষে ইনজুরি সময়ে তার জয়সূচক গোলে জয় পায় সেলেসাওরা। নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির নেতৃত্বে সেই জয়ই ব্রাজিলকে শেষ ষোলোতে নিয়ে এসেছে। এবার লক্ষ্য নরওয়েকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করা।
0 মন্তব্য