আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি সাত গোল করে গোলদাতার তালিকার শীর্ষে থাকলেও, কিলিয়ান এমবাপ্পে, হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ড এখনও সেই লড়াইয়ে রয়েছেন।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে টানা তিন দিন যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি লিওনেল মেসি। দুজনেরই গোল ছিল ছয়টি করে।
তবে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই আবার একক শীর্ষস্থান দখল করেন মেসি। কেপ ভার্দের দুর্দান্ত গোলরক্ষক ভোজিনহাকে পরাস্ত করে ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে নিজের সপ্তম গোলটি করেন তিনি।
রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচগুলো যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াই।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেছেন। সমান পাঁচ গোল রয়েছে নরওয়ের আর্লিং হালান্ডেরও।
এদিকে ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল।
গোল্ডেন বুট কী?
ফিফা বিশ্বকাপ শেষে যে খেলোয়াড় সর্বোচ্চ গোল করবেন, তাকেই দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট পুরস্কার।
বর্তমান গোল্ডেন বুটধারী কিলিয়ান এমবাপ্পে। তিনি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আট গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
সমান গোল হলে কীভাবে নির্ধারণ করা হয় বিজয়ী? দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করলে—
প্রথমে দেখা হবে কার অ্যাসিস্ট বেশি।অ্যাসিস্টও সমান হলে, যে খেলোয়াড় কম সময় মাঠে থেকে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে যারা এবার দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন—হ্যারি কেইন ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে এবং হামেস রদ্রিগেস ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় একাধিকবার গোল্ডেন বুট জিততে পারেননি।
রোনালদোর সম্ভাবনা
পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো চার ম্যাচে তিন গোল করে ধীরে ধীরে তালিকায় ওপরে উঠছেন। তবে গোল্ডেন বুট জিততে হলে তাকে দ্রুত আরও গোল করতে হবে।
পর্তুগাল যদি টুর্নামেন্টে আরও দূর এগোতে চায়, তাহলে দলের অধিনায়ক রোনালদোর কাছ থেকে আরও গোলের প্রত্যাশা থাকবে।
এক আসরে সর্বাধিক গোলের রেকর্ড
একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেঁনের দখলে। তিনি ১৯৫৮ সালে সুইডেন বিশ্বকাপে ১৩ গোল করেছিলেন।
এরপর রয়েছেন—
সান্দর কোকশিস (হাঙ্গেরি) – ১১ গোল (১৯৫৪)
গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১০ গোল (১৯৭০)
তবে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে মাঠে নেমেই আবার একক শীর্ষস্থান দখল করেন মেসি। কেপ ভার্দের দুর্দান্ত গোলরক্ষক ভোজিনহাকে পরাস্ত করে ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে নিজের সপ্তম গোলটি করেন তিনি।
রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচগুলো যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার লড়াই।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে জোড়া গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেছেন। সমান পাঁচ গোল রয়েছে নরওয়ের আর্লিং হালান্ডেরও।
এদিকে ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, স্পেনের মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল।
গোল্ডেন বুট কী?
ফিফা বিশ্বকাপ শেষে যে খেলোয়াড় সর্বোচ্চ গোল করবেন, তাকেই দেওয়া হয় গোল্ডেন বুট পুরস্কার।
বর্তমান গোল্ডেন বুটধারী কিলিয়ান এমবাপ্পে। তিনি ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে আট গোল করে এই পুরস্কার জিতেছিলেন।
সমান গোল হলে কীভাবে নির্ধারণ করা হয় বিজয়ী? দুই বা ততোধিক খেলোয়াড় সমান সংখ্যক গোল করলে—
প্রথমে দেখা হবে কার অ্যাসিস্ট বেশি।অ্যাসিস্টও সমান হলে, যে খেলোয়াড় কম সময় মাঠে থেকে গোল ও অ্যাসিস্ট করেছেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইয়ে যারা এবার দ্বিতীয়বারের মতো গোল্ডেন বুট জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন—হ্যারি কেইন ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে এবং হামেস রদ্রিগেস ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বিশ্বকাপ ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো খেলোয়াড় একাধিকবার গোল্ডেন বুট জিততে পারেননি।
রোনালদোর সম্ভাবনা
পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো চার ম্যাচে তিন গোল করে ধীরে ধীরে তালিকায় ওপরে উঠছেন। তবে গোল্ডেন বুট জিততে হলে তাকে দ্রুত আরও গোল করতে হবে।
পর্তুগাল যদি টুর্নামেন্টে আরও দূর এগোতে চায়, তাহলে দলের অধিনায়ক রোনালদোর কাছ থেকে আরও গোলের প্রত্যাশা থাকবে।
এক আসরে সর্বাধিক গোলের রেকর্ড
একটি বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল করার রেকর্ড এখনো ফ্রান্সের জুস্ত ফঁতেঁনের দখলে। তিনি ১৯৫৮ সালে সুইডেন বিশ্বকাপে ১৩ গোল করেছিলেন।
এরপর রয়েছেন—
সান্দর কোকশিস (হাঙ্গেরি) – ১১ গোল (১৯৫৪)
গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১০ গোল (১৯৭০)
বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ২০ গোল
কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) – ১৮ গোল
মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) – ১৬ গোল
রোনালদো (ব্রাজিল) – ১৫ গোল
গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১৪ গোল
লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা) – ২০ গোল
কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স) – ১৮ গোল
মিরোস্লাভ ক্লোসে (জার্মানি) – ১৬ গোল
রোনালদো (ব্রাজিল) – ১৫ গোল
গার্ড মুলার (পশ্চিম জার্মানি) – ১৪ গোল
0 মন্তব্য