২০০৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১২ বছরে সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ এলাকায় ১০৮টি শুশুক ও ডলফিন মারা গেছে। ২০২০ ও ২০২১ সালে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ছয়টি বিশালাকার তিমি ও ৬০টি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন। আর ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মৃত উদ্ধার করা হয়েছে ৭৬টি সামুদ্রিক প্রাণী।
পর্যটনের সৌন্দর্য চট্টগ্রামকে করেছে অনন্য। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে দাঁড়িয়ে একদিকে সমুদ্রের বিস্তৃত জলরাশি, অন্যদিকে বন্দরনগরীর কর্মচাঞ্চল্য। সূর্যাস্তের সময় আকাশের রং বদলে যায়, সমুদ্রের ঢেউয়ে পড়ে তার প্রতিফলন। কাছেই কর্ণফুলীর মোহনা। জাহাজের চলাচল, নদী ও সাগরের মিলন এবং উন্মুক্ত আকাশ সবমিলিয়ে পতেঙ্গা শুধু সৈকত নয়, নগরীর সঙ্গে প্রকৃতির সরাসরি সংযোগ। পতেঙ্গার বাইরেও চট্টগ্রামের উপকূলজুড়ে রয়েছে আরো অনেক সম্ভাবনাময় সৈকত। আনোয়ারার পারকি, সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ও গুলিয়াখালী, বাঁশখালী সৈকত, খেজুরতলা প্রতিটিরই রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। পর্যটকরা যেদিকেই পা বাড়ান, বদলে যায় দৃশ্যপট, দেখা মেলে নতুন কিছুর। পাহাড়, বন, ঝরনা আর সমুদ্র সবকিছু যেন পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়ের বুকের ভেতরে লুকিয়ে থাকা হাজারো ঝরনা অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয়দের জন্য একেকটি আলাদা অধ্যায়।

