মাগুরা-ফরিদপুর সড়কের নোয়াপাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী পরিবহন ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত তিনজনের মাগুরার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।
মাগুরা সদর উপজেলার মালি গ্রামে বাসার মোল্লার ছেলে কলেজ ছাত্র রাব্বি মোল্লার বাড়িতে বাড়িতে কান্নার রোল। দরিদ্র ভ্যানচালক বাবা বাসারত মোল্লার ছয় মেয়ের পর একমাত্র ছেলে এই রাব্বি। তাকে হারিয়ে গোটা পরিবার শোকে স্তব্ধ। অপর নিহত বারাসিয়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে নূর মোহাম্মদ আরিফ, শ্রীপুরের মদনপুরের আবু জাফরের মেয়ে তামান্না তাবাসসুম ঐশীর বাড়িতে একই অবস্থা।
রাত ৯টার দিকে তিনজনের মরদেহ তাদের নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছে। এসময় সেখানে তৈরি হয় হৃদয় বিদারক দৃশ্যের। রাব্বির বাবা বাসারত মোল্লা জানান, রাব্বি সকাল ৭টার দিকে ফরিদপুরে সেভ দ্য চিলড্রেন নামের একটি সংস্থার প্রশিক্ষণে অংশ নিতে ফরিদপুরে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে এ দুর্ঘটনার শিকার হয় তারা। হতাহতরা প্রত্যেকে ওই সংস্থার স্বেচ্ছাসেবক।
ফরিদপুর হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাজ্জাদ হোসেন জানান, ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা মাগুরামুখি একটি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা কিংফিশার নামে একটি যাত্রীবাহী পরিবহনের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এসময় ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হয়। আহত হয় অপর তিনজন। পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে নিহত তিনজনের মরদেহ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
0 মন্তব্য