সর্বশেষ

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে বিশিষ্টজনদের প্রতিক্রিয়া

চট্টলবীরখ্যাত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে স্মরণকালের বৃহত্তর জানাজা হয়েছে চট্টগ্রামে।  প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে শুক্রবার আসর নামাজের পর কয়েক লাখ মানুষের ঢল নামে লালদীঘির ময়দানে। এ সময় লালদীঘি ময়দানের চারপাশে চার-পাঁচ কিলোমিটার এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে।   চট্টগ্রামে.....

বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় মহিউদ্দিন চৌধুরী

ডেস্ক রিপোর্ট:: বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র.....

দেশের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর নৈরাজ্যময়: খালেদা জিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট:: দেশের বর্তমান পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর নৈরাজ্যময় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি  চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন,.....

মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন চট্টগ্রামবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট:: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন তার.....

মৃত্যুর গুজব, পাগলের বেশে কারাগার থেকে পালিয়ে মু্ক্তিযুদ্ধে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:: মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরোচিত অবদানের জন্য চট্টলবীর নামে খ্যাত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সিটি মেয়র.....

রোহিঙ্গাদের নিয়ে সোচ্চার ছিলেন মহিউদ্দিন

ডেস্ক রিপোর্ট:: রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী কর্তৃক নির্যাতনের ঘটনায় সোচ্চার ছিলেন সদ্যপ্রয়াত চট্টগ্রাম মহানগর.....

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

এমটিভি নিউজ ডেস্ক:; চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন.....

বিজয় দিবসে ডিএমপির বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা

এমটিভি নিউজ ডেস্ক :: ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের.....

বাংলাদেশে নিখোঁজ ব্যক্তিরা ফেরার পর চুপ থাকেন কেন?

ডেস্ক রিপোর্ট:: বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, সাংবাদিক, শিক্ষক, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ নিখোঁজ হচ্ছেন যারা.....

চলতি বছর দেশে ধান উৎপাদন পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন হবে

ডেস্ক রিপোর্ট:: চলতি বছর দেশে তিন দফা বন্যার কারণে ধানের উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি.....

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যু অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে:: শেখ হাসিনা

ডেস্ক রিপোর্ট:: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দীন চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন.....

  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত

অবশেষে রানার বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বাধা দিলে পাল্টা জবাব- খালেদা

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

'নক্ষত্র'-এ ই-শপিং

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

জাতীয়

মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে...

স্টাফ | আপডেট: ০৯:২৮, ডিসেম্বর ১৫ , ২০১৭




চট্টলবীরখ্যাত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে স্মরণকালের বৃহত্তর জানাজা হয়েছে চট্টগ্রামে।  প্রিয় নেতাকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে শুক্রবার আসর নামাজের পর কয়েক লাখ মানুষের ঢল নামে লালদীঘির ময়দানে। এ সময় লালদীঘি ময়দানের চারপাশে চার-পাঁচ কিলোমিটার এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে পড়ে।  

চট্টগ্রামে আর কোনো জানাজায় এত মানুষের ঢল নামেনি। মহিউদ্দিন চৌধুরীর এ জানাজা স্মরণকালের বৃহত্তর জানাজা বলে স্থানীয়রা জানান।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, তার মৃত্যুতে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকাতেও অনেক মানুষ কাঁদছেন। আমাদের কাজ  করতে হবে মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্বপ্নকে পূরণ করা। চট্টগ্রাম যেদিন জলাবদ্ধতামুক্ত গ্রিন ও ক্লিন হিসেবে পরিণত হবে, সেদিনই মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্বপ্নপূরণ হবে।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, রাজনীতি ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য চট্টগ্রামবাসী তাকে চট্টলবীর হিসেবে জানে। এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশ ও জাতি আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ নেতাকে হারাল।  

তিনি বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর খুব কাছের আর আদরের ছাত্রনেতা ছিলেন। তিনিই একমাত্র নেতা ছিলেন, যিনি চট্টগ্রামের স্বার্থে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন। দলমত নির্বিশেষে চট্টগ্রামবাসীর কাছে তিনি জনপ্রিয় একজন নেতা ছিলেন।  এ কারণে মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের  পর পর তিনবার মেয়র হন।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জি. মোশাররফ হোসেন বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী আমার অত্যন্ত ঘনিষ্টজন ছিলেন।  রাজনৈতিক মতাদর্শে আমরা ছিলাম একে অপরের পরিপূরক।  দেশের যে কোনো সংকটময় মুহূর্তে মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন সাধারণ মানুষের কাতারে।  

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী ছিলেন আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক, অবহেলিত চট্টগ্রামের কাণ্ডারি।  তার হাত ধরেই চট্টগ্রামের মানুষের প্রত্যাশা অনেকাংশে পূরণ হয়েছে।  তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামবাসী একজন সফল সেবক ও অভিভাবক থেকে বঞ্চিত হল।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এম মোরশেদ খান বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে শুধু চট্টগ্রামের নয়; পুরো দেশের ক্ষতি হয়েছে।  তিনি শুধু আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন না, চট্টগ্রামবাসীর নেতা ছিলেন।  যে কোনো পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের বন্ধু ছিলেন।  তিনি একজন মহিউদ্দিন চৌধুরী নন, একটি প্রতিষ্ঠান।  তিনি নতুন প্রজন্মের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।  

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।  চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রশ্নে তিনি রাজনীতির ঊর্ধ্বে অবস্থান গ্রহণ করতেন।  চট্টগ্রামের মানুষের স্বার্থরক্ষার আন্দোলনে তিনি সব সময় সোচ্চার ভূমিকা পালন করতেন।  চট্টগ্রামবাসীর প্রতি তার দরদ মানুষ আজীবন শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।  

আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী চট্টগ্রামের রাজনৈতিক গুরু। তার রাজনৈতিক কৌশল সারা দেশের জন্য অনুকরণীয়।

আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে দল, রাজনীতি ও দেশের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।  তার সততা নেতৃত্বের গুণাবলি, দেশপ্রেম, দলের প্রতি আনুগত্যতা সব রাজনীতিকের জন্যও অনুসরণীয়।

নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন বড়মাপের রাজনৈতিক নেতাকে হারিয়েছি আমরা। এমন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার শূন্যতা রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।  তিনি আপাদমস্তক চট্টলদরদী নেতা ছিলেন।  

সংসদ সদস্য এমএ লতিফ বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী একজন অকৃত্রিম দেশপ্রেমিক ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের একনিষ্ঠ সৈনিক হিসেবে স্বাধীনতা অর্জনকারী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত প্রাণ ছিলেন।  চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের অভিভাবক হিসেবে তিনি দলকে সুসংগঠিত করতে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছেন।

অর্থনীতি

ঋণ আত্মসাতের হাতিয়ারের নাম ‘অবলোপন’




ডেস্ক রিপোর্ট:: দুর্নীতি ও ঋণ অনিয়মের কারণে ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। শুধু গত তিন মাসেই বেড়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা।
 
ইতিমধ্যে এ ধরনের মন্দ খেলাপি ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা আদায়ের কোনো সম্ভাবনা নেই।
 
এদিকে এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬৬ হাজার কোটি টাকা দৃশ্যমান থাকলেও অবলোপনের মাধ্যমে ৪৫ হাজার কোটি টাকা চলে গেছে গোপন খাতায়, যা কেউ দেখবে না।
 
প্রসঙ্গত, অবলোপন হল সেসব মন্দ খেলাপি ঋণ যা পাঁচ বছরেও আদায় করা সম্ভব হয়নি। এ ঋণ ব্যাংকের মূল হিসাব থেকে বাদ দিয়ে আলাদা খাতায় লেখা হয়। তবে তার আগে অবলোপনযোগ্য খেলাপির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে শতভাগ নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। এ ছাড়া মামলা করতে হয় অর্থঋণ আদালতে।
 
সূত্র বলছে, আসলে এগুলো সবই এক ধরনের আইওয়াশ। মূলত এসব ঋণের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ঋণদাতা ও গ্রহীতা একই চক্র। ভুয়া প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে কৌশলে দু’পক্ষ মিলে ঋণের টকা আত্মসাৎ করে।
 
এমনও অভিযোগ আছে, পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালী ব্যক্তি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই ঋণের পুরো টাকা তুলে নিয়ে কিছুদিন পর তা খেলাপি দেখায়। এরপর যথানিয়মে তা অবলোপন করা হয়। আর অবলোপনের সময় নিরাপত্তা সঞ্চিতির নামে যে অর্থ ব্যাংকে রাখা হয় তার মধ্যেও শুভঙ্করের ফাঁকি আছে।
 
মোদ্দাকথা, খেলাপি ঋণের জন্য ব্যাংক মালিক, পরিচালনা পর্ষদ কিংবা দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কারও কিছুই হয় না। মাঝখানে সরকারি ব্যাংক হলে রাষ্ট্রের তহবিল থেকে জনগণের ট্যাক্সের অর্থ ভর্তুকি দিয়ে ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি মেটানো হয়। আর ব্যক্তি খাতের ব্যাংক হলে নানা কৌশলে অবলোপনকৃত অর্থের বোঝা চাপানো হয় ভালো ঋণগ্রহীতাদের ওপর।
 
ব্যাংকের পরিচালনা ব্যয় বেশি দেখিয়ে চড়া সুদ আরোপ করে এসব ঘাটতি সেখান থেকে মেটানো হয়। এর ফলে বাড়তি সুদের চাপে শিল্পপ্রতিষ্ঠান এগোতে পারে না।
 
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মূলত ঋণ অবলোপন করে ব্যাংকের স্বাস্থ্য সাময়িক ভালো দেখানো হয়। এ ছাড়া পুনঃতফসিলের আশ্রয় নিয়ে অনেকে খেলাপিমুক্ত থাকার চেষ্টা করেন। এ চেষ্টায় আবার নতুন করে যোগ হয়েছে ঋণ পুনর্গঠন। এসব প্রক্রিয়া বৈধ হলেও এর অপব্যবহার হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। গুটিকয়েক খারাপ ব্যবসায়ীর কারণে এমনটি হচ্ছে বলে মনে করেন তারা।
 
ভালো ঋণগ্রহীতাদের অনেকে যুগান্তরকে জানিয়েছেন, যারা দফায় দফায় ঋণখেলাপি এবং আর্থিক সেক্টরে যাদের ইমেজ সংকট রয়েছে তাদের জন্য ঋণ পুনর্গঠনের সুবিধা দেয়া সমীচীন হবে না। আসলে এটিও তাদের এক ধরনের ফাঁদ। সাধারণ ঋণখেলাপিদের চেয়ে এরা খুবই বিপজ্জনক।
 
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, যাচাই-বাছাই ছাড়া যোগসাজশ করে যেসব ঋণ দেয়া হয় সেগুলো আদায় অযোগ্য খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া বিপুল পরিমাণ মন্দ খেলাপি ঋণ অর্থঋণ আদালতে আটকে আছে। কারণ বারবার কোর্টের স্থগিতাদেশ নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ী এসব টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। সে কারণে উচ্চপর্যায়ের একটি শক্তিশালী আদালত গঠন করে এ মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা দরকার।
 
একজন সিনিয়র ব্যাংক বিশ্লেষক যুগান্তরকে বলেন, ঋণ দুর্নীতি এখন বড় অঙ্কের অর্থ লুটপাটের সবচেয়ে সহজ পন্থা। কারণ বিচার কিংবা শাস্তি হয় না। আবার জবাবদিহিতাও নেই। বড়জোর মামলায় গেলে প্রভাবশালীরা খুব সহজেই তা বশীভূত করে ফেলে। স্থগিতাদেশ নিয়ে উল্টো বহাল তবিয়তে থাকে। আর ভুয়া প্রতিষ্ঠানের ঋণ পকেটস্থ করতে পারলে তো কেল্লাফতে। ধরপাকড়ের কোনো ঝামেলা নেই। অবলোপন সুবিধা তো আছেই।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ব্যাংকিং খাতের সবচেয়ে বড় সমস্যা আদায় অনিশ্চিত খেলাপি ঋণ। এ ধরনের খেলাপির বিপরীতে শতভাগ নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখতে হয়। এর ফলে ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়ে। এটা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে ব্যাংকিং খাত মুখ থুবড়ে পড়বে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে মোট খেলাপি ঋণ ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা, যা মোট ঋণ বিতরণের ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণ ৬৫ হাজার ৮৬১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণ বিতরণের ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ।
 
সাবেক জ্যেষ্ঠ ব্যাংকার সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে খেলাপিরা বেরিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গুরুত্বসহকারে নজরে নেয়া দরকার। তবে সবকিছুর আগে সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে। যাচাই-বাছাই করে ঋণ দিতে হবে। কাকে ঋণ দিচ্ছি তাকে আগে চিনতে হবে।
 
অস্বাভাবিক গতিতে আদায় অনিশ্চিত মন্দ খেলাপি ঋণ প্রসঙ্গে ব্যাংকের এমডিদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি আনিস এ খান যুগান্তরকে বলেন, কিছু ব্যবসায়ী কোর্টের স্থগিতাদেশ নিয়ে বসে থাকেন। এটা খুবই নিন্দনীয়। তারা এগিয়ে না এলে এ সমস্যা সমাধান করা কঠিন হয়ে যাবে।
 
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে আরও দেখা যায়, সেপ্টেম্বর শেষে সরকারি ৬ ব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণ ৩১ হাজার ৭৯২ কোটি টাকা, যা মোট ঋণ বিতরণের ২৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। একইভাবে সরকারি বিশেষায়িত ২ ব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণ ৪ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা, যা ১৮ দশমিক ৭৩ শতাংশ। বেসরকারি খাতের ৩৯টি ব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণ ২৭ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা, যা ৪ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এ ছাড়া বিদেশি ৯ ব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ খেলাপি ঋণ ২ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা, যা ৭ দশমিক ৪০ শতাংশ।
 
পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুল হালিম চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, আদায় অনিশ্চিত ঝুঁকিপূর্ণ এসব খেলাপি ঋণ অনেক পুরনো। ২০১০ ও ’১১ সালে দেয়া বেশিরভাগ ঋণই মন্দ ঋণে পরিণত হয়েছে। এ ছাড়া রিসিডিউল এবং রিস্ট্রাকচার করা বেশিরভাগ ঋণ সাময়িক খেলাপিমুক্ত দেখানো হলেও এখন সেগুলো আবার খেলাপি হচ্ছে। সে কারণে মন্দ খেলাপি ঋণ অনেক বেড়ে গেছে।
 
নতুন ঋণের মান নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি দাবি করেন, বর্তমানে যেসব ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে তার বেশিরভাগই ভালো। এসব ঋণ আগামী কয়েক বছরেও খারাপ হবে না

রাজনীতি

ছিনতাই মামলায় ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করায়...

| আপডেট: ১০:৪৮, জুন ১২ , ২০১৭



গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে বিকাশের টাকা ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতিকে আটক করায় টঙ্গী শিল্পাঞ্চল পুলিশের ১৫ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

টঙ্গী কলেজ গেটে রোববার অস্ত্রের মুখে আনসার ও শিল্প পুলিশের সদস্যদের চ্যালেঞ্জ করে ওই ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মঞ্জুর ও আমিনুল ইসলাম ইয়াসিন নামের অপর ছাত্রকে আটক করে শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

পরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা টঙ্গী কলেজ গেটে শিল্প পুলিশের ব্যারাক ঘেরাও দিয়ে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ  করে। ফলে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মঞ্জুরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

টঙ্গী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, বিকাশের টাকা বহনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসারদের পক্ষ থেকে আটক আমিনুল ইসলাম ইয়াসিনকে একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দেয়া হয়েছে।পালিয়ে যাওয়া ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টঙ্গী শিল্পাঞ্চল পুলিশের ইনচার্জ আবু রায়হান সোহেল তার ক্যাম্পের ১৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে রোববার রাতেই টঙ্গী শিল্প পুলিশের ১৫ সদস্যকে আপাতত প্রত্যাহার করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ছিনতাই ঘটনায় শিল্প পুলিশ ও ছাত্রলীগের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর দোষ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সারাদেশ

চট্টল বীর এবি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর...



চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::  চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে তাকে জানানো হয় গার্ড অব অনার।
 
শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে লাখো মানুষের অংশগ্রহণে মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা সম্পন্ন হয়।
 
এর আগে মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বন্দরনগরীর রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক নেতাসহ সর্বস্তরের মানুষ।
 
বিকাল ৩টায় নগরীর কোতোয়ালির দারুল ফজল মার্কেটে মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে প্রথম দফায়  দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সিক্ত হন চট্টলবীরখ্যাত এ নেতা।
 
সেখানে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
 
কিন্তু দলীয় কার্যালয়ের সামনে অতিরিক্ত ভিড় বেড়ে যাওয়ায় মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দানে। সেখানে দ্বিতীয় দফায় শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সর্বস্তরের মানুষ।
 
মহিউদ্দিন চৌধুরীর জানাজা শেষে মরদেহ নেয়া হয় চশমাহিলের বাড়িতে। এর পর পারিবারিক কবরস্থানে বাবা হোসেন আহমেদ চৌধুরীর কবরের পাশে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ দাফন করা হবে।
 
শুক্রবার ভোরে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন।
 
শুক্রবার সকালে হাসপাতাল থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ চশমাহিলের বাড়িতে নেয়া হয়।
 
সেখানে প্রিয় নেতাকে দেখতে ভিড় জমান চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। এ সময় অনেককেই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। জুমার নামাজের পর জনতার ভিড় আশপাশের সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।
 
মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবার দেখতে তার বাসায় আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছিরউদ্দিন, সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রামের সাংসদ আফসারুল আমীন, সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ ছালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিশিষ্টজন।
 
উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর রাতে বুকে ব্যথা অনুভব করায় মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মেহেদিবাগ ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আইসিইউতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে একরাত রাখার পর ১২ নভেম্বর দুপুরে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
 
১৬ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সিঙ্গাপুরের অ্যাপোলো গি্লনিগ্যালস হসপিটালে মহিউদ্দিন চৌধুরীর এনজিওগ্রাম ও হার্টের দুটি ব্লকে রিং বসানো হয়।
 
১১ দিন চিকিৎসা শেষে ২৬ নভেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সিঙ্গাপুর ও ঢাকায় এক মাস চিকিৎসা শেষে ১২ ডিসেম্বর তিনি চট্টগ্রাম ফিরে আসেন।
 
এর তিন দিনের মাথায় শুক্রবার ভোররাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী মুক্তিযোদ্ধা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

খেলাধুলা

শক্তি নয়, টেকনিকের খেলা ক্রিকেট

স্টাফ | আপডেট: ০৭:৪৪, ডিসেম্বর ১৫ , ২০১৭



ডেস্ক রিপোর্ট:: শক্তি নয়, টেকনিকের খেলা ক্রিকেট। এমনটিই বলছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরিতে হ্যাটট্রিক করা ভারতীয় ক্রিকেটার রোহিত শর্মা।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মোহালিতে সর্বশেষ ম্যাচে ২০৮ রানের ইনিংস খেলেন ভারতীয় বর্তমান দলের এই অধিনায়ক। এর আগেও দুইদফা ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন ডানহাতি এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।
 
শুধু ডাবল সেঞ্চুরিই নয়! এই ফর্মেটের সর্বোচ্চ (২৬৪) রানের ইনিংসের মালিকও তিনি। তাকে নিয়ে ভারতের মিডিয়াই নয়, ক্রিকেট বিশ্বেও এখন বেশ আলোচনা হচ্ছে। আগে যেখানে ওয়ানডে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি সোনার হরিণ ছিল, সেখানে তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক বনে গেলেন রোহিত। এই কঠিন কাজটাকে সহজই করে দিয়েছেন ৩০ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
 
৫০ ওভারের খেলায় কী করে ডাবল সেঞ্চুরি পাওয়া যায়, এমন প্রশ্নের জবাবে নাগপুরে জন্ম নেয়া এই ক্রিকেটার জানান,  ‘আমারতো আর ক্রিস গেইল, এবিডি ভিলিয়ার্স এবং এম এস ধোনির মতো শক্তি নেই। আমাকে সফল হতে হলে, নিজের বুদ্ধি দিয়েই সফল হতে হবে। সেভাবেই ব্যাটিং করতে হবে। ঠিক সময়ে ব্যাটে-বলে করতে হয়। ফিল্ডিং পজিশনের গ্যাপটাও দেখে নিতে হয়।’
 
বড় ইনিংস খেলার পেছনে রোহিত আরো যে টেকনিক ব্যবহার করেছেন তা নিয়ে বলেন, ‘পরিবেশ অনুযায়ী খেলে থাকি, আপনারা আমার তিনটি ডাবল সেঞ্চুরি দেখলে বুঝতে পারবেন, আমি শুরুতে স্লো খেলি, তারপর থেকে ক্রমশ গতি বাড়াতে থাকি। আমি সেদিন ঠিক করেছিলাম, নিজে ভুলে আউট হবো না। ওরা যদি আমারে আউট করতে পারে করুক।’
 
তিনি বলেন, ‘ক্রিজে থাকা অবস্থায় এটাই বলে যাচ্ছিলাম। যতক্ষণ পারি ব্যাটিং করে যাবো। উইকেটে নামার আগে এটাই আমার সিদ্ধান্ত ছিল। তাছাড়া মোহালির উইকেট যেমন ভালো ছিল, ঠিক তেমনি আউট ফিল্ডের গতিও দারুণ ছিল। শুধু ক্রিজে টিকে থাকা আমার দরকার ছিল আর আমি সেটাই করেছি।’
 
পরিশেষে নিজের ভরসার জায়গা নিয়ে রোহিত বলেন, ‘‌টাইমিংয়ের ওপরই আমার ভরসা। বলের লাইনে এসে, সে অনুযায়ী শট খেলি।’ সুত্র: আনন্দবাজার।

বিনোদন

নববধূর কাছে রোহিতের আবদার, যা বললেন...



দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ১১ ডিসেম্বর ইতালিতে বিয়ে সেরেছেন বিরাট কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মা। বিয়ে উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বহু তারকাই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নবদম্পতিকে। বাদ যাননি ভারতীয় ওপেনার রোহিত শর্মাও। 
 
১২ তারিখ একটি টুইট করে বিরাট ও অনুষ্কা, দুজনকেই শুভেচ্ছা জানান রোহিত। টুইটে মজা করে তিনি লেখেন, ‘‘দুজনকেই শুভেচ্ছা। বিরাট, তোমার সঙ্গে আমি হাজব্যান্ডদের হ্যান্ডবুক শেয়ার করব।’’ আর এর পরেই রোহিত মজার আবদার করে বসেন অনুষ্কার কাছে। তিনি লেখেন, ‘‘অনুষ্কা, পদবিটা পরিবর্তন কোরো না।’’
 
মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায় রোহিতের টুইট। এই টুইটকে কেন্দ্র করে ভক্তরা একের পর এক মজার রিটুইট করতে থাকেন। 
 
হিটম্যানের টুইটের জবাব দিয়েছেন অনুষ্কাও। এ দিন টুইট করে অনুষ্কা লেখেন, ‘‘হাহাহা ধন্যবাদ রোহিত! আর তোমাকেও অভিনন্দন এমন অসাধারণ ইনিংস উপহার দেয়ার জন্য।’’
 
প্রসঙ্গত, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে একাই ডাবল সেঞ্চুরি করে রেকর্ড গড়েছেন রোহিত। ১৫৩ বলে অপরাজিত ২০৮ রানের একটি ইনিংস খেলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক

ফিলিস্তিন নিয়ে মুসলিম বিশ্বে আশা জেগেছে:...

স্টাফ | আপডেট: ০৯:৪৮, ডিসেম্বর ১৪ , ২০১৭



জেরুজালেম আল-কুদসকে কেন্দ্র করে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি’র জরুরি শীর্ষ সম্মেলন ডাকায় তুরস্ককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তিনি বলেছেন, এই সম্মেলন ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে মুসলিম বিশ্বে আশা সঞ্চার করেছে।
 
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন শেষে বুধবার রাতে তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোগানের সঙ্গে এক বৈঠকে একথা বলেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। ওই সম্মেলন থেকে পূর্ব জেরুজালেম আল-কুদসকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
 
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে জেরুজালেমকে ইহুদিবাদী ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার কথা উল্লেখ করে রুহানি বলেন, ওআইসি’র শীর্ষ সম্মেলন থেকে আজ যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে মুসলিম দেশগুলোকে সে ব্যাপারে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন, মুসলিম দেশগুলো কঠোর অবস্থান নিলে মার্কিন সরকার তার সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে পারবে না।
 
প্রেসিডেন্ট রুহানির নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী ইরানি প্রতিনিধিদল ইস্তাম্বুল সম্মেলনে যোগ দেয়।
এরদোগানের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট রুহানি আরও বলেন, মুসলিম বিশ্বের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু আশার কথা হচ্ছে, বিশ্বের সব দেশের মুসলমানরা ফিলিস্তিনি ভূমি রক্ষায় নিজেদের সমর্থন ঘোষণা করে সে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। 
 
সাক্ষাতে ইস্তাম্বুল সম্মেলনে বেশিরভাগ মুসলিম দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানরা উপস্থিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান বলেন, এই উপস্থিতি ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে মুসলিম বিশ্বের ঐকমত্য ফুটিয়ে তুলেছে। ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে এই ঐকমত্য কাজে লাগবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
 
ইস্তাম্বুল সম্মেলন শেষে বুধবার রাতেই প্রেসিডেন্ট রুহানি তেহরানে ফিরে এসেছেন।

শিক্ষা

ঢাবির প্রেস বাহাদুরের মাধ্যমেই...

স্টাফ | আপডেট: ০৯:৪২, ডিসেম্বর ১৪ , ২০১৭




ডেস্ক রিপোর্ট:: রাজধানীর ইন্দিরা রোডের একটি প্রেসের কর্মচারী খান বাহাদুরের মাধ্যমেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস হতো বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
 
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম।
 
তিনি জানান, বুধবার জামালপুর থেকে গ্রেফতার করা হয় সাইফুল ইসলাম নামে একজনকে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ বৃহস্পতিবার ফার্মগেটের ইন্দিরা রোড থেকে গ্রেফতার করা হয় খান বাহাদুরকে। তিনি প্রেসের কর্মচারী। তার মাধ্যমে মূলত প্রশ্নফাঁসের সূত্রপাত।
 
সিআইডির তথ্যমতে, একটি চক্রের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে আসছিল। এই চক্রকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছে সিআইডি।
 
প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মধ্যে গত ৭ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজন কারাগারে, তিনজন রিমান্ডে এবং দুজন গ্রেফতার আছেন।
 
মোল্যা নজরুল জানান, গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০১৫ ও ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের 'ঘ' ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। আর চলতি বছর এই পরীক্ষা নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে।
 
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২ থেকে ৭ লাখ টাকা আদায় করত চক্রটি।

স্বাস্থ্য

বিল পরিশোধ করতে না পারায় লাশ দেখা হলো না...

কলামিস্ট | আপডেট: ০৮:০৭, ডিসেম্বর ০২ , ২০১৭




সাভারের এনাম হাসপাতালে বিল পরিশোধ করতে না পারায় মেয়ের লাশ দেখতে দেয়া হয়নি স্বজনদের। স্বজনদের দেখতে না দিয়েই লাশটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহত মুক্তা মনির (১৫) পরিবার সূত্রে জানা যায়, মুক্তা স্থানীয় অটোরিকশাচালক মো. মকসেদের কন্যা এবং স্থানীয় রহিমউদ্দিন স্কুলের ষষ্ট শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে সে মাথা ঘুরে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সাভার এনাম মেডিকেলে নেয়া হয়। ভর্তির সময় তার রিকশাচালক বাবার কাছ থেকে ১৩ হাজার টাকা নেয়া হয়। এরপর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে আইসিইউতে রাখার নাম করে আরও ২০ টাকা জোরপূর্বক আদায় করে। এ সময় ওষুদের বিল বাবদ আরও ৭ হাজার টাকা আদায় করা হয়। ওষুধের বিল পরিশোধ করার পর শুক্রবার দুপুরে স্বজনদের জানানো হয় মুক্তা মারা গেছে। এরপর স্বজনদের না জানিয়ে শুক্রবার দুপুরে  তড়িঘড়ি করে লাশটি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মুক্তার মা রেশমা বলেন, ধারদেনা করে ও আটো বিক্রি করে প্রায় ৪০ হাজার টাকা এনাম মেডিকেলে দিই। কিন্তু বৃহস্পতিরার রাত থেকে তাদের কাউকে মেয়েকে দেখতে দেয়া হয়নি। তিনি বলেন, মেয়েটি ভুল চিকিৎসায় রাতেই মারা যায়। কিন্তু মেয়ে ভালো হয়ে যাবে বলে এনামের ডাক্তাররা শুধু টাকা নেন। স্বজনরা তাকে দেখতে চাইলেও তাদের দেখতে দেয়া হয়নি। মৃত্যুর দুই দিন পার হয়ে গেলেও এখনও স্বজনরা লাশ পায়নি। শনিবার দুপুরে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই পড়ে আছে। তবে লাশ গ্রহণকারী সাভার থানার কনস্টেবল গোলাম নবী মুঠোফোনে যুগান্তরকে জানান, রাতের মধ্যেই  লাশের ময়নাতদন্ত শেষ হবে। পরে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সাভার মডেল থানার এস আই সুজায়াত জানান, এনাম মেডিকেল থেকে ডাক্তারি রিপোর্ট অনুযায়ী মৃত মেয়েটি উকুন মারা ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়।

এ বিষয় এনাম মেডিকেল কলেজের পরিচালক সাইফুলের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, রোগীকে এক রাত আইসিইউতে রাখা হয়েছেলি তাই বিল ৩৩ হাজার টাকা আদায় করা হয়।  স্বজনদের লাশ কেন দেখতে দেয়া হয়নি বা তার মৃত্যু কীভাবে হয়েছে- এ ধরনের প্রশ্ন করলে তিনি তেলেবেগুনে রেগে ওঠেন এবং মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

নিহতের ফুফু জানান, মেয়েটি ভুল চিকিৎসায় রাতেই মারা যায় কিন্তু আমাদের দেখা করতে না দিয়ে তারা টাকার জন্য লাশটি আইসিইউতে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। পরে আর টাকা দিতে না পারায় এনাম কর্তৃপক্ষ পুলিশকে ডেকে আত্মহত্যার কেস বলে লাশ পুলিশে হস্তান্তর করে।

আইটি টেক

পৃথিবীর মতো অবিকল আরও একটি সৌরমণ্ডল আছে:...

স্টাফ | আপডেট: ০৭:৪১, ডিসেম্বর ১৫ , ২০১৭





আমাদের পৃথিবীর মতো অবিকল আরও একটি সৌরমণ্ডল আছে বলে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
 
নাসার তরফে জানানো হয়, যেহেতু এই সৌরমণ্ডলের চেহারা অবিকল আমাদের মতোই। এমনকি সেখানকার আটটি গ্রহ সাজানো হয়েছে আমাদের সৌরমণ্ডলের মতোই।

তাই সেই মুলুকে প্রাণের হদিস পাওয়ার সম্ভাবনা আরও জোরাল হলো বলে দাবি সংস্থাটির।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে নাসা নতুন নতুন গ্রহের সন্ধানের কাজ শুরু করে।

এরপর ২০১১ সালের ডিসেম্বরের দিকে প্রথমবারের মতো নাসার কেপলার টেলিস্কোপের মাধ্যমে পৃথিবীর মতো প্রাণী বসবাসের উপযোগী আরেকটি নতুন গ্রহের সন্ধান পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে।

নাসার দাবি ছিল, কেপলার-২২বি নামে গ্রহটি আকারে পৃথিবীর চেয়ে বড় এবং আমাদের সৌরমণ্ডলের বাইরে এর অবস্থান হলেও পৃথিবীর সঙ্গে রয়েছে অনেক মিল।

এ কারণে গ্রহটিকে বলা হয় ‘সুপার-আর্থ’।

সাহিত্য

কাজী আরমানের গল্প পরাজিত পতিতা

স্টাফ | আপডেট: ১৩:৫৯, ডিসেম্বর ১০ , ২০১৭

কাজী আরমানের ছোট গল্প
পরাজিত পতিতার গল্প


রাত তখন দশটা বিশ মিনিট। জামালখানের লিচু বাগানের ফুটপাতের হোটেলের কাঠের চেয়ারে বসে আছি দুই বন্ধু; আমি আর পিয়াল। বসে চা, আর মোগলাই পরটা খেয়ে আমি একটা সিগারেটে আগুন ধরিয়ে টানতে লাগলাম। সিগারেটের ধোয়ায় কুন্ডলী পাকিয়ে আশপাশটা ভরে গেল। আর দুষিত বায়ুতে নিঃশ্বাস টানতে হচ্ছে দেখে খুব বিরক্ত লাগছে আমার বন্ধু পিয়ালের। কেন যে মানুষ সিগারেট খায় ? অযথাই কেন যে আশপাশের পরিবেশটাকে দূষিত করে? বোকা লোকগুলো এর মাঝে কি সুখ খুজে পায় আমার বুঝে আসেনা।

কিছুক্ষন আড্ডা দেয়ার পর দুই বন্ধু একসাথে বাসার উদ্দেশ্য রওয়ানা দিলাম; রাত তখন দ্বিপ্রহর। ঘন্টার কাটা বারোটা ছুই ছুই আকাশে ক্ষয়ে যাওয়া চাঁদ।”ছেড়া মেঘের ফাক ফোকর গুলিয়ে মরা জ্যোসনা এই মধ্যরাতের প্রকৃতিকে বড় অচেনা করে আনে। জলসিক্ত হাসনা হেনার গন্ধ
মাদকতা ছড়ায়। এলোমেলো ভাবতে ভাবতেই হাটতে লাগলাম। বন্ধু পিয়াল, চলে গেল তার বাড়ির পথটি ধরে। চারদিক তখন একেবারে নিরব নিস্তব্দ; পুরো শহর তখন গভীর ঘুমে মগ্ন। দূরে নিম গাছে একটি কুক পাখি ডেকে চলছে অবিরাম। কুক পাখির ডাকটাই যেন কেমন! শুনলে গা ছম ছম করে উঠে! কেমন যেন একটা বিষাদ ও বিরহী ভাব ডাকটার মধ্যে। সেই ডাক এই শীতের রাতের নিঃস্তব্দতাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে।

আমার হাতে একটি চার্জলাইট। বড় রাস্তা ছেড়ে যখন ছোট রাস্তায় পায়ে হেটে চলছি। হঠাৎ করেই; হাটা থামিয়ে দাঁড়িয়ে গেলাম! মনে হল,
রাস্তার একটু দূরেই কদম গাছের নিচের ঝোপ- ঝাড় গুলো বড় বেশী নড়া-চড়া করছে! একটু ভয় নিয়ে আস্তে করে এগিয়ে গেলাম। তারপর চার্জলাইটের আলো ফেলতেই একটা তরুন দেহের মত একজন মধ্যবয়সী লোক; হাঁজার মাইল বেগে ছুটে পালালো। আরো একটু এগিয়ে লাইটের আলো ফেলে দেখলাম!

নাভীর উপরের অংশে কাপড় ছাড়া একটা নারীদেহ; মুখে হাত দিয়ে দুই চোখ ডেকে চিৎ হয়ে শুয়ে আছে। তার ভরাট দেহ যেন বর্ষার নদীর ঢেউয়ের মত ফুলে ফুলে উঠছে! চোঁখ’টা সরিয়ে নিলাম। কি বলবো তাকে ঠিক বুঝে উঠছিলাম না।’জোরে ধমক
দিলাম! এই মেয়ে তুমি কে? কিছু বুঝে উঠার আগেই নারী দেহটি ডাইব দিয়ে দুই পা জড়িয়ে ধরে ডুকরে কেঁদে উঠল।

ভাইজান, আপনার আল্লাহর দোয়াই আমারে এই শহরের পতিতা বানাবেন না। আমার কোন দোষ নাই। আবার ধমক দিলাম, চুপ করো; কাপড় পরে নাও তারপর কি হয়েছে বলো? মেয়েটি পা ছেড়ে পাশের ঝোপের আড়াল থেকে শাড়ি নামক এক বস্তু গায়ে জড়িয়ে এলো যা তার রঙ হাঁরিয়েছে অনেক আগে। শাড়িতে কয়েকটি তালি লাগানোর পরেও মেয়েটির দেহ ঢাকতে ব্যর্থ হয়েছে।

এরপর ফুফিয়ে ফুফিয়ে মাথা নিচু করে এসে সামনে দাঁড়াল। তাকিয়ে দেখলাম, বয়সে আমার থেকে অনেক বড় হবে তাই এবার আপনি
করেই বললাম। সে মাথা নিচু করেই বলতে লাগলো। সে পাশের জামাল কলোনীর মৃত বদর আলীর ছেলে সিরাজের স্ত্রী। তার স্বামী বিদেশে কি এক কারখানায় নাকি চাকরি করে। আগে বছর খানেক পর পর বাড়ি আসত, কাপড় নিয়ে টাকা নিয়ে। কিছুদিন থাকত; তাকে আদর সোহাগ করে আবার চলে যেত। দুই বছর হয়ে গেল সিরাজ আর আসেনা। ওখানে সে আরেকটা বিয়ে করেছে; এখন সে আর আসবে না। সে গৃহস্থ বাড়িতে কাজ করে।

অনেক যুবক এমনকি বয়স্ক বৃদ্ধরাও তাকে কুকামের প্রস্তাব দেয়। সে কোনোদিন রাজি হয়নি। অনেকবার ভেবেছে এই শহর ছেড়ে;
স্বামীর ঘর ছেড়ে চলে যাবে সে। কিন্তু ঘরে অসুস্থ শ্বাশুড়িকে রেখে কি ভাবে যাই ? একটি মায়া স্বরেই বলল সে। আমি অবাক হলাম! যে স্বামী তার খোজ খবর না নিয়ে আরেকটা বিয়ে করে সুখে থাকতে পারে অথচ তারি বৃদ্ধ অসুস্থ মায়ের দায়িত্বভার বহন করছে সে। আমি অবাক দৃষ্টিতে শুনতে লাগলাম তার কথাগুলো। প্রতিদিন একবেলা খেয়ে দিন কাটায় তাও আবার জোটেনা ঠিকভাবে। না খেয়ে ঘরেবসে থাকে সে। বাহিরে বেরুলেই তার জন্য খারাপ প্রস্তাব নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে অনেকেই। সে আর যায়না কাজে। নিজে না হয় না খেয়ে মরে যাব তাতে দুঃখ নেই কিন্তু বৃদ্ধ শ্বাশুড়ি ক্ষিদের জ্বালায় যখন চটপট করে তখন আর সহ্য হয়না। সবাই তাকে শাড়ি, টাকার লোভ দেখায়। কাপড়ের অভাবে অন্য কোথাও কাজের জন্য যেতে পারিনা।

তাই শ্বাশুড়ির চিৎকারে আজ এই লোকটির কথায়… বলতে গিয়ে………..আবার কেঁদে উঠলো।এবার আর ধমক দিলাম না! কাছে গিয়ে আস্তে তার মাথায় হাত রাখলাম। মেয়েটি ভয়ে ভয়ে মাথাটা সোজা করলো। তার ঠোট দু’টো মাছির পাখার মত কাপছে; ভয় আর লজ্জায় মেয়েটি একখন আর কথা বলতেপারছে না। আমি বললাম,আপনি কোন চিন্তা করবেন না। এ কথা আমি কাউকে জানাবো না।

কথাটি শুনে মেয়েটা একটা নিঃশ্বাস ছাড়ল। মনে হল,হয়তো বুকের উপর চাপানো একটন ওজনের একটা পাথর এইমাত্র সরে গেল।
জিজ্ঞেস করলাম আপনার নাম কি?খুব বিরক্ত আর= তাচ্ছিল্ল স্বরে উত্তর দিল সান্তা। আমি বললাম, চিন্তা করবেন না। এখন আপনি যান। ছিড়া,তালিযুক্ত কাপড়টাকে কোন মতে গায়ে জড়িয়ে; ক্লান্ত দেহটা বয়ে নিয়ে আস্তে আস্তে অন্ধকারে মিলিয়ে গেল মেয়েটি।

আমি তবুও দাঁড়িয়ে আছি-ভাবছি নিজেকে ভীষন অপরাধী মনে হল, আমি অসাধারন কেউ নই। সমাজ সংস্কারক ও নই, অতি তুচ্ছ একজন মানূষ;তবুও মনের পর্দায় জেগে উঠলো, জীবনে দেখা অনেক মহিলার কথা। যাদের কাছে শাড়ি লজ্জা নিবারনের জন্য কোন মূল্যবান বস্তু নয়।

শাড়ি তাদের জন্য ফ্যাশন। টিভির পর্দায়, খবরের কাগজে, মানুষের মাঝে নিজেকে আকর্ষন করে তোলার এক উপদ্রব। কোন এক বিশেষ দিনে নিজেকে বিকশিত করে তোলার এক আবরন। আলমারীতে শোভা করে রাখা এক অহংকার। তাই আজ মনে পড়ল সেই সব শাড়ি পরিহিতাদের কথা; যাদের নামি-দামী বর্ণাঢ্য শাড়ির ঝলকানিতে চোঁখ ঝলসে গিয়েছে কিন্তু পানি আসেনি। অথচ আজ এই চেড়া-তালিযুক্ত আশি,নব্বই টাকার অতিসাধারন একটি শাড়ি,তা দেখে চোঁখে পানি চলে আসলো,কেন জানিনা।

ফিচার

চলতি বছর দেশে ধান উৎপাদন পাঁচ বছরে...

স্টাফ | আপডেট: ০৬:৫৪, ডিসেম্বর ১৫ , ২০১৭




ডেস্ক রিপোর্ট:: চলতি বছর দেশে তিন দফা বন্যার কারণে ধানের উৎপাদন আশঙ্কাজনক হারে কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)।

এ বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সংস্থাটি। এফএও প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৬ সালে বাংলাদেশে যেখানে ৫ কোটি ৮০ লাখ টন ধান উৎপাদিত হয়েছিল সেখানে ২০১৭ সালে তা ৫ কোটি ২১ লাখ টনে নেমে আসবে।

এ হিসেবে দেশে এ বছর ধানের উৎপাদন আগের বছরের তুলনায় ৩ শতাংশ কমবে। চালের আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। এছাড়া আটা ও অন্যান্য খাদ্যশস্যের দামও বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে এফএও সম্প্রতি প্রকাশিত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, চলতি বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও খরার কারণে বিশ্বে বাংলাদেশসহ ৩৭টি দেশে খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।

যদিও সংস্থাটি বলছে খাদ্যশস্যের বৈশ্বিক উৎপাদন বেড়েছে, দামও কমেছে। বিশেষ করে চাল-গম বা দানাদার খাবারের দাম কমতির দিকে। তবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের আটটি দেশের বাজারে প্রধান খাদ্য চালের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন নিয়ে এফএওর এই উদ্বেগ নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ড. মোস্তফা কে মুজেরি যুগান্তরকে বলেন, কয়েক দফা বন্যা ও হাওরে বিপর্যয়ের কারণে চলতি বছর ফসল উৎপাদনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পাশাপাশি অতি বৃষ্টির কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

এ সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সরকারকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। দেশজ উৎপাদন বাড়ানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। এছাড়া ঘাটতি নিরূপণের মাধ্যমে আগ থেকে পরিকল্পনার করে আমদানি বাড়াতে হবে।

এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে কয়েক দফা বন্যায় ধানের উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত— হয়। দেশটির অধিকাংশ জেলায় ফসলহানি হয়েছে। ফলে প্রধান দুই জাতের ধান বোরো এবং আমন উৎপাদন কমেছে। দেশের মোট উৎপাদনের ৯০ শতাংশ আসে এ দুটি ধানের জাতের মাধ্যমে ।

এ অবস্থায় বাংলাদেশে চালের দাম বেড়েছে মূলত গত বোরো মৌসুমে বন্যার পর ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকে। ফলে গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত টানা চালের দাম বাড়তে থাকে।

বাংলাদেশ সরকার চালের দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য কয়েক দফায় চালের শুল্ক কমিয়ে দেয়। এতে বেসরকারি খাতে চালের আমদানি কিছুটা বেড়ে গিয়ে দাম কমতে থাকে। সরকার চালের আমদানি শুরু করায় বাজারে কিছুটা ইতিবাচক প্রভাবও পড়ে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার সাব সাহারার যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো খাদ্যঝুঁকিতে থাকার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে খাদ্যঝুঁকি বিষয়ে সংস্থাটি সতর্কবার্তা দেয়। ওই মাসে পেরু, কেনিয়া ও উগান্ডার নামও ছিল।

কিন্তু দাম নিয়ন্ত্রণের মধ্যে চলে আসায় পরবর্তী মাসগুলোতে ওই তিনটি দেশের নাম বাদ পড়ে বা সতর্কবার্তা তুলে দেয়া হয়। চলতি বছরের মে মাস থেকে বাংলাদেশকে সতর্কবার্তা দেয় এফএও।

এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর বৈশ্বিক খাদ্যশস্য উৎপাদন ক্ষতি পুষিয়ে যাবে। সংস্থাটি বলছে গত বছর সারা বিশ্বে ৫০ কোটি ১৮ লাখ টন চাল উৎপাদিত হলেও এ বছর তা ৫০ কোটি ৮ লাখে নেমে আসতে পারে। উল্লেখ্য, চীন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার পরে বিশ্বে বাংলাদেশ এখন চতুর্থ সর্বোচ্চ চাল উৎপাদনকারী দেশ।

পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দীকা নিয়মিত চেম্বার করছেন চট্টগ্রামের ম্যাক্সে
হাস্যউজ্জল মানুষটি চলে গেলেন না ফেরার দেশে
পুষ্টিবিদ আয়েশা সিদ্দীকা নিয়মিত চেম্বার করছেন চট্টগ্রামের ম্যাক্সে
প্রিয় আনিসুল হকের সংক্ষিপ্ত জীবনী
এখনো অনেক কাজ বাকী, আমার ঢাকায় ফিরতে হবে”
এস কে সিনহার ফ্লাইট রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে
রকমারি

দ্রুত ওজন কমায় বাঁধাকপি

স্টাফ | আপডেট: ০৫:১০, ডিসেম্বর ০৩ , ২০১৭



ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন না এই পৃথিবীতে এমন লোক খুবই কম আছে। সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম না করা, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা, মানসিক চাপ ইত্যাদি কারণে ওজন বাড়ে। আর এই ওজন কমাতে ডায়েট ও ব্যায়াম খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে দ্রুত ওজন কমাতে চাইলে খাদ্য তালিকায় প্রথমেই রাখুন বাঁধাকপি। শীতকালীন সবজিগুলোর মধ্যে বাঁধাকপি এমন একটি সবজি, যা খেলে দ্রুত ওজন কমে। আবার এটি শুধু সহজলভ্যই নয়, দামেও সস্তা। পুষ্টিবিদরা বলেন, অনেক পুষ্টিগুণের সমাহার হলো বাঁধাকপি। সবজিটি নানা ধরনের ভিটামিনে সমৃদ্ধ। আছে প্রচুর পরিমাণ আঁশ। ক্যালশিয়াম, আয়রন, সালফার, ফসফরাসসহ আছে প্রয়োজনীয় সব খাদ্য উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও বাঁধাকপি খুবই উপকারী। এটি রেডিয়েশনের বিরুদ্ধে কাজ করে। এ কারণে ক্যান্সার প্রতিরোধ হয় এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে আসে।

বাঁধাকপির স্বাস্থ্য উপকারিতা-

ওজন কমায়

বাঁধাকপিতে টারটারিক অ্যাসিড রয়েছে। চিনি ও শর্করা রূপান্তর হয়ে শরীরে যে চর্বি জমে, টারটারিক অ্যাসিড এই চর্বি জমতে বাধা দেয়। এছাড়া এতে খুব সামান্য পরিমাণে কোলেস্টেরল এবং প্রচুর পরিমাণে খাদ্যআঁশ রয়েছে। তাই যারা ওজন কমাতে চান তারা প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় বাঁধাকপি রাখুন।

ভিটামিনের সমৃদ্ধ উৎস

বাঁধাকপিতে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব ধরনের ভিটামিনই রয়েছে। এতে রয়েছে রিবোফ্লোভিন, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি ও কে।

হাড় ভালো রাখে

বাঁধাকপি হাড় ভালো রাখতে সহায়তা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও সোডিয়াম যা হাড়ের বিভিন্ন সমস্যা দূর করে। এছাড়াও বাঁধাকপিতে উপস্থিত ভিটামিন হাড়কে মজবুত রাখতে সাহায্য করে। যাঁরা নিয়মিত বাঁধাকপি খান তাঁদের বার্ধক্যজনিত হাড়ের সমস্যার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।

মাথাব্যথা দূর করে

যাদের মাঝেমধ্যেই মাথা ধরে, তারাও প্রতিদিন অন্তত একবেলা হলেও বাঁধাকপি খান। দেখবেন মাথাব্যথা দূর হবে।

রক্তস্বল্পতা দূর করে

বাঁধাকপিতে প্রচুর আয়রন থাকায় তা রক্তস্বল্পতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।

আলসার নিরাময়ে

পাকস্থলির আলসার ও পেপটিক আলসার প্রতিরোধে বাঁধাকপি অনেক উপকারী। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁধাকপির রস আলসারের জন্য সবচেয়ে উপকারী প্রাকৃতিক ওষুধ।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

বাঁধাকপি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত বাঁধাকপি খান তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। বাঁধাকপিতে উপস্থিত ভিটামিন সি ও মিনারেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

ত্বকের সুরক্ষায়

বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, যা ত্বকের সমস্যা দূর করে। নিয়মিত বাঁধাকপি খেলে ত্বকে সহজে বয়সের ছাপ পড়ে না। এছাড়া বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ক্যান্সার প্রতিরোধেও সহায়তা করে।

বাঁধাকপির যে স্যুপ দ্রুত ওজন কমায়-

উপকরণ

এই স্যুপ বানাতে বাঁধাকপি পাতা এক কাপ, পেঁয়াজ তিন থেকে চারটি কাটা টুকরো এবং গোলমরিচের গুঁড়া এক চা চামচ।

প্রস্তুত প্রণালী

প্রথমে প্রেসার কুকারে বাঁধাকপির পাতা ও পেঁয়াজের মধ্যে কিছু পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। এতে স্বাদমতো লবণ দিন। সেদ্ধ বাঁধাকপি ও পেঁয়াজে একটু আদা কুচি মেশান। এতে গোলমরিচের গুঁড়া দিন, এরপর বাটিতে ঢালুন। ব্যস, খুব সহজেই তৈরি হয়ে বাঁধাকপির স্যুপ। স্যুপটি প্রতিদিন সকালের নাশতায় কমপক্ষে দুই মাস খান। এই স্যুপ খেলে দেখবেন দ্রুত ওজন কমবে। অবশ্য এর পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ব্যায়ামও চালিয়ে যাওয়ার বিকল্প নেই।