Main Menu

ব্রেক্সিট পেছাতে রাজি ইইউ, ব্রিটেনে আগাম নির্বাচন চান বরিস

 

ইয়াসমিন আক্তার:; ব্রেক্সিট চুক্তি বাস্তবায়নে আরও সময় দিতে রাজি হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। নির্দিষ্ট তারিখ না জানালেও শুক্রবার তারা ব্রিটেনকে আরও সময় দেয়ার কথা জানায়। এদিকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট চুক্তি বাস্তবায়ন করতে না পেরে এবার আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

ব্রিটিশ সংসদে বিরোধীদের তিনি বলেছেন, ১২ ডিসেম্বর আগাম নির্বাচন দিলে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনে সংসদকে আরও সময় দেবেন। বিবিসি বলছে, ইইউর রাষ্ট্রদূতরা শুক্রবার বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে যেতে (ব্রেক্সিট) ব্রিটেনকে আরও সময় দেয়ার ব্যাপারে সম্মত হন। তবে ঠিক কতদিন সময় দেয়া হবে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি তারা। ইউরোপীয় কমিশন বলছে, আরও আলোচনার পর এক সপ্তাহের মধ্যেই এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে।

এর আগে ব্রিটেনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্রেক্সিটের সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ অক্টোবর করেছিল ইইউ। সম্প্রতি আবারও ব্রেক্সিট চুক্তি কার্যকরে আরও সময় চেয়ে আবেদন করতে বাধ্য হন বরিস। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হল।

রয়টার্স বলছে, ৩১ অক্টোবর ব্রেক্সিট কার্যকরের আশা ভেস্তে যাওয়ার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস সংসদে বিরোধী লেবার পার্টির সঙ্গে রফার চেষ্টা করছেন। লেবার নেতা জেরেমি করবিনকে লেখা এক চিঠিতে সংসদে বর্তমান অচলাবস্থা দূর করতে তিনি আগামী ১২ ডিসেম্বর আগাম নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মতে, ২০২০ সাল পর্যন্ত এমন অচলাবস্থা চলতে দিলে ব্যবসা-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মৌলিক সমর্থন ক্ষতিগ্রস্ত হবে। লেবার এই প্রস্তাব মেনে নিলে তিনি এর বদলে ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের জন্য সংসদকে আরও সময় দিতে প্রস্তুত।

করবিন নীতিগতভাবে আগাম নির্বাচনের পক্ষে হলেও চুক্তিহীন ব্রেক্সিটের আশঙ্কা পুরোপুরি দূর হওয়া পর্যন্ত এই প্রস্তাবে সমর্থন জানাতে চান না। ইইউ যেহেতু ব্রেক্সিট কার্যকরে মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই আগামী সোমবার ব্রিটিশ সংসদে আগাম সাধারণ নির্বাচনের প্রশ্নে ভোটাভুটি হতে পারে। তবে বাকি রাজনৈতিক দলগুলো এখন পর্যন্ত আগাম নির্বাচনের বিরোধিতা করায় এই প্রস্তাবের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন পাওয়া যাবে কিনা, এ নিয়ে সংশয় রয়েছে। একইসঙ্গে ইইউ যদি কয়েক সপ্তাহের জন্য ব্রেক্সিট পিছিয়ে দেয় তাহলে ব্রিটিশ সংসদের ওপর ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদনের জন্য চাপ বেড়ে যাবে। অপরদিকে আবেদন অনুযায়ী ব্রেক্সিটের তারিখ তিন মাস পিছিয়ে দিলে ব্রিটেনে নির্বাচন বা গণভোটের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে উঠতে পারে।



(পরবর্তি সংবাদ) »



আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*