Main Menu

সবজির দাম বাড়তি, ঝাঁজ আদা রসুনে

মার্জান সোহাগী:: সপ্তাহের ব্যবধানে বাড়তে শুরু করেছে সব ধরনের সবজির দাম। নতুন করে না বাড়লেও চিনি ও ভোজ্যতেল গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হয়েছে বাড়তি দামে। আর কারণ ছাড়াই বেড়ে যাওয়া আমদানি করা পেঁয়াজ, রসুন ও আদা শুক্রবারও বিক্রি হয়েছে উচ্চ মূল্যে।

গত সপ্তাহের মতো সব ধরনের মাছ, গরুর মাংস ও ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে বাড়তি দামে। চাল, ডাল, ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও রামপুরা কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পটোল বিক্রি হয়েছে ৪০-৫০ টাকা কেজি, যা একদিন আগে ছিল ৩০-৪০ টাকা। করলা বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ৪০-৫০ টাকা। কাকরোল ৪০-৫০ টাকা, গেল সপ্তাহে ছিল ৩০-৩৫ টাকা।

বেগুন বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা কেজি, গেল সপ্তাহে ছিল ৩০ টাকা। ঢেঁড়স ৪০-৫০ টাকা কেজি, যা ছিল ৩০-৪০ টাকা। এছাড়া বৃহস্পতিবার ২০-২৫ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁপে শুক্রবার বিক্রি হয়ছে ৩০-৪০ টাকা। ৪০-৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বরবটি এ দিন বিক্রি হয় ৬০-৭০ টাকায়। শসা বিক্রি হয়ছে ৬০-৭০ টাকা- যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৩০-৪০ টাকা।

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা মো. তমাল যুগান্তরকে বলেন, পাইকারি বাজারে এক দিনের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। জানতে চাইলে পাইকারি বিক্রেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সবজি কম পাওয়া গেছে। আর গত সপ্তাহের ব্যবধানে বেশি দামে আনতে হয়েছে। যে কারণে দাম বেশি। তাই পাইকারি পর্যায় থেকে বেশি দাম দিয়ে এনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

এদিন নতুন করে না বাড়লেও বাজেটের পর বেড়ে যাওয়া দামে বিক্রি হয়েছে চিনি ও ভোজ্যতেল। বাজারে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৮০-৮২ টাকায়- যা আগে ছিল ৭৮-৮০ টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি বিক্রি হয়েছে ৫২-৫৫ টাকা, যা দাম বাড়ার আগে বিক্রি হয়েছে ৫০-৫২ টাকা কেজি।

অন্যদিকে আমদানি করা পেঁয়াজ, রসুন ও আদার দাম গত সপ্তাহের মতো বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৩০-৩৫ টাকা। দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয় ২৫-৩০ টাকা কেজি। চীনা আদা মানভেদে বিক্রি হয়েছে ১৪০-১৪৫ টাকা কেজি। ঈদের আগে এটি ছিল ৯০-১০০ টাকা কেজি। দেশি আদা মানভেদে বিক্রি হয়েছে ১৯০-২১০ টাকা। গত সপ্তাহে বিক্রি হয় ১৭৫-১৮০ টাকায়। রসুন বিক্রি হয়েছে ১০০-১১০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৮০-৯০ টাকায়।

গত সপ্তাহের মতো শুক্রবার সব ধরনের মাছ চড়া দামে বিক্রি হয়েছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ১৪০-১৬০ টাকায়, পাঙ্গাশ ১৬০-১৭০, রুই আকার ভেদে ৩৫০-৬০০, পাবদা ৬০০-৭০০, টেংরা ৭০০-৭৫০, শিং ৪০০-৫৫০, বোয়াল ৫০০-৮০০ ও চিতল মাছ ৫০০-৮০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫৫০-৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হয়েছে ১৪৫-১৫০ টাকা কেজিতে। আকারভেদে কক মুরগি ১৯০-২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৪৫০-৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হয়েছে ১০০-১০৫ টাকায়।






আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*