Main Menu

সংঘবদ্ধ চক্রের সহায়তায় রোহিঙ্গারা পাসপোর্ট করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শারমিন লাকি:: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কক্সবাজার ও টেকনাফের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিচ্ছে। তারা কীভাবে সহযোগিতা করছে তা জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ আসছে। তারা সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। বেশকিছু এনজিও ও ব্যক্তি তাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মদদ দিচ্ছে।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে ‘২০০০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মিলনমেলা’ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা কীভাবে মোবাইলের সিম কার্ড পাচ্ছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। অনুমতি ছাড়া কোনো রোহিঙ্গা বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমেই রোহিঙ্গারা মাদক ব্যবসা, দেশীয় অস্ত্র মজুদসহ নানা ধরনের অপরাধ করছে। ইতিমধ্যে তারা সমাবেশও করেছে। তারা যেন আর সে সুযোগ না পায়, কেউ যেন রোহিঙ্গাদের নেপথ্যে থেকে সহযোগিতা করতে না পারে সে জন্য পুলিশ-র‌্যাব ও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কেউ দোষী হলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক নির্মূলে যুবসমাজকে আরও সচেতন করতে সরকারের কাযক্রম অব্যাহত থাকবে। জঙ্গি নির্মূলে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।

শারমিন লাকি:: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কক্সবাজার ও টেকনাফের একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সহযোগিতায় রোহিঙ্গারা বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিচ্ছে। তারা কীভাবে সহযোগিতা করছে তা জানতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ আসছে। তারা সংঘবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। বেশকিছু এনজিও ও ব্যক্তি তাদের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে মদদ দিচ্ছে।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ফার্মগেটের খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে ‘২০০০ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মিলনমেলা’ অনুষ্ঠান শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা কীভাবে মোবাইলের সিম কার্ড পাচ্ছে, তা খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। অনুমতি ছাড়া কোনো রোহিঙ্গা বের হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমেই রোহিঙ্গারা মাদক ব্যবসা, দেশীয় অস্ত্র মজুদসহ নানা ধরনের অপরাধ করছে। ইতিমধ্যে তারা সমাবেশও করেছে। তারা যেন আর সে সুযোগ না পায়, কেউ যেন রোহিঙ্গাদের নেপথ্যে থেকে সহযোগিতা করতে না পারে সে জন্য পুলিশ-র‌্যাব ও সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। কেউ দোষী হলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক নির্মূলে যুবসমাজকে আরও সচেতন করতে সরকারের কাযক্রম অব্যাহত থাকবে। জঙ্গি নির্মূলে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলেও জানান তিনি।






আপনার মতামত দিন

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*