সর্বশেষ
  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত
  • রাজনীতি
জাতীয়

মাদকবিরোধী অভিযান : ‘বন্দুকযুদ্ধে’ এক...

স্টাফ | আপডেট: ০২:২৮, মে ২১ , ২০১৮



শারমিন শিলা: মাদকবিরোধী অভিযানে যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী, নরসিংদী ও টাঙ্গাইলে বন্দুকযুদ্ধে আটজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা মাদক বিক্রেতা বলে দাবি করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

রোববার রাত সাড়ে ১২টা থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত এসব বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে কেবল যশোরেই তিনজন নিহত হন।

এ ছাড়া টাঙ্গাইল, নরসিংদী, রাজশাহী, ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গায় একজন করে নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, যশোরের শেখহাটি ও খোলাডাঙ্গায় কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনজন নিহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র, গুলি ও মাদকদ্রব্য পাওয়া গেছে। নিহতরা মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশ দাবি করলেও তাদের পরিচয় জানাতে পারেনি।

যশোরের আড়াইশ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কল্লোল কুমার সাহা জানান, ভোর ৪টা ৫ মিনিটের দিকে যশোর কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক তরুণ কুমার গুলিবিদ্ধ একটি এবং যশোর উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুর রহিম দুটি মৃতদেহ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তাদের মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ায় চেহারা বিভৎস হয়ে গেছে বলে জানান এ চিকিৎসক।

মরদেহ তিনটি হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দেউলাবাড়ি এলাকায় মহাসড়কসংলগ্ন ইটভাটার পাশে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

র‌্যাব ১২-এর অধিনায়ক আব্দুল আহাদ জানান, বড় ধরনের মাদকের চালান লেনদেনের খবরে র‌্যাবের একটি দল সেখানে অভিযানে যায়। এ সময় মাদক কারবারিরা র‌্যাবকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করলে আত্মরক্ষায় র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে।

তিনি বলেন, গোলাগুলির পর প্রতিপক্ষ পিছু হটলে র‌্যাব সদস্যরা গিয়ে দেখেন একজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছেন।

উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।

নরসিংদীর ঘোড়াশালে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ঈমান আলী নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

র‌্যাব জানিয়েছে, নিহত ঈমান আলী নরসিংদীর শীর্ষ মাদক বিক্রেতা। তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা আছে। তিনি পলাতক ছিলেন।

র‌্যাব বলছে, এ ঘটনায় তাদের দুই সদস্য আহত হয়েছেন।

রাজশাহীতেও র‌্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ লিয়াকত আলী মণ্ডল (৩৮) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লিয়াকত পুঠিয়া উপজেলার নামাজগ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম জাব্বার আলী।

র‌্যাব-৫ রাজশাহীর উপঅধিনায়ক মেজর এএম আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামের একটি আমবাগানে মাদকদ্রব্য বিক্রি হচ্ছে, এ তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি বিশেষ দল সেখানে অভিযান চালায়। এ সময় র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক বিক্রেতারা র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে।

আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও এ সময় পাল্টা গুলি ছুড়লে মাদক কারবারিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে দাবি করেন র‌্যাবের এ উপঅধিনায়ক।

তিনি জানান, লিয়াকতকে আহতাবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ নরেন্দ্রপুর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ছব্দুল মণ্ডল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।

ঝিনাইদহ র‌্যাব ৬-এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এএসপি গোলাম মোর্শেদ জানান, মোটরসাইকেলে মাদকের চালান নিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার নরেন্দ্রপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসায় র‌্যাব। এ সময় ছব্দুল মণ্ডলকে থামাতে সংকেত দিলে তিনি র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে তিনি নিহত হন।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের সন্ন্যাসীতলা মাঠে রোববার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে জনাব আলী (৩২) নামে চিহ্নিত এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।

নিহত জনাব আলী উথলী গ্রামের আমতলাপাড়ার মো. জামাত আলীর ছেলে। বন্দুকযুদ্ধের সময় জীবননগর থানার তিন পুলিশ সদস্যও গুরুতর আহত হয়েছেন বলে পুলিশের দাবি।

জীবননগর থানার ওসি মো. মাহমুদ রহমান জানান, বন্দুকযুদ্ধে নিহত জনাব আলীর বিরুদ্ধে জীবননগর থানাসহ পার্শ্ববর্তী থানায় অন্তত ১১টি মাদক মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি শর্টগান, দুটি কার্তুজ, ৩টি রামদা এবং এক বস্তা ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে।

অর্থনীতি

পরিপত্র জারির পরদিনই প্রত্যাহার




শারমিন শিলা: সরকারি ব্যাংকের চাকরিজীবীদের গৃহঋণের পরিপত্র জারির একদিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বুধবার অর্থমন্ত্রীর নির্দেশে এটি প্রত্যাহার করা হয়। আগের দিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ পরিপত্র জারি করেছিল।

সূত্র মতে, সরকারি ব্যাংক থেকে শুধু কর্মকর্তাদের গৃহনির্মাণ ঋণ নেয়ার বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এতে বলা হয়, শুধু ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫ শতাংশ সুদে সর্বোচ্চ ১ কোটি ও সর্বনিম্ন ৬০ লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন।

অপরদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পাঁচ শতাংশ সুদে গৃহঋণের নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে সরকার, যা প্রজ্ঞাপন জারির অপেক্ষায় আছে। সরকারি চাকরিজীবীদের গৃহঋণ নীতিমালা জারির আগেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য ঋণের প্রজ্ঞাপনটি ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করে।

এ প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী পরিপত্রটি দ্রুত প্রত্যাহার করার জন্য বুধবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রাহমানকে নির্দেশ দেন। এ কারণে পরিপত্রটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

সূত্র আরও জানায়, সরকারের যে কোনো বিভাগেরই এ ধরনের পরিপত্র জারির আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের মতামত নেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

কিন্তু আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তা নেয়নি। এদিকে ‘সরকারি কর্মচারীদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে গৃহনির্মাণ ঋণ প্রদান সংক্রান্ত নীতিমালা-২০১৮’-এর একটি খসড়া গত মাসে চূড়ান্ত করেছে অর্থ বিভাগ। অনুমোদনের জন্য এই খসড়া এখন মন্ত্রিসভার বৈঠকে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

অর্থ বিভাগের চূড়ান্ত নীতিমালার আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেডভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

সেখানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জারি করা পরিপত্রে সর্বোচ্চ ১ কোটি ও সর্বনিম্ন ৬০ লাখ টাকা ঋণ নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছিল।

সব সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অর্থ বিভাগ কর্তৃক চূড়ান্ত নীতিমালা অনুযায়ী, জাতীয় বেতন কাঠামোর পঞ্চম গ্রেড থেকে প্রথম গ্রেডভুক্ত কর্মকর্তা, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা প্রত্যেকে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে গৃহনির্মাণে ঋণ পাবেন ৭৫ লাখ টাকা।

জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা। বেতন কাঠামোর নবম গ্রেড থেকে ষষ্ঠ গ্রেড পর্যন্ত বা যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদর এলাকার জন্য ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৪৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

দশম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত যাদের মূল বেতন ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৫৫ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ৩০ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

১৪তম থেকে ১৭তম গ্রেড বা নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলে ঢাকাসহ সব সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য ৪০ লাখ টাকা, জেলা সদরের জন্য ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য ২৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন।

১৮তম থেকে ২০তম গ্রেড বা আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতন পান এমন কর্মচারীরা ঢাকাসহ সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরের জন্য গৃহনির্মাণ ঋণ পাবেন ৩০ লাখ টাকা। জেলা সদরে এটি হবে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকার জন্য পাবেন ২০ লাখ টাকা।

রাজনীতি

শেরপুর থেকে মতিয়া চৌধুরীকে...

স্টাফ | আপডেট: ০৫:১০, মে ২০ , ২০১৮




শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীকে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ ও নির্বাচনী এলাকা থেকে প্রত্যাহার করার জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করেছে শেরপুর জেলা আওয়ামী লীগ।

শনিবার বিকালে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় এই সুপারিশ করা হয়।

এছাড়া সভায় নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা এবং দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হকসহ পাঁচজনকে জেলা কমিটি থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শনিবার রাতে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

শহরের চকবাজারে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভা শেষে শনিবার রাত আটটায় জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

জেলা কমিটি থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা অপর চারজন হলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শামছুন্নাহার কামাল, নালিতাবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. জিয়াউল হক, সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলুল হক ও নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ। এ ছাড়া নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তার জায়গায় ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ মো. বুরহান উদ্দিনকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও হুইপ মো. আতিউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় জেলা কার্যনির্বাহী পরিষদের ৭১ সদস্যের মধ্যে ৫২ জন উপস্থিত ছিলেন।

এতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক চন্দন কুমার পাল, সহসভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল হাসান, কার্যনির্বাহী সদস্য বদিউজ্জামান বাদশা, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম, ঝিনাইগাতী উপজেলা কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম, সাধারণ সম্পাদক আমিরুজ্জামান লেবু, শ্রীবরদী উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোতাহারুল ইসলাম, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ দত্ত প্রমুখ বক্তব্য দেন।

সারাদেশ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে র‌্যাবের সাথে...

মোঃ নাজমুল হুদা (ঝিনাইদহ) জেলা প্রতিনিধিঃঝিনাইদহের কালীগঞ্জে নরেন্দ্রপুর এলাকায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ছব্দুল মন্ডল (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত। রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি নাইন এমএম পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি, ১০০ বোতল ফেনসিডিল, ১৫০ পিস ইয়াবা ও একটি হেলমেট উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

নিহত ছব্দুল মন্ডল উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। ঝিনাইদহ র‌্যাব-৬ এর ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক এএসপি গোলাম মোর্শেদ জানান, মোটরসাইকেলে মাদকের চালান নিয়ে যাচ্ছে মাদক ব্যবসায়ীরা এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার নরেন্দ্রপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসায় র‌্যাব।

 তাকে থামাতে সংকেত দিলেও সে র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র‌্যাব ও পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে সে নিহত হয়। সে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। কালীগঞ্জ থানার ওসি মিজানুর রহমান খান বলেন, ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের লাশ কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে। সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে।

খেলাধুলা

কেমন গেল মোস্তাফিজের আইপিএল?

স্টাফ | আপডেট: ০২:২৩, মে ২১ , ২০১৮



 
সুমাইয়া: দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কাছে হেরে প্লে অফে খেলার স্বপ্ন ভেস্তে গেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের। আইপিএলে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় ঘটল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের।

এবার তাদের হয়ে মাঠ মাতিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান। তা মাল্টি মিলিয়ন ডলারের একাদশতম আসরটা কেমন গেল কাটার মাস্টারের? এর উত্তর অনুসন্ধানে সামান্য প্রয়াস চালানো হল-

২০১৬ সালে আইপিএলে অভিষেক ঘটে মোস্তাফিজের। সেবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের শিরোপা জয়ে রাখেন অগ্রণী ভূমিকা। পরের বছরও অরেঞ্জ আর্মিদের হয়ে খেলেন। তবে ম্যাচ খেলার সুযোগ পান মাত্র একটি।

চলতি মৌসুমে তাকে ছেড়ে দেয় তারা। সুযোগটি লুফে নেয় মুম্বাই। ২ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দ্য ফিজকে ডেরায় ভেড়ায় দলটি। তাদের হয়ে মাঠে নেমেছেন সাত ম্যাচে। শিকার করেছেন সাত উইকেট।

মুম্বাইয়ের প্রথম ছয় ম্যাচের সব কটিতেই একাদশে ছিলেন মোস্তাফিজ। এর পর দলের বাইরে ছিলেন সাত ম্যাচ। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির শেষ ম্যাচে মিশেল ম্যাক্লেনাঘান চোট পেলে ফের একাদশে জায়গা পান টাইগার বোলিং বিস্ময়।

সব মিলিয়ে সাত ম্যাচে মোস্তাফিজ হাত ঘোরান ২৭.৩ ওভার। মোট রান দিয়েছেন ২৩০, যা ওভারপ্রতি গড়ে ৮.৩৬, স্ট্রাইক রেট ২৩.৫৭, ইকোনমি ৮.৩৬। এবারের আসরে তার সেরা বোলিং ফিগার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে, ২৪/৩। সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে, ৫৫/০।

একনজরে মোস্তাফিজের পারফরম্যান্স

* প্রতিপক্ষ চেন্নাই সুপার কিংস, ৩.৫ ওভারে ৩৯ রানের বিনিময়ে শিকার ১ উইকেট।

* প্রতিপক্ষ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, ৪ ওভারে ২৪ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট।

* প্রতিপক্ষ দিল্লি ডেয়ারডেভিলস, ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ১ উইকেট।

* প্রতিপক্ষ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু, ৪ ওভারে ৫৫ রান দিয়ে থাকেন উইকেটশূন্য।

* প্রতিপক্ষ রাজস্থান রয়্যালস, ৪ ওভারে ৩৫ রানের বিনিময়ে নেন ১ উইকেট।

* প্রতিপক্ষ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, ৩.৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ঝুলিতে ভরেন ১ উইকেট।

* প্রতিপক্ষ দিল্লী ডেয়ারডেভিলস, ৪ ওভারে ৩৪ রানে পান ১ উইকেট।

গেলোবার চ্যাম্পিয়ন হয় মুম্বাই। তবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির। মাঝপথে হঠাৎই দুর্দান্ত কামব্যাক। এরপরই পেন্ডুলামের মতো হয়ে দুলেছে তাদের শেষ চারের ভাগ্য। শেষ পর্যন্ত প্রথম রাউন্ড থেকেই বাদ পড়তে হল। ১৪ ম্যাচে ৬ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান পাচেঁ।

বিনোদন

রোহিঙ্গাদের দেখতে বাংলাদেশে বলিউড তারকা...




মাহিয়া চৌধুরী: মিয়ানমারে জাতিগত নিধনের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশের কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দেখতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে বিমানে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা করেন তিনি।

এর আগে ভোরে যুক্তরাজ্য থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় এসে একটি অভিজাত হোটেলে অবস্থান করেন প্রিয়াংকা।

সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে এ কথা জানান তিনি।

৩৫ বছর বয়সী এ তারকা জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের গুডভিল অ্যাম্বাসাডর।

এ হিসেবে প্রিয়াংকা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। গত বছর তিনি সিরিয়ায় যুদ্ধে আক্রান্ত শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

কয়েক দিন আগে এক অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের ইচ্ছার কথা জানান প্রিয়াংকা। শরণার্থীদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে এটি একটি বৈশ্বিক মানবিক সংকট, আঞ্চলিক নয়।’

ইউনিসেফের গুডভিল অ্যাম্বাসাডর প্রিয়াংকা বিভিন্ন সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত।

শনিবার যুক্তরাজ্যের রাজপরিবারের প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে মেগান মার্কলের বিয়ের অনুষ্ঠান হয়। এতে মেগানের বান্ধবী হিসেবে যোগ দেন প্রিয়াংকা। ওই অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ সফরে আসেন তিনি।

প্রিয়াংকা বলিউডের শীর্ষ নায়িকাদের অন্যতম। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হলিউডেও তিনি অভিনয় করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন।

আন্তর্জাতিক

রাজতন্ত্রের অবসান চায় ব্রিটিশরা

স্টাফ | আপডেট: ০২:৪৭, মে ২১ , ২০১৮



মারিয়া নুর: ব্রিটিশ রাজতন্ত্রের অবসান চায় দেশটির নাগরিকেরা। রাজতন্ত্রের অবসানে রীতিমতো স্বপ্ন দেখছেন তারা। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ রাজপরিবারের বিরুদ্ধে তারা প্রায়ই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

শনিবার রাজপরিবারের ইতিহাসে অনন্য এক জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে যুবরাজ প্রিন্স হ্যারি ও মার্কিন অভিনেত্রী মেগান মার্কেল বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন।

এ সময় একদিকে যেমন দেশটির অনেক নাগরিকের আবেগ-অনুভূতি রাজপরিবারের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল।

অন্যদিকে দেশটির বহু নাগরিকই তাদের দেশের রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব প্রকাশ করে। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে ইউরোপের অন্য দেশগুলোর লোকও অংশ নেয়।

বিক্ষোভের মধ্যেই আয়োজন করে রাজকীয় বিয়েবিরোধী একটি অনুষ্ঠান। এএফপি জানায়, এদিনে পুরো যুক্তরাজ্যজুড়ে অভিজাত অভিজাত দেখে মাত্র ৬০০ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। আরও কয়েক হাজার মানুষ আবেগের আতিশয্যে উইন্ডসর রাজপ্রাসাদের বাইরে দাঁড়িয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান দেখে।

হ্যারি ও মেগানের বিয়েতে শুভেচ্ছা জানিয়ে ৬০ লক্ষাধিক টুইট করেছে। ধন্যবাদ জানিয়ে এত মানুষের ভালোবাসার জবাবও দিয়েছে রাজপরিবার। তবে এর বাইরে জনগণের টাকায় অতিশয় জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যায় বেশ কিছু মানুষ।

আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবার লন্ডনের কেন্দ্রে অ্যালায়েন্স অব ইউরোপিয়ান রিপাবলিকানের ব্যানারে চারদিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান কনভেনশন নামে একটি সমাবেশে যোগ দিয়েছেন প্রায় ১৩০ জন।

সমাবেশে স্পেন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা শ্রোতাদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছেন। রাজতন্ত্রপন্থীদের তুলনায় সমাবেশের উপস্থিতি কম হলেও তার আবেগ-অনুভূতির শক্তি কোনো দিক দিয়েই কম নয়।

সমাবেশে উপস্থিত লন্ডনের অধিবাসী আইরিন পিনার বলেন, ‘ব্রিটিশ রাজতন্ত্র এলিট এলিট ভাব নিয়ে চলে। এটা কোনো দিক দিয়েই ঠিক নয়।’

তিনি বলেন, রাজপরিবার আমার-আপনার প্রতিনিধিত্ব করেন। এক সময় রানীর প্রতি আনুগত্য দেখিয়ে শপথ নেয়া সাবেক ব্রিটিশ সেনা ডেভিড হার্স্ট বলেন, এটা আসলেই সেকেলে। এ দেশের মানুষ রানীকে দেখে ভিনগ্রহের প্রাণী হিসেবে

শিক্ষা

ক্লাস বর্জন অব্যাহত, পরীক্ষা চলবে

স্টাফ | আপডেট: ০৫:২২, মে ১৯ , ২০১৮




মাহিয়া চৌধুরী: কোটা বাতিলের ঘোষণায় প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে ক্লাস বর্জন অব্যাহত রেখে পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন কোটাবিরোধী আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন।

হাসান আল মামুন বলেন, রমজান ও সেশনজটের কথা চিন্তা করে এ ধরণের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- কোটা সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদ খান, নুরুল হক নুর ও ফারুক হোসেন।

উল্লেখ্য, গত ৮ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রায় সব পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

পরদিন সচিবালয়ে দেড় ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠক করেন আন্দোলনকারীরা।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাদের অত্যন্ত সুন্দর আলোচনা হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি- আগামী ৭ মের মধ্যে সরকার বিদ্যমান কোটার বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। সেই পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত থাকবে।

এ সময় সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনও ৭ মে পর্যন্ত তাদের কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন।

এ ঘোষণার ৯ এপ্রিল রাতে আন্দোলন স্থগিত হয়ে যায়। তবে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীর এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ১০ এপ্রিল থেকে ফের আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। তারা কোটা সংস্কারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সিদ্ধান্ত দাবি করে।

পরে ১১ এপ্রিল জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কোটাপদ্ধতি বাতিল ঘোষণা করে সব চাকরিতে শতভাগ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পর দিন শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল বের করে।

এর দুই সপ্তাহ পর গত ২৬ এপ্রিল সংবাদ সম্মেলন করে কোটা বাতিলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশের দাবি জানায় আন্দোলনকারীরা। না হলে ফের আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেয় তারা।

পরদিন ২৭ এপ্রিল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

গত ২মে সরকারি বাসভবন গণভবনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে কোটা বাতিলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের ক্ষোভ থেকে সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ছাত্ররা কোটাব্যবস্থার বাতিল চেয়েছে, বাতিল করে দেয়া হয়েছে।

তবে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি বাতিল বা সংস্কারের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি নেই।

তার এ বক্তব্যের পর মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতারা।

স্বাস্থ্য

আবারও অসুস্থ হলেন আওয়ামীলীগের ৫ শতাধিক...

প্রতিনিধী | আপডেট: ০২:০৫, মে ০৪ , ২০১৮


মোঃ নাজমুল হুদা (ঝিনাইদহ) জেলা প্রতিনিধিঃ একদিনের ব্যবধানে মহেশপুরের পর এবার ঝিনাইদহের কোটচাদপুরে আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও ঝিনাইদহ-৩ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী পারভীন তালুকদার মায়ার কর্মী সমাবেশে যোগদান করে দুপুরের খাবার (বিরিয়ানি) খেয়ে ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ শতাধিক নেতাকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত কোটচাদপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে প্রায় ২১৮ জন।পাশ্ববর্তী কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বেশ কয়েকজন চিকিৎসা নিচ্ছে। বাকিরা বাড়িতে স্থানীয় গ্রাম্য চিকিৎসদের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছে। সবাই বমি, পেটে ব্যাথা ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ।  

অনুষ্ঠানের আয়োজন পারভীন তালুকদার মায়া ও তার স্বামীও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। মায়া তালুকদার অভিযোগ করেন, কেউ ষড়যন্ত্র করে খাবারে কিছু মিশিয়ে তাকে রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতে এ কাজ করেছে। মঙ্গলবার ও বুধবার মহেশপুর উপজেলায় কর্মী সমাবেশে খাবার খেয়ে প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী অসুস্থ হয়ে পড়ে।



কোটচাদপুর হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের সাথে গিয়ে কথা বলে জানা যায়, বুধবার দুপুরে পারভীন তালুকদার মায়া কোটচাদপুর শহরে একটি কর্মী সমাবেশ করেন। সেখানে ৫টি ইউনিয়নের প্রায় হাজার খানিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সকলকে প্যাকেট বিরিয়ানি দেওয়া হয়। কেউ কেউ ঐ স্থানেই বিরিয়ানি খান এবং কেউ কেউ বাড়িতে নিয়ে যান। খাবার খাওয়ার পর পরই পেটে ব্যাথা, বমি ও পায়খানা শুরু হয়। অসুস্থদের মধ্যে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছে।

কোটচাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফারহানা শারমিন জানান, বুধবার রাত ৮টার পর থেকে বৃহষ্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২১৮ জন রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে এতরোগী পা রাখার জায়গা নেই। তিনি বলেন রোগীদের সাথে কথা বলে মনে হচ্ছে ফুড পয়জেনিং এর কারনে এ সমস্যা।



ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ জানান, বুধবার মহেশপুরে শতাধিক মানুষ অসুস্থ হয়েছিল খাবার খেয়ে। বৃহষ্পতিবার আবার কোটচাদপুর আওয়ামীলীগের মনোয়ন প্রত্যাশী পারভীন তালুকদারের কর্মী সমাবেশে বিরিয়ানি খেয়ে কয়েকশ নারী-পুরুষ-শিশু অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে। তিনি ঢাকা থেকে রওনা হয়েছেন বিষয়টি জানার পর। তার নেতাকর্মীরা অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার খোজ খবর নিচ্ছেন।

পারভীন তালুকদার মায়া জানান, একই খাবার খেয়ে তিনি নিজে ও তার স্বামীও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার জনপ্রিয়তা দেখে কেউ ষড়যন্ত্র করে খাবারের সাথে পয়জেন দিতে পারে। তিনি আরো বলেন, মহেশপুরে যারা অসুস্থ হয়েছিলেন তাতে মনে করেছিলাম ঘি দিয়ে বিরিয়ানি রান্নার কারনে এ সমস্যা। কিন্তু কোটচাদপুরে যখন একই অবস্থা তখন বুঝতে পারিছি এটা একটি চক্রান্ত।তিনি জোর দাবি করেন তার জনপ্রিয়তা, মানুষের দারে দারে গিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো, তাদের ভালোবাসা অর্জন এসব অন্যদের কাছে সহ্য হচ্ছে না, তাই আমার জনপ্রিয়তার বিরুদ্ধে একটি কঠিন ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে বলে তিনি জানান।

আইটি টেক

৫০ হাজার টাকার ফোন পাবেন মন্ত্রী-সচিবরা

স্টাফ | আপডেট: ০২:৩৫, মে ২১ , ২০১৮



আনিকা চৌধুরী: সরকারি টাকায় একবার সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা দামের মোবাইল ফোন সেট কিনতে পারবেন মন্ত্রী ও সচিবরা। ওই ফোনে যে কোনো টেলিফোন অপারেটরের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অগ্রাধিকার দিতে হবে বিটিসিএলের ইন্টারনেট সংযোগকে।

এছাড়া মন্ত্রিসভার সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সিনিয়র সচিবসহ বেশ কিছু কর্মকর্তার ক্ষেত্রে মোবাইল বিলের ব্যয়সীমা থাকছে না। এমন বিধান রেখে চূড়ান্ত করা হয়েছে ‘সরকারি টেলিফোন, সেলুলার ও ইন্টারনেট নীতিমালা, ২০১৮’।

বিষয়টি অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠেয় আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে ‘হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট আইন, ২০১৮।’ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এই প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে মোবাইল সেট কেনার সুযোগ পাচ্ছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সচিবরা। তবে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করা মোবাইল ফোনের ভাতা আগেও দেয়া হতো। প্রস্তাবিত নতুন নীতিমালায় তা বাড়ানো হয়েছে।

এছাড়া প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা থেকে থানার নির্বাহী কর্মকর্তাদের সরকারি খরচে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত নীতিমালা অনুযায়ী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য, পুলিশের মহাপরিদর্শক, সচিব, অধিদফতরের প্রধান, হিসাব মহানিয়ন্ত্রক, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, বিভাগীয় কমিশনার, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার, উপপুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের জন্য টেলিফোন মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো ব্যয়সীমা থাকবে না।

অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য, প্রধান প্রকোশলীসহ দ্বিতীয় ও তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তারা প্রতি মাসে ২ হাজার ৮০০ টাকা বিল পাবেন। উপসচিব, উপদেষ্টা, বিশেষজ্ঞ, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের পিএসসহ চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তারা প্রতি মাসে ১ হাজার ৬৫০ টাকা বিল পাবেন। সরকারি টেলিফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহারের বিল কর্মকর্তাদের বেতনের সঙ্গে পরিশোধ করা হবে। তারা তা অপারেটরকে ব্যক্তিগতভাবে পরিশোধ করবেন।

ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিটিসিএল এবং টেলিটককে অগ্রাধিকার দেয়া হবে। একজন প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্টারনেট সংযোগের প্রয়োজনীয় মডেম এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় বাবদ সমগ্র চাকরি জীবনে ৪ হাজার টাকা পাবেন।

২৫ জন ব্যবহারকারী সংবলিত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাসিক সর্বোচ্চ ব্যয় ২ লাখ টাকার সীমার মধ্যে রাখতে হবে। ব্যবহারকারী ২৫ জনের কম হলে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাসিক ব্যয়সীমা আনুপাতিক হার ১ হাজার থেকে ২৫ হাজারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট আইন : গৃহায়ন ও ইমারত শিল্পের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করবে হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইন্সটিটিউট। এ আইনের অধীন প্রতিঠিত প্রতিষ্ঠানটি ইমারতের নকশা প্রণয়ন ও নির্মাণ নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি নির্মাণ উপকরণ শিল্প ও মানববসতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নানান সমস্যার কারিগরি ও বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান দেবে। এমনকি ইমারত বিষয়ে গবেষণাও প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম কাজ। এছাড়া ইমারত নির্মাণে সাশ্রয়ী ও টেকসই নতুন উপকরণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে এ ইন্সটিটিউট।

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি পরিচালনা পরিষদ গঠিত হবে। ২০ সদস্যের পরিষদ মূলত প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করবে। ইমারত নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি এ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক হবেন, যিনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী।

সাহিত্য

শিউলি আক্তার শিলার গল্প রিক্সাওয়ালার...

স্টাফ | আপডেট: ০৪:৫৭, মে ২১ , ২০১৮


রিক্সাওয়ালার ম্যারিজ ডে
শিউলি আক্তার শিলা

রিক্সা চালাই। বিয়ে করেছিলাম
আজ থেকে এক বছর আগে।আমার মতই এক
গরীবের মেয়েকে বউ করে এনেছিলাম আমি।
,
অভাবের সংসারটা খুব সুন্দর করে সাজিয়ে
নিয়েছিলো ও।বুঝতে পারি বউ আমায় খুব ভালবাসে।
আমি যখন রিকশা নিয়ে বাড়ি ফিরি,ও আমার জন্য
গোছলের পানি তুলে দেয়।মাঝেমাঝে আমিও
অবশ্য তুলে দেই।
বাড়িতে কারেন্ট নাই,খেতে বসলে ও পাখা দিয়ে
বাতাস করে।
গরমের রাতে দুজনে অদল বদল করে পাখা দিয়ে
বাতাস করি,ভবিষ্যৎটাকে সাজানোর গল্প করি দুজনে।
গল্প করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে যেতাম
বুঝতে পারতামনা।
,
রিক্সায় বড়বড় সাহেবরা তাদের বউকে নিয়ে উঠত।
দুজনে মিলে অনেক গল্প করত।
সাহেবদের কাছে শুনতাম তারা যেদিন বিয়ে
করেছে সেদিন আসলে তারা নাকি অনুষ্ঠান, পার্টি না
কি জানি করে ।এই সব আমার জানা নেই।
যখন শুনতাম আমারো ইচ্ছে করত বউকে একটা
শাড়ী কিনে দিতে।বউকে যে খুব ভালবাসি আমি।
কিন্তু পারিনা।অভাবের সংসার, দিন আনি দিন
খাই।তাই একটা মাটির ব্যাংক কিনেছিলাম।ওটাতে রোজ
দু'চার টাকা করে
ফেলতাম।
,
দেখতে দেখতে অভাবের সংসারে আজ একটা
বছর পার হয়েগেল।
আজ সকালে
রিক্সা নিয়ে বের হবার আগে বউ যখন রান্না ঘরে
গেল তখন বউকে না জানিয়ে লুকিয়ে রাখা মাটির
ব্যাংকটা বের করে ভেঙ্গে দেখলাম সেখানে
প্রায় ৪৮০ টাকা হয়েছে।
বাসা থেকে বের হবার আগে বউকে বলেছিলাম,
আজ বাড়িতে ফিরতে দেরী হবে।
বউ মাথা নাড়ে,বলে সাবধানে থাকবেন।
চলেগেলাম রিকশা নিয়ে।
সারাদিন রিক্সা চালিয়ে সন্ধ্যা সাতটায় মার্কেটে
গিয়েছিলাম
বউয়ের জন্যে একটা শাড়ী কেনার জন্য।
আজরাতে বউকে দিব বলে।
,
ঘুরে ঘুরে অনেক শাড়ীই দেখছিলাম,পছন্দ হয়
কিন্তু দামের জন্য বলতে পারিনা।
অবশেষে দোকানীকে বললাম,
--ভাই এই কাপড়টার দাম কত?
--১৫০০ টাকা।
আমার কাছে তো আছে মাত্র ৪৮০ টাকা।তাই ফিরে
আসলাম। মার্কেট থেকে বের হয়ে
বাহিরে বসে থাকা দোকানদারদের থেকে ৫০০
টাকায় একটা শাড়ী কিনে নিয়ে বাড়িতে চলে আসি।
মাঝেমধ্যে ভাবি,এই দোকান গুলো যদি না
থাকত,তাহলে কত কষ্ট হত আমাদের মত গরিবদের।
ফুরফুরে মেজাজে বাড়িতে ঢুকলাম।
অনেকদিন পর বউকে কিছু একটা দিতে
পারব,ভাবতেই বুকটা খুশিতে ভরে উঠছে বারবার।
,
রাতে খেয়ে ঘুমিয়ে পরার ভান করে শুয়ে আছি।
বারটা বাজার
অপেক্ষায় চোখ বন্ধ করে আছি।
কল্পনার জগতে ভাসছিলাম,বউকে দেবার পর
বউ কি বলবে?কতটা খুশি হবে?
__
রাত বারটা বেজে গেল।বউকে ডেকে
তুললাম।
ডেকে তুলে বউয়ের হাতে
শাড়ীটা তুলে দিয়ে
বললাম, বউ আজ আমাদের বিবাহ বার্ষিকী।আজকের
তারিখে তুমি আমার এই কুড়ে ঘরটাতে এসেছিলে।
আমার পক্ষথেকে তোমার জন্য এই ছোট্ট
উপহার।
বউ শাড়িটা বুকে জড়ায়,চোখ দিয়ে পানি ঝরতে
থাকে ওর।
তারপর উঠে গিয়ে ট্রাঙ্কটা খুলে শাড়িটা রেখে
দেয়।
তারপর কি যেন বের
করে।
আমি উকি মেরে দেখার চেষ্টা করেও দেখতে
পাইনা।
বউ ট্রাঙ্কটা বন্ধ করে আমার হাতে
একটা লুঙ্গি দিল।কিছুটা অবাক হয়ে গেলাম আমি। কারন
টাকা পেল কোথায়? জিজ্ঞাসা করলাম,
--টাকা পেলে কোথায় তুমি?
--অনেকদিন আগে থেকে প্রত্যেকদিন একমুঠ
করে চাল খাবারের চাল থেকে আলাদা করে
জমিয়ে রাখতাম।জমিয়ে জমিয়ে কিছুদিন আগে
পাশের বাসার ভাবির কাছে বিক্রি করে দিছি।সেই টাকা
দিয়ে লুঙ্গি কিনছি।ভাবছিলাম আজকে দিব, আপনি তো
এসেই ঘুমিয়ে পরলেন।তাই ঠিক করছিলাম কাল
সকালে দিবো।
আমি কিছু বলতে পারলামনা।শুধু লুঙ্গিটা
উল্টিয়েপাল্টিয়ে
দেখছিলাম।
তারপর বললাম,শুনছি বড় সাহেবরা নাকি বিয়ের দিন
তারিখে কেক কাটে।
বউ বলে,আমাদের কি অত টাকা আছে?
--বাসায় মুড়ি আছে।
--আছে।
--যাও সরিষার তেল দিয়ে মুড়ি নিয়ে এসো।সাথে
একটা কাঁচামরিচ
আর একটা পিয়াজ আনিও।
--আচ্ছা দাড়ান আনতেছি।
টিনের ফাক আর জানালা দিয়ে চাঁদের আলো
আসতেছে।দুজন জানালার পাশে বসে মুড়ি খাচ্ছি,
আমাদের প্রথম বিবাহ বার্ষিকী পালন করছি

ফিচার

পেনশনের টাকা তুলতেই মৃত মাকে ফ্রিজে রাখত...

স্টাফ | আপডেট: ০২:২২, মে ২১ , ২০১৮




চন্দ্রিমা শুক্তা: মায়ের মৃতদেহ ফ্রিজে রেখে তার নামে নিয়মিত পেনশনের টাকা গবেষণার খরচ জোগাতেন ছেলে।

অভিযুক্ত ছেলেকে আদালতের নির্দেশে মানসিক চিকিৎসা দেয়ার পর তিনি এ কথা স্বীকার করেন। তিনি মৃত মাকে ফ্রিজে রেখে তার অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত টাকা তুলতেন।

শুভব্রত মজুমদার নামে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের রাজধানী কলকাতার জেমস লং সরণির বাসিন্দা।

তিনি জানান, পেনশনের টাকায় গবেষণার খরচ চালাতে মৃত মায়ের মৃতদেহ ফ্রিজে রাখেন তিনি।

এ ঘটনা জানাজানির পর তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করেছিলেন, কেন এবং কীভাবে মায়ের পেনশনের টাকা তুলতেন শুভব্রত। তখন এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়নি।

এ অবস্থায় আদালতের নির্দেশে পাভলভ মানসিক হাসপাতালে পাঠানো জয় শুভব্রতকে। সেখানে চিকিৎসকদের কাছে সত্য তুলে ধরেন তিনি।

হাসপাতালের সুপার গণেশ প্রসাদ জানান, প্রথম দিকে কথা বলতেন না শুভব্রত। নিজেকে আলাদা রাখতেন সবার কাছ থেকে। কোনো প্রশ্ন করলে পাল্টা প্রশ্ন করে বিষয়টি এড়িয়ে যেতেন।

তবে কয়েক দিন পর থেকেই তিনি গল্প করার লোক খুঁজতেন। সেই সুযোগই কাজে লাগান চিকিৎসক এবং তার জন্য তৈরি মেডিকেল বোর্ডের সদস্যেরা।

মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানান, শুভব্রত বলেছেন ফ্রিজে মাকে রাখার ঘটনা জানাজানি হওয়ায় তার দীর্ঘদিনের গবেষণার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে।

মূল বিষয়টি কেউ বোঝার চেষ্টা করল না বলেও তিনি আক্ষেপ করেছেন। বিদেশের একাধিক জায়গায় কীভাবে এবং কী পদ্ধতিতে গবেষণা চলছে, সেসব নিয়ে গল্প করেন তিনি।

হাসপাতাল সুপারের কথায়, আমরা বারবার জানতে চেয়েছিলাম যে, কেন তিনি আইন ভেঙে মায়ের পেনশনের টাকা তুলেছেন?

এ বিষয়ে প্রথম দিকে মুখ বন্ধ রাখলেও পরে শুভব্রত দাবি করেন, তিনি কোনো অসৎ উদ্দেশে টাকা তুলেননি। গবেষণার প্রয়োজনীয় বই, সরঞ্জাম কেনার পাশাপাশি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা গোপন রাখতেই তিনি পেনশনের টাকা তুলেছেন।

তবে কীভাবে তিনি ওই টাকা তুলেছেন, তা জানাননি শুভব্রত। সে বিষয়ে কেউ তাকে সাহায্য করেছেন কিনা, সে বিষয়েও তিনি চুপ রয়েছেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, শুভব্রত বাথরুমে ঢুকলে দুই ঘণ্টার আগে বের হতেন না। দরজায় বারবার ধাক্কা দিয়ে তাকে বের করতে হতো।

হাসপাতালের সুপারের কথায়, উনি বাথরুমে ঢুকলেই আমাদের চিন্তা বেড়ে যেত। খুব সতর্কভাবে নজর রাখতাম।

বিজিএমইএ'র কাছে মুচলেকা চেয়েছে আপিল বিভাগ
জনসভায় আপত্তি নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
পাকিস্তানের টালবাহানা বাংলাদেশ ফেরত পায়নি ৩৫ হাজার কোটি টাকা
সাত বছরে বিচারিক আদালতে বেড়েছে সাজার হার তিনগুণ
দেশে নিরাপদ পানি নিশ্চিত করার আহ্বান জানালেন: প্রধানমন্ত্রী
পাসপোর্ট প্রবাসীদের প্রাণ আর সেই পাসপোর্ট নিয়ে ভোগান্তি
রকমারি

ইফতারে আলুর স্লাইজ চপ

স্টাফ | আপডেট: ০৫:৩৬, মে ১৯ , ২০১৮



রোজায় ইফতারে থাকে নানা আয়োজন।ইফতারে ছোলা, খেজুর, জিলাপি ও বিভিন্ন ধরনের ফল, প্রতিদিনই খেয়ে থাকি। এছাড়া পিঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপ তো থাকেই, আর থাকে ভিন্ন ভিন্ন পদ।

তবে বাইরের খাবারের চেয়ে ঘরের খাবার বেশি স্বাস্থ্যসম্মত। তাই রোজায় বাইরের খাবার না খেয়ে ঘরেই তৈরি করতে পারেন পছন্দের নানা পদ।ঘরের খাবার খেয়ে সুস্থভাবে রোজা পালন করুন।

ইফতারে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে আলুর চপ একটি নিয়মিত খাবার। কমবেশি সবাই আমরা এই খাবারটি খেয়ে থাকি।

ইফতার রেসিপিতে যুগান্তর পাঠকদের জন্য থাকছে আলুর স্লাইজ চপ। এটি আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের মুসলিমদের ইফতারের আয়জনে থাকে।

আসুন দেখে নেই কীভাবে বানাবেন মজাদার আলুর স্লাইজ চপ।

উপকরণ

বড় সাইজের আলু - দুইটি, বেসন – এক কাপ, চালের গুঁড়া – এক কাপ, মরিচ গুঁড়া – এক চা চামচ, হলুদ গুঁড়া – এক চিমটি, ডিম – একটি, লবণ – স্বাদ মত।

পুদিনা পাতা কুচি – আধা কাপ, পানি –এক কাপ, খাবার সোডা – তিন আঙ্গুলের এক চিমটি , সিয়াবিন তেল - ডুবো তেলে ভাজার জন্য।

যেভাবে তৈরি করবেন

আলু ভালো করে ধুয়ে খোসা ছাড়িয়ে নিন। গোল পাতলা করে কেটে নিন। (মেশিন বা হাতে কাটতে পারেন ইচ্ছানুযায়ী )

একটি পাত্রে বেসন, চালের গুঁড়ো , মরিচ গুঁড়ো , হলুদ গুঁড়ো, লবণ, পুদিনা পাতা, খাবার সোডা, ডিম এক সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার এতে পানি দিন । মিশ্রণটি যেন পাতলা না হয়, একটু ঘন হবে।

চুলায় ফ্রাই প্যান চাপিয়ে চুলার আঁচ মাঝারি রাখুন। পাত্রটি গরম হলে এতে তেল দিন ভাজার জন্য। পাত্র অনুযায়ী তেল দিবেন যেন ডুবো তেলে আলুর স্লাইজ ভাজা হয়।
এবারে আলু বেসনের মধ্যে চুবিয়ে নিন ।

ভালো করে এপিঠ ওপিঠ মেখে তেলে আস্তে করে ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ভাজুন। অল্প আঁচে না ভাজলে ভেতরের আলু কাঁচা থেকে যাবে।

হালকা বাদামী করে ভেজে তুলে টিস্যুর ওপর তুলে রাখুন। ব্যাস তৈরি হয়ে যাবে মজারদার আলুর স্লাইজ চপ। পরিবেশন করুন ইফতারে।