সর্বশেষ

বেতাগী যুব রাজনীতির আরেক নাম এস এইচ এম দিদারুল ইসলাম দিদার

  বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের বিপ্লবী সাধারণ.সম্পাদক এস এইচ.এম দিদারুল ইসলাম (দিদার) বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগের অন্যতম মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন সংগঠক,বেতাগীর তরুন সমাজের অহংকার,দূর সময়ে রাজপথের কান্ডারী,মুজিব আদর্শের লড়াকু সৈনিক,বিএনপি জামাতের আতংক,বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এস.....

চ্ট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

চ্ট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা আজ ১৫ অক্টোবর,রোজ রবিবার চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ৫১.....

জিয়ার আমল থেকে বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছিল : প্রধানমন্ত্রী

   জিয়ার আমল থেকে বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপ শুরু হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।শনিবার সন্ধ্যায় তিনি.....

প্রতিপক্ষকে আসামি করে ২মামলা,গ্রেফতার ৩

   ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় পুলিশ ও ভুক্তভোগীর দায়ের করা দুটি.....

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য হতাশাজনক: হানিফ

    প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, প্রধান বিচারপতির বক্তব্য হতাশাজনক। ছুটি চেয়ে তার.....

আইনমন্ত্রীকে সন্ধ্যায় গণভবনে ডাকা হয়েছে : ওবায়দুল কাদের

   আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আজ শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গণভবনে দলের কেন্দ্রীয়.....

দেশে ফিরে প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ সুদূর পরাহত : অ্যাটর্নি জেনারেল (ভিডিও)

    সারোয়ার জাহান : বাস্তব অবস্থা বিচার করলে প্রধান বিচারপতি ফিরে এসে দায়িত্ব গ্রহণ করা সুদূর পরাহত বলে জানিয়েছেন, অ্যাটর্নি.....

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে ১১ অভিযোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে একই বেঞ্চে বসতে চাননি আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি।.....

ইসির ওপর আস্থা আছে বলেই সংলাপে বসছে বিএনপি

    নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা আছে বলেই বিএনপি সংলাপে বসছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম.....

উন্নয়নের জোয়ারে মানুষ এখন আ.লীগে বিশ্বাসী : পরিকল্পনামন্ত্রী

   আওয়ামীলীগ সরকারের নৌকার উপর ভর করেই বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে। দেশের উন্নয়নের জোয়ারে মানুষ এখন শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগে.....

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সত্ত্বেও সচিবালয়ের প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের ৯ম গ্রেডে উন্নীত হয়নি, ক্ষোভ

   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা সত্ত্বে সচিবালয়ে কর্মরত প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের ৯ম গ্রেডে উন্নীত হয়নি, এ.....

  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত

অবশেষে রানার বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বাধা দিলে পাল্টা জবাব- খালেদা

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

'নক্ষত্র'-এ ই-শপিং

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

জাতীয়

চ্ট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি...

প্রতিনিধী | আপডেট: ০৮:২৫, অক্টোবর ১৫ , ২০১৭

চ্ট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা আজ ১৫ অক্টোবর,রোজ রবিবার চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।কমিটি তে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বোয়ালখালী পৌরসভা"র কধুরখীল ওয়ার্ড এর এস এম বোরহান উদ্দিন।

তিনি চট্টগ্রাম কলেজ এর অর্থনীতি তে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম এর বঙ্গবন্ধু ল টেম্পল এ আইন বিষয়ে অধ্যয়নরত।কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন আনোয়ারা উপজেলার বরুমছড়া ইউনিয়ন এর আবু তাহের।তিনি বর্তমানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এ সমাজবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত।

এদিকে চট্টগ্রাম এ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের আন্দরকিল্লাস্থ পার্টি অফিসে কর্মীসমাগম ঘটে,তারা কেন্দ্রীয় কমিটি কে ধন্যবাদ জানান।তারা আশা প্রকাশ করেন দক্ষিণের রাজনীতি তে সুদিন ফিরে আসবে।এই প্রতিবেদক নব-নির্বাচিত সভাপতি,সাধারণ -সম্পাদক সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা সকল প্রকার গ্রুফিং এর উর্ধ্বে থেকে সবাই কে নিয়ে বঙ্গবন্ধু'র সোনার বাংলা বিনির্মাণে একসাথে কাজ করবেন।তারা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিকে তাদের নির্বাচিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
 

অর্থনীতি

৭ ব্যাংককে আর্থিক জরিমানা করেছে...

 

 কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথ্য গোপন করে আইনি সীমার বেশি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করায় একটি সরকারি ও ছয়টি বেসরকারি ব্যাংককে আর্থিক জরিমানা করেছে। এছাড়াও আরও ২২টি ব্যাংক রয়েছে কঠোর নজরদারির আওতায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকিতে ধরা পড়েছে এ অনিয়মের বিষয়টি । সংশ্নিষ্ট সূত্রে মতে এই তথ্য জানা যায়।

সূত্র বলছে, এই ৭ ব্যাংকের ছাড়াও আরও ৮টি ব্যাংকের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের ব্যাপারে বিশেষ পরিদর্শন চালিয়ে বেশ কিছু অনিয়ম পেয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।ইতিমধ্যে তাদেরও জরিমানার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
এ ছাড়া সন্দেহমূলক লেনদেন পরিলক্ষিত হওয়ায় আরও সাতটি ব্যাংকের বিনিয়োগ যাচাই করে দেখা হচ্ছে। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কঠোর তদারকির আওতায় নিয়েছে ২২টি ব্যাংককে। অপরাধের ধরন অনুযায়ী তাদের ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, অপরাধের ধরন অনুযায়ী সাতটি ব্যাংককে নিয়ম অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনা, ভুল তথ্য দেওয়া থেকে বিরত ও যেসব ব্যাংকের অতিরিক্ত বিনিয়োগ রয়েছে, তাদের নতুন করে বিনিয়োগ না করতেও নির্দেশনা দেয়া হয়।

নিয়ম অনুযায়ী, একসময় যে কোনো ব্যাংক আমানতে তার মোট দায়ের ১০ শতাংশ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারত। তবে ২০১৩ সালে সংশোধিত ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, একটি ব্যাংক তার আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম হিসেবে রক্ষিত স্থিতি, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংসের ২৫ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সহযোগী কোম্পানিসহ শেয়ারবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ সীমা নির্ধারণ করে আলাদা একটি পরিপত্র দেয়।

সম্বলিত পদ্ধতিতে আদায়কৃত মূলধন, শেয়ার প্রিমিয়াম স্থিতি, সংবিধিবদ্ধ সঞ্চিতি ও রিটেইন্ড আর্নিংসের ৫০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে না বলে উল্লেখ করা হয়।

২০১৩ সালে ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধনের পর ৩৬টি ব্যাংকের বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে। ওই আইনে বাড়তি বিনিয়োগ সমন্বয়ের জন্য তিন বছর সময় দেয়া হয়েছিল। গত ২১ জুলাইয়ের মধ্যে সে অনুযায়ী অতিরিক্ত বিনিয়োগ সমন্বয় করার কথা। নির্ধারিত সময়ে বেশির ভাগ ব্যাংকের বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনলেও ১৩টি ব্যাংক নামাতে ব্যর্থ হয়। আইন সংশোধনের দাবি ওঠে তখন । তবে বাংলাদেশ ব্যাংক তা না করে গত বছর এসব ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের ঋণ মূলধন হিসেবে দেখানোর সুযোগ দিয়ে অতিরিক্ত বিনিয়োগ নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনার সুযোগ দেয়। তথ্য গোপন করে পরে আবার অনেক ব্যাংক শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করায় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করে যায়। এতে জরিমানার মুখোমুখি হতে হয় ব্যাংকগুলোকে।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ (১১) ধারা মোতাবেক, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা লঙ্ঘন করলে অন্য ব্যাংকগুলোকে সর্বনিম্ন ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রয়েছে। আর লঙ্ঘন যদি অব্যাহত থাকে প্রথম দিনের পর থেকে প্রতিদিনের জন্য সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার নিয়ম রয়েছে।

রাজনীতি

ছিনতাই মামলায় ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করায়...

| আপডেট: ১০:৪৮, জুন ১২ , ২০১৭



গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীতে বিকাশের টাকা ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ সভাপতিকে আটক করায় টঙ্গী শিল্পাঞ্চল পুলিশের ১৫ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

টঙ্গী কলেজ গেটে রোববার অস্ত্রের মুখে আনসার ও শিল্প পুলিশের সদস্যদের চ্যালেঞ্জ করে ওই ছিনতাই চেষ্টার ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মঞ্জুর ও আমিনুল ইসলাম ইয়াসিন নামের অপর ছাত্রকে আটক করে শিল্প পুলিশের সদস্যরা।

পরে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা টঙ্গী কলেজ গেটে শিল্প পুলিশের ব্যারাক ঘেরাও দিয়ে বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধ  করে। ফলে ছাত্রলীগ নেতা কাজী মঞ্জুরকে ছেড়ে দেয়া হয়।

টঙ্গী মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, বিকাশের টাকা বহনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসারদের পক্ষ থেকে আটক আমিনুল ইসলাম ইয়াসিনকে একমাত্র এজাহারভুক্ত আসামি ও তার অজ্ঞাত সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দেয়া হয়েছে।পালিয়ে যাওয়া ছিনতাইকারীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

টঙ্গী শিল্পাঞ্চল পুলিশের ইনচার্জ আবু রায়হান সোহেল তার ক্যাম্পের ১৫ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে রোববার রাতেই টঙ্গী শিল্প পুলিশের ১৫ সদস্যকে আপাতত প্রত্যাহার করেছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

তিনি আরও বলেন, ছিনতাই ঘটনায় শিল্প পুলিশ ও ছাত্রলীগের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্তের পর দোষ প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সারাদেশ

বেতাগী যুব রাজনীতির আরেক নাম এস এইচ এম...

 

বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের বিপ্লবী সাধারণ.সম্পাদক এস এইচ.এম দিদারুল ইসলাম (দিদার) বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগের অন্যতম মেধাবী ও পরিচ্ছন্ন সংগঠক,বেতাগীর তরুন সমাজের অহংকার,দূর সময়ে রাজপথের কান্ডারী,মুজিব আদর্শের লড়াকু সৈনিক,বিএনপি জামাতের আতংক,বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এস এইচ এম দিদারুল ইসলাম দিদারের রাজনীতির পথ চলা শুরু হয়।

তিনি একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান,তার বাবা বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন,দিদারুল ইসলাম দিদারের আপন ছোট ভাইও ,রাঙ্গুনিয়ার অন্তর্গত সৈয়দা সেলিনা কাদের ডিগ্রী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৯৮ সালের রোটারী বেতাগী ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ শ্রেনীর পড়ুয়া অবস্থাই বেতাগী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন,২০০৪ সালে,বিএনপি জামাতের শত অত্যাচারের মাঝে ও বেতাগী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেন,বিএনপি জামাত জোট সরকারের আমলে ২-৪টার মিথ্যা মামলা হামলা ও নির্যাতনের শিকার হন,২০১৩ সালের বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন,২০১৬ সালের ১৮ই নভেম্বর বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগের নব গঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন,সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগকে সু-সংগঠিত করার লক্ষে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

দলীয় মিছিল,মিটিং,আন্দোলন,সভা সেমিনারে সব সময় উপস্থিত হন,বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে শুরু করে ১ থেকে ৯ নং ওয়ার্ড যু্বলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়,রাঙ্গুনিয়ার ১৫টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভা মধ্যে বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগ একটি শক্তিশালী ইউনিট হিসেবে ইতি মধ্যে পরিচিত লাভ করেছে।

বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগ রাঙ্গুনিয়া যুব রাজনীতির অহংকার ম্যাজিশিয়ান লিডার যুব সমাজের আইকন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী যু্বলীগের সংগ্রামী সভাপতি শামসু দ্দোহা শিকদার আরজু ভাইয়ের নেতৃত্বে বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামী যু্বলীগ ঐক্যবদ্ধ।

বেতাগী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সকলের কাছে একটি প্রিয় মূখ বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের অন্যতম যুবনেতা এস এইচ দিদারুল ইসলাম দিদার আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙ্গুনিয়ার ৭ আসন থেকে রাঙ্গুনিয়ার সূর্য সন্তান,রাঙ্গুনিয়ার মাঠি ও মানুষের অভিসংবাদিত নেতা,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক,সাবেক সফল মন্ত্রী,দলের মুখ পাত্র জননন্দিত জননেতা ড.হাসান মাহমুদ,(এমপি)মহোদয়কে জয়যুক্ত করার জন্য দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন বেতাগী ইউনিয়ন সাবেক ছাত্র নেতা বেতাগী ইউনিয়ন যু্বলীগের সফল সাধারণ সম্পাদক এস.এইচ.এম দিদারুল ইসলা

খেলাধুলা

মেসির প্রশংসা একদমই সহ্য হচ্ছে না...

স্টাফ | আপডেট: ১১:২৪, অক্টোবর ১৩ , ২০১৭

 

 

স্পোর্টস ডেস্ক: লিওনেল মেসি, লিওনেল মেসি, আর্জেন্টাইন জাদুকরের বন্দনা যেন থামছেই না। আলোচনা তো হবেই। দল যখন বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব থেকে বাদ পড়ার শংকায়, মেসি কি খেলাটাই না দেখালেন! ইকুয়েডরের বিপক্ষে দারুণ এক হ্যাটট্রিকে বলতে গেলে একাই বিশ্বকাপের টিকিট কেটে দিলেন আর্জেন্টিনাকে।

চারদিকে এখন তাই মেসিকে নিয়েই সব আলোচনা। অথচ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোও দলের জন্য কম করেননি। বাছাইপর্বে ইউরোপের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। তার পারফম্যান্সে ভর করে পর্তুগালও নাম লিখিয়েছে বিশ্বকাপে। কিন্তু রিয়াল তারকাকে নিয়ে মাতামাতিটা হচ্ছে কই?
বিষয়টি নিয়ে নাকি বেশ ক্ষিপ্ত রোনালদো। ফুটবল বিশ্বে তার অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বি মেসি, তাকে নিয়ে এত নাচানাচি হলে রাগ তো লাগতেই পারে! স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘দিয়ারিও গোল’ দাবি করছে, রোনালদো নাকি মেসি বন্দনা একদমই সহ্য করতে পারছেন না। সবাই যেন জোর করেই মেসির হাতে বিশ্বকাপটা তুলে দিতে চাইছে, এখন ব্যাপারটা এমনই মনে হচ্ছে পর্তুগীজ যুবরাজের।

ইকুয়েডর ম্যাচের পর আর্জেন্টিনা কোচ হোর্হে সাম্পাওলি বলেছিলেন, মেসির কাছে আর্জেন্টিনার নয়, ফুটবলের কাছেই একটি বিশ্বকাপ পাওনা মেসির। একটি দলের কোচ এমন কথা বলতেই পারেন।

কিন্তু খোদ ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও যখন মেসি বন্দনায় মাতেন। রোনালদোর মন খারাপ তো হবারই কথা। ফিফা প্রেসিডেন্ট মেসিকে নিয়ে বলেন, ‘মেসি এখনো বিশ্বকাপ জেতেনি। এ যুগের ফুটবলের অন্যতম প্রধান ও পরিপূর্ণ খেলোয়াড়। বিশ্বকাপ না জিতে তার অবসর নেওয়াটা ন্যায্য হবে না।’

এটা কোনো কথা! রোনালদোও তো চারবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, আরও একবার জেতার অপেক্ষায়। তার পারফম্যান্সকে কেউ মূল্যায়ন করছে না, আর বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব পেরিয়ে দেয়াতেই মেসিকে নিয়ে শোর শুরু হয়ে গেল? রোনালদোর কাছে যেটা মনে হচ্ছে একটু বাড়াবাড়িই।
বোঝাই যাচ্ছে, ব্যালন ডি’অর কিংবা অন্য কোনো মঞ্চে দাঁড়িয়ে যতই কুশল বিনিময় করেন, বিশ্ব ফুটবলের সেরা দুই তারকার মধ্যে শীতল একটা লড়াই সবসময়ই চলে! এএফপি

বিনোদন

অমিতাভকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানালেন...

 

, কলকাতা থেকে : বয়সকে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে বলিউডের বিগবি পা দিলেন ৭৫বছর বয়সে ৷ বুধবার সকাল সকাল অমিতাভ বচ্চনকে ট্যুইটারে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৷

অন্যদিকে ট্যুইট করেছেন রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ ৷ ট্যুইটে তিনি লিখলেন, ‘অমিতাভ বচ্চনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ৷ তিনি শুধুই সিনেমার আইকন নন, সমাজের নানা স্তরেও তাঁর অবদান রয়েছে ৷’

নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে লিখলেন, ‘অমিতজি আপনার জন্মদিনে আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই ৷ আপনার বহুমুখি প্রতিভা ও আপনার ভদ্র স্বভাব আপনার প্রতি আমাকে অনুরাগী করে তুলেছে ৷ আপনার লম্বা আয়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি ৷’

ভারতীয় সিনেমায় অবদানের জন্য ২০১৫ সালে তাঁকে পদ্ম বিভূষণ সম্মানও প্রদান করা হয়? শুধু তাই নয় ফ্রান্সের তরফ থেকে ২০০৭ সালে নাইট অফ দ্য লন্ডন সম্মানও দেওয়া হয় ৷

৭৫ বছর বয়সেও বলিউডের এই প্রজন্মের হিরোদের সঙ্গে বক্স অফিসে টক্কর দেন অমিতাভ ৷ সম্প্রতি অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘পিঙ্ক’ ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন অমিতাভ বচ্চন ৷

আন্তর্জাতিক

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে...

স্টাফ | আপডেট: ১১:১২, অক্টোবর ১৩ , ২০১৭

 

রাখাইন থেকে পালিয়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি।

বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে এসব কথা বলা হয়েছে। ওই বিবৃতির ইংরেজি সংস্করণ রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার কার্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে থাকা মানুষদের ফিরিয়ে আনতে আমরা ঢাকা’র সঙ্গে আলোচনা করছি। আমাদের স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত দুই বার এই বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। সফল অতীতের উপর ভিত্তি করে আমরা তৃতীয়বারের মতো আলোচনা করছি।

সু চি বলেছেন, ‘আপনারা সবাই জানেন রাখাইন ইস্যুতে বিশ্বের মনোযোগ ছিল ব্যাপক। গত বছর অক্টোবরে পুলিশ ফাঁড়িতে সন্ত্রাসী হামলার মধ্য দিয়ে যার শুরু। চলতি বছর আগস্টে আবারও একই ধরনের হামলা ঘটেছে। এই হামলার পর থেকে সংশ্লিষ্ট একাধিক সমস্যার জন্ম হয়েছে। আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। আমাদের আন্তর্জাতিক মত বুঝতে হবে। যদিও, কারও পক্ষেই আমাদের দেশের পরিস্থিতি বুঝতে পারা সম্ভব নয়। আমাদের দেশের শান্তি ও উন্নয়ন আমাদের চেয়ে কেউ বেশি চাইতে পারে না। তাই এ সব সমস্যা আমাদের একতার শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে।’

বিবৃতিতে সু চি প্রতিবেদনটিতে সু চি বলেছেন, আপনারা সবাই জানেন রাখাইন ইস্যুতে বিশ্বের বিশাল মনোযোগ ছিল। গত বছর অক্টোবরে পুলিশ ফাঁড়িতে সন্ত্রাসী হামলার মধ্য দিয়ে যার শুরু। চলতি বছর আগস্টে আবারও একই ধরনের হামলা ঘটেছে। এই হামলার পর থেকে সংশ্লিষ্ট একাধিক সমস্যার জন্ম হয়েছে। আমাদের দেশের বিরুদ্ধে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। আমাদের আন্তর্জাতিক মত বুঝতে হবে। যদিও, কারও পক্ষেই আমাদের দেশের পরিস্থিতি বুঝতে পারা সম্ভব নয়। আমাদের দেশের শান্তি ও উন্নয়ন আমাদের চেয়ে কেউ বেশি চাইতে পারে না। তাই এ সব সমস্যা আমাদের একতার শক্তি দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে।

বিবৃতিতে সু চি আরও বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের দেশের উচিত যা করা প্রয়োজন তা চালিয়ে যাওয়া। অধিকন্তু তা করতে হবে সঠিক, সাহসিকতা ও কার্যকরভাবে। উন্নতি ও সফলতা অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত আমরা যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা বাস্তবায়ন করে যাব। সমালোচনা ও অভিযোগের জবাব কথায় না দিয়ে আমাদের পদক্ষেপ ও কাজ দিয়ে বিশ্বকে দেখিয়ে দেব।’

রাখাইনে করণীয় বিষয়ে সু চি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে আমাদের অনেক কিছুই করতে হবে। আমরা যদি করণীয় বিষয়গুলোর তালিকা করি ও অগ্রাধিকার ঠিক করি তাহলে তিনটি প্রধান করণীয় সামনে আসে। সেগুলো হলো-

প্রথমত, বাংলাদেশে যারা চলে গিয়েছে তাদের প্রত্যাবাসন ও কার্যকরভাবে তাদের মানবিক সহায়তা দেওয়া।

দ্বিতীয়ত, পুনরায় স্থানান্তর ও পুনর্বাসন।

তৃতীয়ত, অঞ্চলটির উন্নয়ন ও স্থিতিশীল শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।’

সু চি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা মানুষদের পুনর্বাসন নিয়ে শুধু আমাদের কাজ করলে হবে না। রাখাইনের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীসহ রাখাইন ও হিন্দুদের জন্যও কাজ করতে হবে। তারা যাতে স্বাভাবিক হয় তা আমরা নিশ্চিত করব। তাদের জীবন উন্নত করতে আমরা দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কর্মসূচি গ্রহণ করব। অঞ্চলটির উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও আসন্ন দিনগুলোতে সংঘর্ষ এড়াতে স্থায়ী শান্তি স্থাপনের জন্য কাজ করব।’

বিবৃতিতে সু চি এবারও বাংলাদেশে পালিয়ে আসা মানুষদের রোহিঙ্গা বলে আখ্যায়িত করেননি। জাতিসংঘের জাতিগত নিধনযজ্ঞের অভিযোগের বিষয়েও কিছু উল্লেখ করেননি। এমনকি রাখাইনে সেনাবাহিনীর অভিযানে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষণের অভিযোগের বিষয়েও কোনও কথা বলেননি তিনি।

২৫ আগস্ট থেকে রাখাইনে সেনা অভিযানের মুখে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে আসার বিষয়ে দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর ১৯ সেপ্টেম্বর ভাষণ দিয়েছিলেন সু চি। ওই ভাষণে ৩০টি পুলিশ চেকপোস্ট আর একটি রেজিমেন্টাল হেড কোয়ার্টারে সন্ত্রাসী হামলার জন্য রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি এবং এর সমর্থকদের দায়ী করে আইনের আওতায় নেওয়ার হুমকি দেন। সেই বক্তব্যের সমালোচনায় অ্যামনেস্টি বলেছিল, বালুতে মুখ গুঁজে আছেন তিনি। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তার বিরুদ্ধে এনেছিল সেনাবাহিনীর দমনপীড়ন আড়ালের অভিযোগ।

১৯ সেপ্টেম্বর দেওয়া ভাষণে সু চি দাবি করেছিলেন, রাখাইনে সেনা অভিযান শেষ হয়ে গেছে। সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও রোহিঙ্গাদের নিয়ে কিছু বলেননি। শুধু জানিয়েছিলেন, কেন বাংলাদেশে মুসলমানরা পালিয়ে যাচ্ছে তা অনুসন্ধান করতে হবে।

শিক্ষা

ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় ইলেক্ট্রিক ডিভাইসে...

স্টাফ | আপডেট: ১১:০৭, অক্টোবর ১৩ , ২০১৭

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির দায়ে ১২ পরীক্ষার্থীকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ঢাকা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী এ কারাদণ্ড দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানান, কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করেছিল। এর মধ্যে অনেকে মাস্টার কার্ডের আদলে ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করে, যা দেখতে অনেকটা মাস্টার কার্ডের মতো। কিন্তু এতে সিম লাগানো থাকে। এর ছোট বল রয়েছে, যা কানের ভেতরে ঢুকিয়ে কথা বলা যায়।

শুক্রবার সকাল ১০টায় ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। শেষ হয় বেলা সাড়ে ১১টায়। এ সময় জালিয়াতির অভিযোগে মোট ১২ জনকে আটক করা হয়।

বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- নাহিদ হাসান কাওসার, তানভীর হোসাইন, রফিকুল ইসলাম, খন্দকার মিরাজুল ইসলাম, এস এম জাকির হোসাইন, আবু হানিফ নোমান, আল ইমরান, নূরে আলম আরিফ, সৌমিকা প্রতিচী সাত্তার, আরিফা বিল্লাহ তামান্না, শাহ পরান ও আবুল বাশার।

এ বছর ‘ক’ ইউনিটে ১ হাজার ৭৬৫টি আসনের জন্য আবেদন করেন ৮৯ হাজার ৫০৬ জন। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরের মোট ৮৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

স্বাস্থ্য

স্তন ক্যান্সার কোনো লজ্জা নয়’ সংকোচ...

স্টাফ | আপডেট: ০৫:১১, সেপ্টেম্বর ২৬ , ২০১৭

 

 

জান্নাতুল ফেরদৌসী : স্তন ক্যান্সার কোনো লজ্জা নয়। সন্দেহ ও সংকোচ কাটিয়ে প্রকাশ করতে হবে। পারিবারিকভাবে রোগমুক্তির জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। শিক্ষা, সংকোচ, রোগ সম্পর্কে সঠিক তথ্যের ঘাটতি, সামাজিক অবস্থান এসব কারণে নারীরা এখনো স্তন ক্যান্সারের জটিলতায় ভোগে। যার ফলে শারীরিক ও আর্থিক কষ্ট ভুগতে হয়। সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তের পর সম্পূর্ণ চিকিৎসা পেলে স্তন ক্যান্সার থেকে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

তাই স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ জানা, পরীক্ষা দিকে জোর দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

স্তন ক্যান্সার নির্ণয় ও উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা আছে বাংলাদেশে। কিন্তু সঠিক সময়ে ক্যান্সার শনাক্ত ও চিকিৎসা না  নিলে শারীরিক ও আর্থিকভাবে ভুগতে হয় রোগীকে।

তাই রোগের লক্ষণ জানা দরকার প্রতিটি নারী ও পুরুষের। কারণ গুলো হল : স্তন কিংবা বগলে চাকা বা পিন্ডের মতো কিছু মনে হলেই যেতে হবে চিকিৎসকের কাছে। পরিবারের কারো স্তন ক্যান্সার হলে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া এছাড়া দেরিতে বিয়ে হলে যেসব মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করান না, যাদের সন্তান হয় না, তাদের স্তন ক্যান্সারে ঝুঁকি আছে।

জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার বলেন, স্তন দিয়ে রক্ত বা রস জাতীয় কিছু বের হয় তাহলে এটা একটি লক্ষণ। শুধু স্তনে নয় বগলেও যদি পিন্ডের মতো হয়।

২০ বছর বয়সের পর সবাইকে প্রতিমাসে একবার নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা করা উচিত। ৪০ বছর বয়সের পর প্রতি ২ বছর অন্তর এবার উচিত মেমোগ্রাম করা। যার ব্যবস্থা আছে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে। তারপর চিকিৎসা নিতে হবে। উদাসিনতা, সংকোচ, স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সঠিক তথ্যের ঘাটতি, সামাজিক অবস্থান ও নারী বৈষম্যের কারণে ক্যান্সারের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

ভালো গাইনোকলোজিস্টের কাছে গেলো গিয়ে দেখলো ছেলে এবং ডাক্তার না দেখিয়েই চলে আসলো এটা করলে চলবে না। একজন ডাক্তারকে ডাক্তারই মনে করতে হবে ছেলে বা মেয়ে বিবেচনা করলে চলবে না। শুধু নিজে জেনে বসে থাকলে চলবে না, সবাইকে সচেতন করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না স্তন ক্যান্সারটাকে মোকাবেলা করতে হবে।

আমাদের সময় ডট কমের সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে যদি স্তন ক্যান্সারকে শনাক্ত করা যায় এবং টিটমেন্ট শুরু করা যায়, তাহলে পুরোপুরি  স্তন ক্যান্সার থেকে সুস্থ হওয়া সম্ভব।

এই রোগ অন্যান্য রোগের মতোই তাই লজ্জা, সংকোচ কাটিয়ে নিজের প্রয়োজনে ভয়কে জয় করতে হবে নারীকে।

আইটি টেক

সাত লাখ তরুণ-তরুণীর ইন্টারনেট নির্ভর...

স্টাফ | আপডেট: ০৪:২০, অক্টোবর ০৮ , ২০১৭


 তথ্য-প্রযুক্তিতে তরুণ-তরুণীদের দক্ষ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেছেন, ‘ইতোমধ্যেসাত লাখ তরুণ-তরুণীর ইন্টারনেট নির্ভর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শনিবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর শিরোইলে ডাটাসফট সিস্টেম বাংলাদেশ লিমিটেড ও মাল্টিটেক সলিউশনের যৌথ কার্যালয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘দেশের তরুণ-তরুণীদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তারুণ্যই এখন দেশের বড় শক্তি। রাজশাহীসহ সারাদেশে আমরা ২৮টি আইটি পার্ক স্থাপন করছি। এসব আইটি পার্কে আগামী তিন বছরে আড়াই লাখ তরুণ-তরুণীকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্য-প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা, রাজশাহীতে নির্মিতব্য বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কের প্রকল্প পরিচালক একেএম ফজলুল হক ও জেলা প্রশাসক হেলাল মাহমুদ শরীফ। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাটাসফট সিস্টেম বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব জামান।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী ঢাকার ডাটাসফট সিস্টেম বাংলাদেশ লিমিটেড ও রাজশাহীর মাল্টিটেক সলিউশনের যৌথ কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে ডাটাসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব জামান ও মাল্টিটেকের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান রবি একসঙ্গে কাজ করার চুক্তি সই করেন।

সাহিত্য

আমাদের পিতা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতেই আছেন

স্টাফ | আপডেট: ১৪:৩৯, অক্টোবর ০৭ , ২০১৭

 

 

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ: পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহপাক ইরশাদ করেছেন, স্মরণ করো, যখন তারা [ইউসুফ (আ.)-এর ভাইয়েরা] বলল, অবশ্যই ইউসুফ ও তাঁর ভাই (বিনইয়ামিন) আমাদের পিতার কাছে আমাদের চেয়ে অধিক প্রিয়, অথচ আমরা একটি সংহত দল (তাদের চেয়ে অধিক শক্তিশালী)। আমাদের পিতা তো স্পষ্ট বিভ্রান্তিতেই আছেন। [সুরা : ইউসুফ, আয়াত : ৮ (প্রথম পর্ব)]

তাফসির : আগের আয়াতে বলা হয়েছিল, ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনায় সত্য অনুসন্ধানীদের জন্য অনেক কিছু শেখার আছে। আলোচ্য আয়াতে ইউসুফ (আ.)-এর সঙ্গে তাঁর ভাইদের শত্রুতা প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। ইউসুফ (আ.)-এর ভাইদের মধ্যে বিনইয়ামিন ছাড়া বাকিরা ছিলেন বৈমাত্রেয় ভাই। পিতা ইয়াকুব (আ.) ছোট হিসেবে ইউসুফ (আ.) ও তাঁর আপন ভাই বিনইয়ামিনকে খুব স্নেহ করতেন। এটা বৈমাত্রেয় ভাইদের ভালো লাগত না। তাঁরা ক্রমেই ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে ওঠে। তাঁরা বলতে থাকেন, আমরা সামর্থ্যবান যুবক হওয়া সত্ত্বেও আমাদের বাবা শুধু ওদের দুজনকেই বেশি স্নেহ করেন। নিশ্চয়ই আমাদের বাবা বড় ভুল করছেন।

ইউসুফ (আ.)-এর পিতা ছিলেন ইয়াকুব (আ.)।

তাঁর পিতার নাম ইসহাক (আ.)। তাঁর পিতার নাম ইবরাহিম (আ.)। তাঁরা সবাই ফিলিস্তিনের হেবরন এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। পরে তাঁরা মিসরে বসবাস শুরু করেন। ইয়াকুব (আ.) মিসরে পুত্র ইউসুফের সঙ্গে ১৭ বছর মতান্তরে ২০ বছরের অধিককাল অতিবাহিত করেন। ১৪৭ বছর বয়সে মিসরেই তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর সময় তিনি অসিয়ত করে যান, যেন তাঁকে হেবরন এলাকায় পিতা ইসহাক ও দাদা ইবরাহিম (আ.)-এর পাশে সমাহিত করা হয়। তিনি সেখানেই সমাধিস্থ হন। বর্তমানে জায়গাটি ‘খলিল মহল্লা’ নামে পরিচিত। ইউসুফ (আ.) ১১০ বছর বয়সে মিসরে ইন্তেকাল করেন। তিনিও হেবরনের একই কবরস্থানে সমাধিস্থ হওয়ার জন্য সন্তানদের কাছে অসিয়ত করেন। ইয়াকুব (আ.)-এর ১২ পুত্র ছিলেন। তাঁর প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল লাইয়্যা বিনতে লাইয়্যান। ১২ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ১০ জন এই স্ত্রীর গর্ভে জন্মলাভ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর পর ইয়াকুব (আ.) লাইয়্যার বোন রাহিলকে বিবাহ করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন ইউসুফ (আ.) ও বিনইয়ামিন। বিনইয়ামিনের জন্মের পর পরই তাঁর মা মৃত্যুবরণ করেন। পরে ইয়াকুব (আ.) তাঁর স্ত্রীর অন্য এক বোন লায়লাকে বিবাহ করেন। ইউসুফ (আ.)-এর সঙ্গে মিসরে পুনর্মিলনের সময় ইনিই মা হিসেবে সেখানে পিতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এটা মানুষের স্বভাবগত রীতি যে বিমাতা বা সৎ ভাইয়েরা সাধারণত পরস্পরের বিদ্বেষী হয়ে থাকে। সম্ভবত এই বিদ্বেষ যাতে মাথাচাড়া না দেয়, সে উদ্দেশ্যেই ইয়াকুব (আ.) একই শ্বশুরের পরপর তিন মেয়েকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁর শ্বশুর ছিলেন আপন মামা। তাই তাঁরা ছিলেন পরস্পরে রক্ত সম্পর্কীয় ও নিকটাত্মীয়। এর পাশাপাশি নবী পরিবারে সার্বক্ষণিক দ্বীনি পরিবেশ ও নৈতিক প্রশিক্ষণ ছিল। তা সত্ত্বেও বৈমাত্রেয় হিংসার কবল থেকে ইয়াকুব (আ.)-এর দ্বিতীয় পক্ষের সন্তানরা রক্ষা পাননি। তাই বলা চলে, ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি তাঁর সত্ভাইদের হিংসার প্রথম কারণ ছিল বৈমাত্রেয় বিদ্বেষ। দ্বিতীয়ত, সদ্য মাতৃহীন শিশু হওয়ার কারণে তাঁদের দুই ভাইয়ের প্রতি পিতার স্বভাবগত স্নেহের আধিক্য ছিল। বিষয়টি বড় ভাইয়েরা মেনে নিতে পারেননি। তৃতীয়ত, ইউসুফ (আ.)-এর ছিল অতুলনীয় রূপ-লাবণ্য, অনিন্দ্যসুন্দর দেহসৌষ্ঠব, আকর্ষণীয় ব্যবহার-মাধুর্য। এটিও ছিল ভাইদের হিংসার কারণ। চতুর্থত, ইউসুফ (আ.)-এর স্বপ্নবৃত্তান্তের কথা যেকোনোভাবে তাঁদের কানে পৌঁছে যায়। এই কারণটিই তাঁদের হিংসার আগুনে ঘৃতাহুতি দেয়। পঞ্চমত, ইউসুফ (আ.) ভবিষ্যতে নবী হবেন—এ বিষয়টি পিতা ইয়াকুব (আ.) বুঝতে পেরেছিলেন। তাই তিনি তাঁর প্রতি অধিক স্নেহশীল ছিলেন। এ কারণে সৎ ভাইয়েরা তাঁর প্রতি অধিক হিংসাপরায়ণ ছিলেন। আসলে এই হিংসাত্মক আচরণের মধ্যেই লুকিয়ে ছিল ইউসুফ (আ.)-এর ভবিষ্যৎ উন্নতির সোপান।

ফিচার

১০৭ বাল্যবিবাহ রোধ করেছে সাজেদা আক্তার

স্টাফ | আপডেট: ১১:৩৪, অক্টোবর ১৩ , ২০১৭

বরগুনা প্রতিনিধি :  সাজেদা আক্তার এখন গ্রামের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কিশোর-কিশোরীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামী কর্মী। যেখানে বাল্যবিবাহ, সেখানেই এই কিশোরী প্রতিরোধে এগিয়ে আসছে। এগিয়ে আসছে নারীদের উত্ত্যক্তকারী বখাটে প্রতিরোধেও। এরই মধ্যে তার চেষ্টায় এলাকার ১০৭টি বাল্যবিবাহ বন্ধ হয়েছে।

বরগুনার এক দরিদ্র পরিবারের এই কিশোরী সাজেদা নীরবেই এত সব বড় কাজ করে যাচ্ছে। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছে নিজের পড়াশোনাও।

এসব কারণে সাজেদা আক্তারকে এ বছর ‘ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেনস পিস প্রাইজ’-এর জন্য বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এই পুরস্কার শিশুদের নোবেল পুরস্কার হিসেবে খ্যাত। শিশুদের অধিকার রক্ষার জন্য যেসব শিশু সাহসের সঙ্গে লড়াই করে, প্রতিবছর তাদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ২০১৩ সালে এই পুরস্কার পেয়েছিল পাকিস্তানের মালালা ইউসুফজাই।

প্রথম প্রত্যয়
বরগুনার সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের মাইঠা গ্রামের দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সাজেদা আক্তার। এখন সে বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী। বাবা সানু মিয়া রিকশাচালক। তিনি বলেন, ‘রিকশা চালাইয়্যা সোংসার চালানেই কষ্ট। এত কষ্টের পর লোকজনে যহন মাইয়্যার সাহসী কাজের প্রশংসা করে, তহন মনটা খুশিতে ভইর‍্যা যায়।’
এক শতক জমির ওপর তাদের দোচালা টিনের ছোট্ট ঘরে গত মঙ্গলবার দুপুরে কথা হয় সাজেদার সঙ্গে। সাজেদা বলল, ‘আমার বড় বোনের বিয়ে হয়েছিল। তাঁর পরিবারে নানা অশান্তি-দুর্ভোগ দেখে বুঝতে পারি, তাঁর এই পরিণতির পেছনে দায়ী বাল্যবিবাহ। তা ছাড়া আমাদের গ্রামের মেয়েদের অল্পবয়সে বিয়ে দিয়ে দেওয়া হতো। সিদ্ধান্ত নিই আমি বাল্যবিবাহ করব না আর কোনো কিশোরীরও বাল্যবিবাহ হতে দেব না।’

সংগঠন করার প্রথম অভিজ্ঞতা
২০০৭ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে ভীতসন্ত্রস্ত শিশুদের ওপর যে নেতিবাচক মানসিক প্রভাব পড়েছিল, তা কাটাতে বিদেশি সাহায্য সংস্থা প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল সাজেদাদের এলাকায় একটি শিশু সংগঠন গড়ে তোলে। ২০০৯ সালে ওই শিশু সংগঠনের সদস্য হয় সাজেদা। এর কয়েক মাস যেতে না যেতেই সবাই তাকে সংগঠনের সভাপতি করে দেয়। সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সেটাই তার হাতেখড়ি।

২০১৩ সালে এলাকার আরেকটি সংগঠন কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সদস্য হয় সাজেদা। ওই সংগঠনের হয়ে গ্রামে গ্রামে বাল্যবিবাহ বন্ধ, ইভ টিজিং, নেশার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক পথনাটক, গান, সভা করতে থাকে। এতে এলাকার কিশোর-কিশোরীদের সাড়াও মেলে। এই সংগঠনে এলাকার অন্তত ১০০ কিশোর-কিশোরী সংগঠিত হয়। তারা নিজেরাই গান লেখে, সুর করে, নাটকের চিত্রনাট্য লেখে। এভাবে চলতে থাকে স্বেচ্ছাশ্রমের কাজ।

সামাজিক আন্দোলন

বুড়িরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ লবণগোলা গ্রামের গৃহবধূ নাসিমা আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়ে নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় ওর বাবা বিয়ে ঠিক করে, কিন্তু মেয়ে এতে রাজি ছিল না। বিষয়টি মেয়ের সহপাঠী সাজেদার কানে যায়। সাজেদা আমাদের বাড়িতে আসে এবং বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে আমাদের বোঝায়। এতে আমাদের ভুল ভাঙে। সাজেদা আমাদের সেই সর্বনাশ থেকে রক্ষা করেছে।’

সাজেদা বলে, ‘প্রথম দিকে এলাকার কিছু লোক এসব কাজকে ভালো চোখে দেখত না। নানা কথা বলত। কিন্তু কিছু কানে নিইনি। আমি আমার কাজ করে গেছি। এখন আমার লক্ষ্য জেলার সর্বত্র বাল্যবিবাহ, ইভ টিজিং ও মাদকের বিরুদ্ধে কিশোর-কিশোরীদের জাগ্রত করা।’

মাইঠা এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য কামাল হোসেন বলেন, ‘প্রথম দিকে সাজেদার এসব কাজ আমাদের ভালো লাগেনি। পরে যখন দেখি দরিদ্র পরিবারের মেয়েটি পড়াশোনার পাশাপাশি এলাকার কিশোরীদের ওপর পারিবারিক ও সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে, তখন আমাদের ভুল ভাঙতে শুরু করে। এখন ওর এসব সাহসী কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা গর্ব করি।’
বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নুরুজ্জামান বলেন, ‘একটি দরিদ্র পরিবারের কিশোরী যেভাবে দারিদ্র্য, বাল্যবিবাহ, যৌন হয়রানি, ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নেওয়া এবং মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করছে, সেটা আমাদের সমাজে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।’

প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের হেলথ স্পেশালিস্ট মুহাম্মদ ফয়েজ কাউসার বলেন, সাজেদাকে এ বছর ‘ইন্টারন্যাশনাল চিলড্রেনস পিস প্রাইজের’ জন্য বাংলাদেশ থেকে তাকে একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

এস কে সিনহার ফ্লাইট রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে
স্তন ক্যান্সার কোনো লজ্জা নয়’ সংকোচ কাটিয়ে প্রকাশ করতে হবে
মিয়ানমারে প্রতিনিধিত্ব করছে সামরিক বাহিনী : ওবায়দুল কাদের
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে: সু চি
সংসদ ভেঙে সহায়ক সরকারের প্রস্তাব দেবে বিএনপি
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে পরোয়ানা: সরকারের ‘এসিড টেস্ট’, বিএনপি বলছে ইস্যু বদলের কৌশল
রকমারি

ভিন্ন রকম সুন্দরী !

স্টাফ | আপডেট: ১৩:৫১, অক্টোবর ০৯ , ২০১৭

 

১০ বছর আগে গুলির আঘাতে চলার শক্তি হারান চিলির মারিয়া দিয়াজ। ফিনল্যান্ডের কাতি ভন ডার হোভেন শুধু চোখ নেড়ে স্বামীর সঙ্গে কথা বলেন। ভুল চিকিৎসায় চলার শক্তি হারিয়েছেন নেদারল্যান্ডসের মিরান্ডে বেকার। তাঁদের সবার একটা জায়গায় মিল। চলাচলে হুইলচেয়ারই তাঁদের একমাত্র ভরসা।

মারিয়া, কাতি ও মিরান্ডের মতো আরও ২১ তরুণী গত শনিবার পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে হাজির হয়েছিলেন ‘মিস হুইলচেয়ার ওয়ার্ল্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে। এবারই প্রথম এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলো। অনলি ওয়ান ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠন প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করেছে।

মিস হুইলচেয়ার ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা দেশীয় পোশাকসহ বিভিন্ন পোশাকে মঞ্চে হাজির হন। তাঁদের নাচও পরিবেশন করতে হয়।

প্রতিযোগিতার বিচারকদের একজন অনলি ওয়ান ফাউন্ডেশনের প্রধান কাতারজিনা ওজতাসজেক-গিনালস্কা (৩৬) বলেন, হুইলচেয়ারে চলাচলকারী নারীদের ব্যাপারে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন।

বেলারুশের মনস্তত্ত্ব ও সামাজিক বিদ্যার শিক্ষার্থী আলেকসান্দ্রা শিশিকোভা প্রতিযোগিতায় সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হন। প্রথম রানারআপ হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার লেবোহাং মনিয়াৎসি। আর দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন পোল্যান্ডের আদ্রিয়ানা জাওয়াদজিনস্কা। সূত্র : এএফপি