সর্বশেষ

২১শে গোল্ডক্রেস্ট শিশু কিশোর চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতা\'১৮ ইং ফলাফল প্রকাশ

এম.জুনাইদ উদ্দিন (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ ২১শে গোল্ডক্রেস্ট শিশু কিশোর চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতা'১৮ ইং ফলাফল বিবরণী নিম্নে প্রকাশ হলোঃ --- ক শাখা ১ম - আরাবী বিনতে শরীফ - ৫০৩ পিতা: শরীফ আল হাসান চকরিয়া প্রি-ক্যাডেট গ্রামার ষ্কুল। ২য়- ইভান চৌধুরী ১৫৯ পিতা: নাজেম উদ্দিন চকরিয়া প্রিমিয়ার ষ্কুল,.....

আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  ইয়াসমিন আক্তার:: ইতালির রোমে জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণ শেষে.....

চকরিয়ায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে কান্তা বড়ুয়া নামের এক গৃহবধু আত্মহত্যা

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ বিয়ের সাত মাসের মাথায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে কান্তা বড়ুয়া(১৯)নামের এক গৃহবধু আত্মহত্যা করেছে।স্বামীর ঘরের.....

প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারির নতুন তালিকায় ২০ বাংলাদেশির নাম

এমটিভি নিউজ:প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারির নতুন তালিকায় ২০ বাংলাদেশির নাম উঠেছে। এ তালিকায় নাম এসেছে মুসা বিন শমসেরের। মাল্টায়.....

চট্টগ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ল ২০ দোকান

চট্টগ্রাম ব্যুরো:: চট্টগ্রাম নগরীর কর্নেলহাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ২০টি ফার্নিচারের দোকান পুড়ে গেছে। তবে এতে কোনো.....

কিছুটা অবিচারের শিকার

এমটিভি নিউজ:: জাতীয় পার্টির সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়। গতকাল.....

বাংলাদেশ হবে এশিয়া অঞ্চলে পঞ্চম টাইগার

ফারিয়া চৌধুরী:: পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, আসছে মার্চেই আমরা এলডিসি থেকে বের হওয়ার জন্য যে তিনটি কম্পোনেন্ট.....

২২ ফেব্রুয়ারি সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে বিএনপি

শফিক তুহিন:: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃর্শত মুক্তির দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অথবা.....

গ্যাস সংকটে বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা

আনিকা চৌধুরী:: দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ কমে যাওয়ায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করা যাচ্ছে না। ফলে উদ্যোক্তারা গ্যাসের বিকল্প.....

শিক্ষামন্ত্রীর পুরস্কার ঘোষণা কি কথার কথা

মাহিয়া চৗধুরী :: এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী কাজী মেরাজ মেহেদী। গত শনিবার ছিল তার অংক পরীক্ষা। তাই বাবা কাজী জামানকে নিয়ে দেড় ঘণ্টা.....

খেলাপি ঋণের অর্ধেকই ২০ জনের পকেটে

কাজী আরমান:; অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই ফেরত দিচ্ছেন না গ্রাহক। বিশেষ করে প্রভাব খাটিয়ে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে.....

  • সর্বশেষ
  • সর্বশেষ পঠিত

অবশেষে রানার বিরুদ্ধে আদালতে দুদকের চার্জশিট দাখিল

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বাধা দিলে পাল্টা জবাব- খালেদা

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

'নক্ষত্র'-এ ই-শপিং

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

বিশ্বের শীর্ষ এক হাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে নেই ঢাবি

( ১০ জুলাই ২০১৪ ০৪:৫২ )

জাতীয়

আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রতিনিধী | আপডেট: ০১:১২, ফেব্রুয়ারী ১৭ , ২০১৮


 
ইয়াসমিন আক্তার:: ইতালির রোমে জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণ শেষে আজ শনিবার দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে তিনি ভ্যাটিকান সফর করেন। পরে বৃহস্পতিবার সকালে রোম থেকে আবুধাবি পৌঁছে সেখানে যাত্রাবিরতি করেন।

পোপ ফ্রান্সিস ও আইএফএডির প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হংবোর আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে গত রবিবার রোম পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার সকালে ভ্যাটিকান সফর করে পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরদিন আইএফআইডির ৪১তম গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। ওইদিন বিকালে রোমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনা সভায় যোগ দেন। এ ছাড়া রোমে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য সংস্থার নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গেও বৈঠক করেন। ইতালি সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন।

অর্থনীতি

খেলাপি ঋণের অর্ধেকই ২০ জনের পকেটে



কাজী আরমান:; অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই ফেরত দিচ্ছেন না গ্রাহক। বিশেষ করে প্রভাব খাটিয়ে বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যাচ্ছেন তারা। রাজনৈতিক চাপে ও অনৈতিক সুবিধা নিয়ে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রভাবশালী গ্রাহকদের কাছেই হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ তুলে দিয়েছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা। ফলে খেলাপি হয়ে যাওয়া ঋণের মধ্যে মাত্র ২০ গ্রাহকের পকেটে গেছে ৩১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপির ৪৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ব্যাংকিং খাতে ঋণখেলাপি বেড়ে যাওয়ায় ৯টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে। এর পরও বড় বড় গ্রাহকের কাছে বিপুল পরিমাণ ঋণ আটকে গেছে। বর্তমান ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ ১০ ঋণগ্রহীতা কোনো কারণে ঋণ ফেরত দিতে ব্যর্থ হলে ৩৯টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়বে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি করা অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে দেখা যায়, গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫২ হাজার ৭৩০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সময়মতো আদায় না হওয়ায় শ্রেণিকৃত ঋণের পরিমাণ ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। আদায় না হওয়া ঋণগুলোকে ৩টি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। এগুলো হচ্ছে নিম্নমান, সন্দেহজনক ও কুঋণ বা মন্দঋণ। এর মধ্যে সন্দেহজনক ও কুঋণ শ্রেণির ঋণকে খেলাপি ধরা হয়। এই ক্যাটাগরিতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭০ হাজার ৬৯৪ কোটি টাকা। এই খেলাপি ঋণের মধ্যে ৩১ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা আটকে রয়েছে শীর্ষ ২০ খেলাপির কাছে।

বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি ব্যাংক থেকেই অনিয়মের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ঋণ হাতিয়ে নেওয়া হয়। এতে সরকারি ব্যাংকগুলোয় খেলাপি ঋণ সবচেয়ে বেশি। সরকারি মালিকানাধীন সোনালী, অগ্রণী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ অন্য যে কোনো ব্যাংকের তুলনায় সবচেয়ে বেশি। তবে বিভিন্ন বেসরকারি ব্যাংকও একক গ্রহীতার হাতে বড় অঙ্কের ঋণ তুলে দিচ্ছে। পর্যাপ্ত জামানত না থাকায় এসব খেলাপি গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের আশা নেই বললেই চলে। বিপুল পরিমাণ ঋণ আটকে থাকলেও কোনোভাবেই অর্থ আদায় করতে পারছে না ব্যাংকগুলো। খেলাপির তালিকায় থাকা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ, অনেকে পলাতক। জেলেও রয়েছেন কয়েকজন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংকের করা মামলা বছরের পর বছর চলছে। মামলা চলছেÑ এই অজুহাতে ব্যাংকগুলো কার্যকর কোনো ব্যবস্থাও নেয়নি।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, এসব খেলাপির বিরুদ্ধে অর্থ ঋণ আদালতে মামলা করে সম্পত্তি নিলামে তোলা উচিত। এর মাধ্যমে অর্থ আদায় করা যেতে পারে। তারা আদালতের শরণাপন্ন হলে নিষ্পত্তি করার জন্য ব্যাংকগুলোকে তৎপরতা চালাতে হবে। সমস্যা হলো, যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ দেওয়া হচ্ছে। এসব ঋণই খেলাপি হয়ে পড়ছে। ভবিষ্যতে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করতে হবে।

বড় অঙ্কের ঋণের বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব ইউনুসুর রহমান বলেন, একক গ্রহীতার হাতে অধিক পরিমাণ ঋণ দেওয়ার আগে সাবধান হতে হবে। ঋণ দেওয়ার আগে আদায়ের বিষয়টি ভাবতে হবে। বড় অঙ্কের ঋণ দিলে তা আদায় করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই বিকল্পভাবে ঋণ বিতরণ করতে হবে।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি রয়েছে। বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ থাকায় ব্যাংকগুলোর মূলধন খোয়া গেছে। এখনো বিপুল ঋণ বড় বড় গ্রাহকের কাছে আটকা। ব্যাংকগুলোর ভবিষ্যতে ঝুঁকি মোকাবিলা সক্ষমতা নির্ণয়ে এক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ব্যাংক দেখেছে, ব্যাংকিং খাতের শীর্ষ ১০ ঋণগ্রহীতা কোনো কারণে খেলাপি হয়ে গেলে ৩৯টি ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি হবে। এ ছাড়া শীর্ষ ৩ গ্রাহক খেলাপি হলে ২১ ব্যাংক এবং শীর্ষ ৭ গ্রাহক খেলাপি হলে ৩৮ ব্যাংক মূলধন সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হবে।

খেলাপি ঋণ ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নানা উদ্যোগ নিলেও তা সফল হচ্ছে না। ঋণ কেন্দ্রীভূত করা বা একক গ্রহীতাকে বেশি পরিমাণ ঋণ দিতে নিরুৎসাহিত করলেও ব্যাংকগুলো একক গ্রাহকের কাছেই সবচেয়ে বেশি ঋণ দিচ্ছে। ফলে গত বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। উল্লেখ্য, গত ২০১৬ সালের ডিসেম্বর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ছিল ৬২ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বরে যা দাঁড়িয়েছে ৮০ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা।

ঝুঁকি কমাতে একক গ্রাহকের হাতে ঋণ না দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে এক ব্যাংকের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, একক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এতে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও এসএমই খাতে ঋণ দিতে হবে। খেলাপি ঋণ কমাতে প্রয়োজনে মামলা করার আগে খেলাপি গ্রাহকদের সঙ্গে বসে আলোচনার মাধ্যমে ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

গত বছর জুলাইয়ে জাতীয় সংসদে শীর্ষ ১০০ ঋণখেলাপির তালিকা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সেই তালিকা অনুসারে ২০ খেলাপি হলেন মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স, জেসমিন ভেজিটেবল, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস, বেনেটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ, ঢাকা ট্রেডিং হাউস, আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেমস, এমএম ভেজিটেবল অয়েল প্রোডাক্ট, আলফা কম্পোজিট টাওয়েলস, ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল, হলমার্ক ফ্যাশন, মুন্নু ফেব্রিকস, ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিকস, সাহারিশ কম্পোজিট টাওয়েল, নূরজাহান সুপার অয়েল, সালেহ কার্পেট মিলস, এসকে স্টিল ও চৌধুরী নিটওয়্যারস।

রাজনীতি

কিছুটা অবিচারের শিকার

প্রতিনিধী | আপডেট: ০২:২৯, ফেব্রুয়ারী ১৬ , ২০১৮




এমটিভি নিউজ:: জাতীয় পার্টির সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়। গতকাল জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন। কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, তারা চান সংসদ কার্যকর থাকুক। কিন্তু মাঝে মধ্যে স্পিকারের চেয়ার থেকে বিরোধী দলকে থামিয়ে দেওয়া হয়। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয় বিরোধী দল। প্রশ্ন করলে প্রশ্ন নেওয়া হয় না। বক্তব্যে হস্তক্ষেপ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি দলের সদস্যদের বক্তব্য এক-দুই মিনিট করে ১০ মিনিট পর্যন্তও বাড়ানো হয়। কিন্তু বিরোধী দলের সদস্যদের ক্ষেত্রে এক মিনিটের বেশি বাড়ানো হয় না। উদাহরণ টেনে কাজী ফিরোজ বলেন, তাদের দলের একজন নারী সদস্য প্রশ্ন করতে দাঁড়ালে তাকে প্রশ্ন করতে না দিয়ে বসিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তার পর পরই সরকারি দলের একজন সদস্যকে সুযোগ দেওয়া হয়। ওই সদস্য ২২ লাইনের কবিতা আবৃত্তি করে ছোট্ট আধা লাইনের একটি প্রশ্ন করেন।

বিরোধী দলের প্রতি কিছুটা অবিচার করা হয়Ñ এমন অভিযোগ করে স্পিকারের উদ্দেশে কাজী ফিরোজ বলেন, ‘আপনারা আমাদের কাছ থেকে কী ধরনের ভূমিকা চান?’ এ সময় স্পিকার শিরীন শারমিন বলেন, বিরোধী দলকে সময় দেওয়া হয়।

এর আগে কাজী ফিরোজ আপিল বিভাগে বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানান।

সারাদেশ

২১শে গোল্ডক্রেস্ট শিশু কিশোর চিত্রকর্ম...

এম.জুনাইদ উদ্দিন (কক্সবাজার) প্রতিনিধিঃ ২১শে গোল্ডক্রেস্ট শিশু কিশোর চিত্রকর্ম প্রতিযোগিতা'১৮ ইং ফলাফল বিবরণী নিম্নে প্রকাশ হলোঃ --- ক শাখা ১ম - আরাবী বিনতে শরীফ - ৫০৩ পিতা: শরীফ আল হাসান চকরিয়া প্রি-ক্যাডেট গ্রামার ষ্কুল। ২য়- ইভান চৌধুরী ১৫৯ পিতা: নাজেম উদ্দিন চকরিয়া প্রিমিয়ার ষ্কুল, ফাঁসিয়াখালী। ৩য়- কাশফিয়া আনিস মিম ১৮৫ পিতা: আনিসুল মোস্তফা চকরিয়া প্রত্যাশার আলো শিক্ষালয়। ৪র্থ- সুমাইয়া সানজি রিয়া ১৭২ পিতা: মোঃ ছোবাহান মাতামুহুরী আদর্শ শিক্ষা নিকেতন। খ শাখা ১ম-মাহজাবিন ইসলাম শশী- ৪০২ পিতা: সানজিদা ইসলাম বর্ণমালা একাডেমী। ২য়- শাশ^তী চক্রবর্তী - ২৩৫ পিতা: সনজয় চক্রবর্তী কিড্স কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। ৩য়- সৈয়দ কাছির আহমদ - ৪৯১ পিতা: বশির উদ্দিন চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ৪র্থ - আদিয়াত মোহাম্মদ আয়াত ৩৩৯ পিতা: মোঃ শাহজাহান চকরিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। গ শাখা ১ম - সাদ মোঃ জিসান - ৪৯৬ মাতা - জাহানারা বেগম চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ২য় - নওশিন বিন শাহাব ২৭৪ পিতা: শাহাব উদ্দিন হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যাপীঠ। ৩য় - মোনালি দে মম ৩৯১ পিতা: লিটন কুমার দে চকরিয়া প্রি-ক্যাডেট গ্রামার ষ্কুল। ৪র্থ - মোঃ মাইনুল হাসনাত আবিদ - ৩৪৩ পিতা: আবুল বশর চকরিয়া ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। ঘ শাখা ১ম- মালিহা মুমতাজ ইরিনা - ৪০০ পিতা: ইলিয়াছ খান চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ২য় - প্রনমিতা বৈদ্য (তুলতুল) ১২৬ পিতা: সন্তোষ বৈদ্য চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ৩য় - অংকিতা বণিক - ১২৮ পিতা: সঞ্চয় বণিক চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। ৪র্থ - অমি দাশ ( অমিত ) – ৩৯৬ পিতা: দিলীপ দাশ চকরিয়া কোরক বিদ্যাপীঠ। বিজয়ী প্রত্যেক প্রতিযোগী ও অংশগ্রহণকারীদের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করছি। (সবাইকে ২৩ শে ফেব্রুয়ারী শুক্রবার পুরস্কার বিতরণী, আলোচনা ও গুণীজন সংবর্ধনা সভায় চকরিয়া বিজয় মঞ্চে বিকাল ২.৩০ মিনিটে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ রইল। ) প্রধান পরীক্ষক পরিচালক এস.পি চিত্রালয় চিরিংগা চকরিয়া, কক্সবাজার

খেলাধুলা

দরজায় কড়া নাড়ছে রাশিয়ার বিশ্বকাপ

প্রতিনিধী | আপডেট: ০৩:৩৬, ফেব্রুয়ারী ১৩ , ২০১৮





চন্দ্রিমা শুক্তা:: দরজায় কড়া নাড়ছে রাশিয়ার বিশ্বকাপ। এ নিয়ে জোরেশোরে বগল বাজাতে পারেন আর্জেন্টাইন সমর্থকরা। ময়দানি লড়াইয়ের আগে ফর্মের তুঙ্গে রয়েছেন আর্জেন্টিনা ফরোয়ার্ডরা। ইউরোপের বিভিন্ন লিগে খেলছেন তারা। সব লিগেই গোল উৎসবে মেতেছেন মেসিরা।

সার্জিও আগুয়েরো: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে নিজেদের সবশেষ ম্যাচে লেস্টার সিটিকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছেন সার্জিও আগুয়েরো। ম্যানচেস্টার সিটির ৫-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে একাই করেছেন ৪ গোল। এ নিয়ে লিগ ইতিহাসে তিনবার ৪ গোল করার কীর্তি গড়েছেন তিনি। আর একবার হলেই ছাড়িয়ে যাবেন কিংবদন্তিদের। বিশ্বকাপের ক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে এ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড যেন আরও ক্ষুরধার হয়ে উঠছেন। এ মৌসুমে সব মিলিয়ে করেছেন ২১ গোল। এর মধ্যে শুধু এ বছরেই ৯ গোল।

গঞ্জালো হিগুয়েইন: আগুনে ফর্মে রয়েছেন গঞ্জালো হিগুয়েইন। শনিবার করেছেন দারুণ এক গোল। গত সপ্তাহে সাস্সুলোর বিপক্ষে করেন দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক। তবে ইতালিয়ান লিগে শুরুতে ফর্মহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। তা কাটিয়ে ফর্মে ফিরে এর মধ্যে করে ফেলেছেন ১৪ গোল। চোটে মাঠের বাইরে রয়েছেন দলের নীলমণি পাওলো দিবালা। তবে জুভেন্টাসকে তা টেরই পেতে দিচ্ছেন না এল পিপাতা। সিরিআতে দলকে রেখেছেন শিরোপার দৌড়ে।

অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া: দারুণ ফর্মে আছেন অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। গোল করে ও সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে পিএসজিকে এগিয়ে নিচ্ছেন তিনি। কয়েক দিন আগে ফ্রেঞ্চ কাপে নেইমারের অনুপস্থিতিতে দলে সুযোগ পেয়েই আলো ছড়ান এ আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। হ্যাটট্রিক করে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে শুরুর একাদশে খেলার দাবি জোরালো করে রেখেছেন ক্ষীপ্রগতির খেলোয়াড়।

পাওলো দিবালা: ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন পাওলো দিবালা। তবে এর আগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। মৌসুমের শুরুতেই ১৪ গোল করে হিগুয়েইনকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছিলেন এ প্রতিভাবান ফরোয়ার্ড।

মাউরো ইকার্দি: চোটের কারণে মাঠের বাইরে সময় কাটাচ্ছেন মাউরো ইকার্দিও। এখন পর্যন্ত মৌসুমে তার পারফরম্যান্স চোখ ধাঁধানো। এরই মধ্যে ইন্টার মিলানের হয়ে করেছেন ১৮ গোল। এতে বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা দলে থাকার বার্তাটা ভালোভাবেই দিয়ে রেখেছেন তিনি।

লিওনেল মেসি: লিওনেল মেসির কথা না বললেও চলে। বয়স বাড়লেও যেন তার গোলক্ষুধা মিটছে না। ৩০ বছরে পা দিয়েও মাঠ কাঁপাচ্ছেন তিনি। এখনও প্রতিপক্ষের জন্য আতঙ্কের নাম ওয়ান্ডারম্যান। এ মৌসুমে এরই মাঝে করে ফেলেছেন ২৭ গোল। তার পাখায় চড়ে উড়ছে বার্সেলোনাও। লা লিগা রয়েছে শীর্ষে। কোপা ডেল রের ফাইনালও নিশ্চিত হয়ে গেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগ প্রতিযোগিতার শিরোপার দৌড়েও রয়েছেন কাতালানরা।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডরা যতই ফর্মে থাকুন না কেন? এর পরও কিন্তু থেকে যাচ্ছে। কারণ বরাবরই ইউরোপিয়ান লিগগুলোতে আগুনে ফর্মে থাকেন তারা। মূল মঞ্চে গেলে তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এবার কি অন্য কিছু হবে?

বিনোদন

নওগাঁয় বসন্ত উৎসব পালিত

সুমন আলী, নওগাঁ প্রতিনিধি::  নওগাঁয় বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে বসন্ত উৎসব। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল মালেক এমপি। মঙ্গলবার সকালে জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ উদ্যোগে সমবায় চত্বরে জেলা জাতীয় রবীন্দ্র সঙ্গীত সম্মিলন পরিষদের সভাপতি আমিনুল করিম সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা প্রশাসক মিজানুর রহমান, পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেন ও সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 পরে বসন্তকে বরন করতে বিভিন্ন গান ও নৃত্য পরিবেশন করে। এছাড়াও  বিভিন্ন রকম পিঠার কয়েকটি ষ্টল অংশ গ্রহন করে।

আন্তর্জাতিক

মার্কিন হামলায় রাশিয়ার যোদ্ধা নিহত

প্রতিনিধী | আপডেট: ০২:৪২, ফেব্রুয়ারী ১৬ , ২০১৮




সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত সপ্তাহে মার্কিন বিমান হামলায় রাশিয়ার দুই যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী সামরিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য রাশিয়ার একটি ব্যক্তিগত সামরিক ফার্ম থেকে ওই যোদ্ধাদের ভাড়া করেছিল।

মার্কিন গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর ছাপা হলেও রাশিয়া কোনো মন্তব্য করেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গত এক সপ্তাহে তারা শতাধিক সিরীয় যোদ্ধাকে হত্যা করেছে।

তবে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেন, এই হতাহতের মধ্যে কোনো রুশ নাগরিক আছেন কিনা, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো তথ্য নেই।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেইর আল জোর প্রদেশের খুরশাম শহরে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরীয় ডেমোক্র্যাটিক ফোর্সেসের (এসডিএফ) ঘাঁটিতে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের বাহিনীর কয়েকশ যোদ্ধা হামলা চালিয়েছিল। তারা ইউফ্রেটিস নদী পার হয়ে এসডিএফের ঘাঁটিতে গোলাবর্ষণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র তখন যুদ্ধবিমান ও কামান দিয়ে পাল্টা হামলা চালালে আসাদপন্থী যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।

সিরিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ওই হামলায় কয়েক ডজন লোক নিহত হয়। তাদের মধ্যেই দুজন হলেন রাশিয়ার ওই যোদ্ধারা।

তবে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিরিয়ার সরকারি বাহিনী জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস) যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে রাশিয়ার কোনো সেনা সদস্য অংশ নেয়নি।

শিক্ষা

শিক্ষামন্ত্রীর পুরস্কার ঘোষণা কি কথার...

প্রতিনিধী | আপডেট: ০২:১৫, ফেব্রুয়ারী ১৬ , ২০১৮




মাহিয়া চৗধুরী :: এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী কাজী মেরাজ মেহেদী। গত শনিবার ছিল তার অংক পরীক্ষা। তাই বাবা কাজী জামানকে নিয়ে দেড় ঘণ্টা আগেই সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মতিঝিল সেন্ট্রাল গার্লস স্কুলের কেন্দ্রে পৌঁছে যায় সে। পরে ছেলেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢুকিয়ে দিয়ে কাজী জামান অপেক্ষা করছিলেন বাইরে; কিন্তু হঠাৎ তার চোখ আটকে যায় এক জটলায়। সেখানে এক যুবকের হাতে থাকা মোবাইল ফোনে কী যেন দেখছিল স্কুলড্রেস পরা মেয়ে পরীক্ষার্থীরা।

গণমাধ্যমের কল্যাণে প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের অপতৎপরতার বিষয়ে অবগত ছিলেন জামান। তাই সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। জটলার কাছে এগিয়ে দেখতে পান, অংক পরীক্ষার এক সেট প্রশ্নপত্র এবং তার উত্তর যুবকের মোবাইল ফোনে! হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আনা সেই প্রশ্ন দেখছে এবং ছোট কাগজে উত্তরগুলো টুকে নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে প্রশ্ন রাখতেই দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে তারা। একপর্যায়ে জামানও দৌড়ে গিয়ে ধরে ফেলেন সেই যুবককে। ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্র সংরক্ষিত মোবাইল ফোনসহ তাকে সোপর্দ করেন স্কুল কর্তৃপক্ষ ও উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের হাতে।

পরে তিনি জানতে পারেন আটক ওই যুবকের নাম মো. জাকির হোসেন ওরফে বিজয় (২৩)। পিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের আব্দুর রহিমের ছেলে তিনি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) জনসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র বিজয় রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় থাকেন।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই বিজয়সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা দায়ের করেন সিআইডির অর্গানাইজড ক্রাইমের (সিপিবি) উপপুলিশ পরিদর্শক সুবীর কুমার। ওই মামলায় এক নম্বর সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন কাজী জামান। বিজয়কে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তার কাছ থেকে প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও পেয়েছে সিআইডি।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের পালের গোদা জনৈক জ্যাক আহমেদ। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে চক্রের মাঠপর্যায়ের কর্মী বিজয়কে অংক প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন তিনি। টাকার বিনিময়ে সেই প্রশ্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে সরবরাহ করতে গিয়েই ধরা পড়েন। তার দেওয়া তথ্যমতে, চক্রের হোতা জ্যাক ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারে ঢাকার কয়েকটি স্থানে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত করছেন সিআইডির পরিদর্শক শাহীনুল ইসলাম।

এদিকে প্রশ্নফাঁসকারীকে ধরিয়ে দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ঘোষিত ৫ লাখ টাকা পুরস্কারের আশায় অনেকটাই উচ্ছ্বসিত ছিলেন কাজী জামান। তবে সেটা কেটে গেছে অল্পক্ষণেই। মামলার সার্বিক পরিস্থিতি ও শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিষয়ে একাধিকবার পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। গত সোমবার সিআইডির প্রধান কার্যালয়ে গিয়েও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু সিআইডি উল্টো জানিয়েছে, পুরস্কার ঘোষণার বিষয়ে তারা অবগত হলেও তা বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অন্য কোনো দপ্তর থেকে নির্দেশনা আসেনি।

সিআইডির সিনিয়র এসপি আবু সাঈদ বলেন, গ্রেপ্তার জাকির হোসেন ওরফে বিজয় মাঠপর্যায়ের কর্মী। তার সঙ্গে কারা কারা জড়িত, তা নিয়ে তদন্ত চলছে। শিক্ষামন্ত্রীর পুরস্কার ঘোষণা বাস্তবায়নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি। অভিন্ন মন্তব্য করেন মতিঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম রব্বানীও।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে র্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন সময় একাধিক দাপ্তরিক চিঠির মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পুরস্কার ঘোষণা বাস্তবায়নের বিষয়ে প্রকৃত নির্দেশনা তারা এখনো পাননি। একই কথা জানান পুলিশ সদর দপ্তরের জনসংযোগ ও মিডিয়া শাখার সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সহেলী ফেরদৌস। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, ঘোষণার বিষয়টি আমি অবগত। তবে এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা এসেছে বলে আমার জানা নেই।

অবশেষে গত মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে (ঢাকা) যান জামান। প্রথম দিকে বোর্ড কর্মকর্তাদের কাছে পাত্তা পাননি। পরে সচিব মো. শাহেদুর খবির চৌধুরীর হস্তক্ষেপে মন্ত্রীর ঘোষিত পুরস্কারপ্রাপ্তির বিষয়ে তিনি একটি লিখিত পত্র দাখিল করেন। সেটি জমা দেওয়া হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের (ঢাকা) পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকারের দপ্তরে।

কাজী জামান আমাদের সময়কে বলেন, সিআইডি ও মতিঝিল থানা পুলিশ জানিয়েছে, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের বিষয়ে তারা কোনো নির্দেশনা পাননি বিধায় এ বিষয়ে সাহায্য করতে পারছেন না। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে গেলে প্রথমে আমাকে বলা হয়, প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের হোতাদের ধরিয়ে দিতে পারলে তবেই পুরস্কারের টাকা মিলবে, অন্যথায় নয়। অথচ প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের মাঠপর্যায়ের কর্মীদের সূত্র ধরেই তো হোতা খুঁজে পায় তদন্তসংশ্লিষ্টরা। তা হলে কেন পুরস্কারের ঘোষণা দিয়ে এই প্রহসন করা হচ্ছে? কোন প্রক্রিয়ায় ঘোষণা বাস্তবায়ন হবে, তা কেন জানাতে পারছে না কেউ?

এ বিষয়ে কথা হয় আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটির আহ্বায়ক তপন কুমার সরকারের সঙ্গে। তিনি আমাদের সময়কে বলেন, প্রশ্নফাঁসকারী চক্রের মাঠপর্যায়ের কর্মী নয়, মূলহোতাদের ধরিয়ে দিলেই ঘোষিত পুরস্কার পাওয়া যাবে বলে আমি জানি। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে কোনো নির্দেশনা পাইনি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতনরাই ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পুরস্কারের ঘোষণা কোন প্রক্রিয়ায় বাস্তবায়ন হবে, কারা পাবেনÑ এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সচিব মো. শাহেদুর খবির চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, যারা প্রশ্নফাঁসকারীদের ধরিয়ে দেবেন, তারাই পুরস্কার পাবেন বলে জানি। তবে এখন পর্যন্ত মন্ত্রণালয় থেকে এ ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা আমরা পাইনি।

স্বাস্থ্য

ডোমারে প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ্য ৩২ জন ৭জনের...

কলামিস্ট | আপডেট: ০৬:১৫, ফেব্রুয়ারী ০৩ , ২০১৮



মোঃআব্দুল্লাহ আল মামুন,নীলফামারী প্রতিনিধি :: নীলফামারীর ডোমারে কালী মন্দিরের পুজার প্রসাদ খেয়ে বিষক্রিয়ায় অসুস্থ্য হয়ে পরেছে প্রায় অর্ধশতাধিক শিশু ও মহিলা। এদের মধ্যে ৩২ জনকে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অসুস্থ্যদের মধ্যে বেশিরভাগেই শিশু। উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড নয়ানী বাকডোকরার সাধুপাড়া কালী মন্দিরে  ঘটনাটি ঘটে।

জানাযায়,শনিবার বিকালে নয়ানী বাকডোকরা গ্রামের দিরেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী সুরোধনী রায়ের একটি গরুর বাছুর হওয়ায় ঐ গরুর দুধ দিয়ে মন্দিরে সেবা দেওয়ার জন্য পুজা করানো হয়। স্থানীয় লোকজন ঐ পুজায় অংশ নেয়। নতুন গরুর দুধের দই,কলা,চিড়া ও গুড় একত্রে করে বানানো হয় প্রসাদ। পুজা শেষে সকলকে প্রসাদ দেওয়া হয়। এরপরেই প্রসাদ খেয়ে রাতে পেট ব্যাথা,বমি ও পাতলা পায়খানাসহ একাধিক উপসর্গ নিয়ে একের পর এক শিশু,মহিলা অসুস্থ্য হতে শুরু করে। প্রথমে বিষয়টিকে কেউ গুরুত্ব না দিয়ে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করালেও সময়ের সাথে সাথে অসুস্থ্য হয়ে পরে প্রায় অর্ধশতাধিক শিশু,বালক ও মহিলা। রবিবার বিকাল সারে তিনটা পর্যন্ত ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩২ জনকে ভর্তি করানো হয়। এদের মধ্যে ৭জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের রংপুর মেডিক্যেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক নেমে এসেছে।

অসুস্থ্য শিশু রাহলের(৩) বাবা দিপক জানায়, বিকালে পুজা শেষে প্রসাদ নিয়ে আসলে সন্ধার পর তারা প্রসাদ খায়। প্রসাদ খাওয়ার পর পরেই সে তিনবার টয়লেটে যায়।তারপরেই শুরু হয় বমি।প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করালেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ডোমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। হাসপাতালে আসার পর দেখি যারাই প্রসাদ খেয়েছে তারা সবাই একে একে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।পুজারী কৃঞ্চ চন্দ্র জানান,পুজাশেষে করে  দুই ছেলে কনক(৪) ও দীলিপ(১২)কে সাথে নিয়ে বাড়ীতে আসি। বাড়ীতে এসে প্রসাদ খাওয়ার পরেই দুজনেরেই বমি,পেটব্যাথা ও পাতলা পায়খানা শুরু হয়। অবস্থা বেগতিক দেখে তাদের ডোমার হাসপাতালে ভর্তি করাই।অসুস্থ্য রাহুল(৩),সাথী(২),উৎসব(৮),রিপন(১০),অরন্য(৪),অর্পন(৭),সৌরভ(৩),বিপ্লব(৭),সনিক(১২),আকাশ(৮),জোতিষ(১৪),বিপুলও সাথী ভাইবোন,সুজিতা রানী(৩০),স্বপন ও মালা ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মেডিক্যেল অফিসার ডাঃ মাসুমা আস-সাদিকা প্রসাদ খেয়ে ৩২ জনের অসুস্থ্য হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,খাদ্যে বিষক্রিয়া হওয়ার কারনে এমন ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ্যদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।





 
      



আইটি টেক

আজ বিকেলে সূর্যগ্রহণ!

প্রতিনিধী | আপডেট: ০৪:২২, ফেব্রুয়ারী ১৫ , ২০১৮


মোঃআব্দুর রহমান (বিশ্বাস):: মহাকাশে প্রতিনিয়ত বহু মহাজাগতিক ঘটনা ঘটে চলেছে। বিভিন্ন ঘটনার যেমন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা রয়েছে, তেমনই বিভিন্ন ঘটনার নেপথ্য কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত রয়েছে মহাকাশ বিজ্ঞান।তবুও সকলের অগোচরে বা কখনও গোচরে ঘটে চলেছে নানান ঘটনা।

 তার কিছুটা প্রভাব আমাদের ছুঁয়ে যাচ্ছে, কিছু বা আমাদের অজান্তেই হয়ে চলেছে। এরকমই এক মাহাজাগতিক ঘটনা হল সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ।বছরের প্রথম মাসে জানুয়ারির ৩১ তারিখেই দেখা মিলেছে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণের। আজ আবার ১৫ই ফেব্রুয়ারি হতে চলেছে অর্ধ-সূর্যগ্রহণ।দক্ষিণ আমেরিকা, পেসিফিক, আটলান্টিক আন্টার্টিকা এই সমস্ত জায়গা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি এই অর্ধসূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।

 এই দৃশ্যটি প্রথম যে জায়গায় দেখা যাবে তা ১৬ ফেব্রুয়ারি ০০:২৫:৫১ থেকে। মধ্যবর্তী পর্যায়ে ০২:২১:২৯, এরপর ০৪:১৭ মিনিট পর্যন্ত সংগঠিত হবে।২০১৮ সালে সূর্যগ্রহণ, চন্দ্রগ্রহণ, উল্কা বৃষ্টি, ধূমকেতু সংঘর্ষসহ অনেক খেলা দেখাবে আকাশ। আজকের পরে আবার ৭ ও ৮ মার্চ এক রেখায় দেখা যাবে শনি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিকে। ১৫ জুলাই চাঁদের কাছাকাছি আসবে শুক্র।

যা সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকায়।দ্বিতীয়বারের মতো ২৭ জুলাই দেখা যাবে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ। এ গ্রহণ দীর্ঘক্ষণধরে চলবে।

 একই দিনে পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠবে লালগ্রহের রূপ। মঙ্গলকে দেখা যাবে দারুণ জ্বলজ্বলে চেহারায়।বছরের অষ্টম মাসে রয়েছে একমাত্র সূর্যগ্রহণ। ১১ আগস্ট আংশিক সূর্যগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সূর্যের ৩৭ শতাংশ ঢেকে দেবে চাঁদ। মজার বিষয় হচ্ছে- ১২ আগস্ট রাত থেকে ১৩ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত আকাশজুড়ে চলবে উল্কাপাত। সবশেষে ১২ ডিসেম্বর হবে ধূমকেতুর সংঘর্ষ।

সাহিত্য

কাজী আরমানের চোখ সুন্দরী

প্রতিনিধী | আপডেট: ০০:৫৯, ফেব্রুয়ারী ১৪ , ২০১৮

চোখ সুন্দরী (কবিতা সংখ্যা-১২৯৫)
কাজী আরমান

কিছু কিছু চোখ যেন ইশারাই কথা বলে,
মনের আড়ালে ফাগুন এসে
ফুল ফুটিঁয়ে যেভাবে নিরালায়
একলা পথে আবার অজানা মায়ায়
 দেশান্তরী নদে ছোটে চলে।

আড়ালে দাড়িয়ে গঙ্গাজলে স্নানের তরে
 চোখের জলখানিতে মনের বাগান বেশমাল করে তুলে।
অল্প আলোয় শিহরণ জাগিয়ে নিজেই নিজের
রুপশ্রী চোখ নগরের তুলণার প্রমাণ বলে।

কি চোখ যেন অপরুপ লতা বিষিষ্ট সুন্দরী
মনোহর পাখির ডাকের মতো
ঈশারার পেখম মেলে।
আফছা চোখের কোনে
কালো কাজলা দিঘীর বাহারী রঙ্গে
গৌপনীয় ভালোবাসার আবিস্কার চোখের ব্যাখ্যা বলে।

নাম জানিনা তবু চোখের কোনে আটকানো
ঝিলমিল প্রয়াসের সূরে
 বারেবার মন যেন তাকে পেছনে ফিরে
আরেকটাবার থাকাতে বলে,
সেই অচেনা দুটি চোখ কাব্য কবিতার মানবের
মনকে অতল গভীরে হারিয়ে ফেলে।

তুমি আনিন্দ চোখের অধিকারীনি মন নগরের
মায়াবিনী অপরুপ রাজ্যের রাজ পরী আমার দেখা চোখ সুন্দরী,
কবিতার ছন্দে তোমার চোখের করেছি মিছে বদনাম
এই যেন সেই চোখ
 যে চোখে মায়াবতীর অপরুপ রুপশ্রীর
সেই কাজলা কালো আবেগময়ী চোখ।

ফিচার

বান্দরবানে রুমায় ভূট্টা চাষে সাফল্য আসছে

প্রতিনিধী | আপডেট: ০৪:৪০, ফেব্রুয়ারী ১৫ , ২০১৮



বান্দরবানের রুমা উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় এবং ব্যক্তি উদ্যোগে এবছর  ১৪০ হেক্টর ভুট্টার চাষ হয়েছে। গতবছর হেক্টর প্রতি ফলন হয়েছে ৫.৬ টন। বছর আরো উন্নত জাতের বীজ ‘হাইব্রিড সুপার সাইন ও হীরা’ বপনের ফলে হেক্টর প্রতি ফলন বেড়ে ৭.০ থেকে ৭.৫ টন পর্যন্ত  হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন লামা কৃষি অফিসের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা।

এছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে আরো ৬০জন কৃষক ভুট্টা চাষ করেছেন। ভাল ফলনের আশায় কৃষককে উন্নত জাতের ভুট্টা বীজ দেয়া হয়েছে। ‘হাইব্রিড সুপার সাইন ও হীরা’ এই দুই জাতের ভুট্টা এবছর চাষ করেছে কৃষকরা। গতবছর ১৩০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় এবছর আরো অনেকে ভুট্টা চাষে সম্পৃক্ত হয়েছেন।

সরজমিনে রুমা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ইতিমধ্যে ভাল ফলন এসেছে ভুট্টা গাছে। প্রতিটি ভুট্টা গাছে একাধিক মোচার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে ।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে ১৪০ হেক্টরে জমিতে ২৩০ জন কৃষক ভুট্টা চাষ করেছেন। এরমধ্যে রাজস্ব খাত থেকে প্রদর্শনী প্লটে ২০জন ও প্রনোদনা খাত থেকে ১৫০ জন কৃষককে বীজ, সার, পরিচর্যা খরচ, কারিগরী সহায়তা ও সাইনবোর্ড দেয়া হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম বলেন, বেলে দোঁ-আশ ও দোঁ-আশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। বাংলাদেশে ভুট্টার চাষ দ্রুত বাড়ছে। উৎপাদনের পাশাপাশি আমরা কৃষকের উৎপাদিত ভুট্টা বিক্রয়ের নিশ্চয়তা দেয়ার জন্য ফিড এগ্রো ইন্ডাট্রিজ এর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়েছি। তারা প্রতি কেজি ভুট্টা ২৫ থেকে ২৮ টাকায় কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করবে।

ভুট্টা চাষী সেলিম, জাহাঙ্গীর, বরকত ক্যহ্লাচিং মার্মার সাথে কথা বলে জানা যায়, যদি কোন প্রকৃতিক বিপর্যয় আঘাত না করে তবে প্রতি শতকে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকার ভূট্টা বিক্রি করা যাবে।

ভুট্টা একটি অধিক ফলনশীল দানাজাতীয় শস্য। ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমাণ বেশি। এতে প্রায় শতকরা ১১% আমিষজাতীয় উপাদান আছে। আমিষে প্রয়োজনীয় অ্যামিনো এসিড, ট্রিপটোফ্যান ও লাইসিন অধিক পরিমাণে রয়েছে। এছাড়া হলদে রঙের ভুট্টাদানার প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ মিলিগ্রাম ভিটামিন-এ রয়েছে। ভুট্টার দানা মানুষের খাদ্য হিসেবে এবং ভুট্টা গাছ ও সবুজ পাতা উন্নত মানের গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হাঁস-মুরগি ও মাছের খাদ্য হিসেবে এর যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।

অব্যাহত পুলিশের ধরপাকড় ১৩ দিনে ৪ হাজার ছাড়িয়েছে
খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করে নির্বাচনে যাবে ২০ দল: ফখরুল
তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া চলছে : কাদের
সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ
মানববন্ধন শেষে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যা দুদু আটক :সূত্র পুলিশ
সমাজকর্মী আসমা জাহাঙ্গীরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
রকমারি

আজ ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন

প্রতিনিধী | আপডেট: ০৫:০১, ফেব্রুয়ারী ১৩ , ২০১৮



চহ্লামং মারমা (চহ্লা) থানছি :: ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্তের প্রথম দিন।  বসন্ত মানে পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব। বসন্ত মানে একে অপরের হাত ধরে হাঁটা।  বসন্ত মানে অসংখ্য রমনী বাসন্তী রঙে নিজেদের রাঙিয়ে পুরো নগরী সুশোভিত করে তুলবে। কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের ভাষায় বসন্তের শাশ্বত রূপটি তাই এমন- ‘ফুল ফুটুক, আর না-ই ফুটুক আজ বসন্ত’।বসন্ত নিয়ে লেখা হয়েছে অনেক গান, অনেক কবিতা।

বসন্তে গাছে গাছে নতুন পাতা আসে। ডালে ডালে কোকিল। রঙিন ফুলে প্রকৃতি সুশোভিত হয়ে ওঠে। এই সময়ে বাতাসে ফুলের রেণু ছড়ায়। প্রকৃতি হয়ে উঠে অপরুপ।

 বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ‘বসন্ত বাতাস’ নিয়ে জনপ্রিয় একটি গান আছে। গানের শুরুটা ঠিক এ রকম- ‘বসন্ত বাতাসে সই গো বসন্ত বাতাসে, বন্ধুর বাড়ির ফুলের গন্ধ আমার বাড়ি আসে সই গো, বসন্ত বাতাসে’।

বসন্ত যেমন আমাদের খুশির ঋতু; তেমনি বেদনারও বটে। ফাগুনে শিমুল আর কৃষ্ণচূড়ার লাল রঙ মনে করিয়ে দেয় বায়ান্নর ফাগুনের শহীদদের কথা। ফাল্গুন মনে করিয়ে দেয় ভাষা শহীদের রক্তের ইতিহাস।

বসন্তে তারুণ্য মেতে ওঠবে বসন্ত উৎসবে।শহরের কোলাহল ছাড়িয়ে নিভৃত পল্লীর ধুলোমাখা পথেও।

ফাগুনের এই সময় পলাশ, শিমুল গাছে দেখা দেয় আগুন রঙের খেলা। পাতার আড়ালে আবডালে লুকিয়ে থাকা বসন্তের দূত কোকিলের মধুর কুহুকুহু ডাক, ব্যাকুল করে তুলবে অনেক বিরোহী অন্তর।